ঢাকা ০৭:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬, ৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বড়লেখায় পুলিশের অভিযানে সাজাপ্রাপ্ত আসামি ও মোটরসাইকেল চোরসহ গ্রেপ্তার ৭ কলকাতায় অগ্নিকাণ্ড: একসঙ্গে দেশে ফিরল ৫ বাংলাদেশির মরদেহ গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী সরকার: তথ্যমন্ত্রী মন্ত্রীর মর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা জহির উদ্দিন স্বপন আওয়ামী আমলে ভারতের সঙ্গে স্বামী-স্ত্রীর মতো সম্পর্ক ছিল: রাশেদ খান মহেশখালীতে অস্ত্র তৈরির কারখানার সন্ধান, সরঞ্জামসহ আটক ১ খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলা মামলার বাদী কাশেম মারা গেছেন সন্ত্রাস নির্মূলে পুলিশকে আরো কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হোসেনপুরে কলেরা ভ্যাকসিনেশন ক্যাম্পেইন উদ্বোধন বাংলাদেশের দ্বিতীয় ক্রান্তিকালে হাল ধরেছেন প্রধানমন্ত্রী: মঈন খান

ইসলামপুর প্রধান শিক্ষকের অনুপস্থিতিতে ছাত্র-ছাত্রী শূন্য বিদ্যালয়

জামালপুর জেলার ইসলামপুর উপজেলার চর গোয়ালিনী ইউনিয়নের লহ্মীপুর জাহানারা জুলফিকার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা মনোয়ারা পারভীনের বিনা অনুমতিতে অনুপস্থিতির কারণে বিদ্যালয়ের পাঠদান ব্যাপকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
অথচ প্রধান শিক্ষক অনুপস্থিত থেকেও সকল প্রকার সরকারি সুযোগ সুবিধা ভোগ করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

তিনি যে বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত সে সম্পর্কে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ কেউ জানেন না।

সরেজমিনে দেখা যায়, ৩০ আগষ্ট ১২.৪৫ মিনিটের সময় লহ্মীপুর জাহানারা জুলফিকার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৫ জন শিক্ষকের পরিবর্তে উপস্থিত ৪ জন শিক্ষক।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা মনোয়ারা পারভীনের অনুপস্থিত থাকার বিষয়ে জানতে চাইলে সহকারী শিক্ষকরা জানায়, প্রধান শিক্ষক আজকে বিদ্যালয়ে আসেনি। কেন আসেনি এ বিষয়ে তারা জানান, কেন আসেনি আমরা বলতে পারব না।

প্রধান শিক্ষিকা মনোয়ারা পারভীন আমাদেরকে কোন কিছু বলেনি বা কোন প্রকার যোগাযোগ করেনি।

প্রাথমিক বিদ্যালয় গুলোতে ২য় প্রান্তিক পরীক্ষা শেষে শ্রেণী কক্ষে গিয়ে দেখা যায়, কোন ছাত্র/ছাত্রী উপস্থিত নেই।

ছাত্র/ছাত্রী উপস্থিতি না থাকার বিষয়ে জানতে চাইলে তারা জানান ছাত্র/ছাত্রী না আসলে আমরা কি করব।

প্রধান শিক্ষক মনোয়ারা পারভীনের সাথে যোগাযোগ করা হলো তিনি জানান, আমি ও আমার স্বামী অসুস্থ্য থাকার কারণে বিদ্যালয়ে যেতে পারিনি এবং মোবাইল সমস্যার থাকার কারণে উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদেরও অবগত করতে পারিনি।

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা মেহাম্মদ আব্দুল গফুর খানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, প্রধান শিক্ষিকা মনোয়ারা পারভীন বিদ্যালয়ে অনুপস্থিতির বিষয়ে কিছু জানি না।

তবে আপনাদের মাধ্যমে জানতে পারলাম। এর আগেও ওই বিদ্যালয়ের নামে অনেক কিছু শুনেছি।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বড়লেখায় পুলিশের অভিযানে সাজাপ্রাপ্ত আসামি ও মোটরসাইকেল চোরসহ গ্রেপ্তার ৭

ইসলামপুর প্রধান শিক্ষকের অনুপস্থিতিতে ছাত্র-ছাত্রী শূন্য বিদ্যালয়

আপডেট সময় ০৩:১৮:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৩

জামালপুর জেলার ইসলামপুর উপজেলার চর গোয়ালিনী ইউনিয়নের লহ্মীপুর জাহানারা জুলফিকার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা মনোয়ারা পারভীনের বিনা অনুমতিতে অনুপস্থিতির কারণে বিদ্যালয়ের পাঠদান ব্যাপকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
অথচ প্রধান শিক্ষক অনুপস্থিত থেকেও সকল প্রকার সরকারি সুযোগ সুবিধা ভোগ করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

তিনি যে বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত সে সম্পর্কে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ কেউ জানেন না।

সরেজমিনে দেখা যায়, ৩০ আগষ্ট ১২.৪৫ মিনিটের সময় লহ্মীপুর জাহানারা জুলফিকার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৫ জন শিক্ষকের পরিবর্তে উপস্থিত ৪ জন শিক্ষক।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা মনোয়ারা পারভীনের অনুপস্থিত থাকার বিষয়ে জানতে চাইলে সহকারী শিক্ষকরা জানায়, প্রধান শিক্ষক আজকে বিদ্যালয়ে আসেনি। কেন আসেনি এ বিষয়ে তারা জানান, কেন আসেনি আমরা বলতে পারব না।

প্রধান শিক্ষিকা মনোয়ারা পারভীন আমাদেরকে কোন কিছু বলেনি বা কোন প্রকার যোগাযোগ করেনি।

প্রাথমিক বিদ্যালয় গুলোতে ২য় প্রান্তিক পরীক্ষা শেষে শ্রেণী কক্ষে গিয়ে দেখা যায়, কোন ছাত্র/ছাত্রী উপস্থিত নেই।

ছাত্র/ছাত্রী উপস্থিতি না থাকার বিষয়ে জানতে চাইলে তারা জানান ছাত্র/ছাত্রী না আসলে আমরা কি করব।

প্রধান শিক্ষক মনোয়ারা পারভীনের সাথে যোগাযোগ করা হলো তিনি জানান, আমি ও আমার স্বামী অসুস্থ্য থাকার কারণে বিদ্যালয়ে যেতে পারিনি এবং মোবাইল সমস্যার থাকার কারণে উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদেরও অবগত করতে পারিনি।

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা মেহাম্মদ আব্দুল গফুর খানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, প্রধান শিক্ষিকা মনোয়ারা পারভীন বিদ্যালয়ে অনুপস্থিতির বিষয়ে কিছু জানি না।

তবে আপনাদের মাধ্যমে জানতে পারলাম। এর আগেও ওই বিদ্যালয়ের নামে অনেক কিছু শুনেছি।