ঢাকা ০২:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
আহমেদ বাওয়ানী একাডেমিতে অনিয়মের অভিযোগ পরিচালক আল ফাত্তাহকে ঘিরে ৩ হাজার কোটি টাকার অভিযোগ পূর্তে প্যারাডাইমের ফের দাপট, গুরুত্বপূর্ণ কাজ যাচ্ছে একই প্রতিষ্ঠানের ঝুড়িতে আয়কর নথি জালিয়াতির অভিযোগে সহকারী কর কমিশনার মিতুর পদোন্নতি ৮ বছর স্থগিত গাইবান্ধায় ৭ লাখ টাকার প্রকল্পে পুকুরচুরি: চার মাসেই নদীতে বিলীন জেলা পরিষদের কাঠের সেতু ২ লাখ ৬০ হাজার টাকা নিয়ে নিখোঁজ ভুট্টু ৭ দিনেও মেলেনি সন্ধান সৈয়দপুরে ভ্যান হারানো কিশোর রেজওয়ানকে নতুন ভ্যান উপহার দিল উপজেলা প্রশাসন ভিসা-টিকিট ঠিক থাকলেও বিমানের কাউন্টারে ‘টাকার খেলা’ মনোহরগঞ্জে মাছের পোনা অবমুক্ত করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী জসিম উদ্দিন দেশ অস্থিতিশীল করতে কেউ কেউ গুজব রটাচ্ছে : প্রধানমন্ত্রী

অন্যের জমি দখলের অভিযোগ প্রমাণিত হলে সর্বোচ্চ ৭ বছরের জেল

অন্যের জমি নিজের বলে দাবি করার অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট অপরাধী ও তার সহযোগীদের সর্বোচ্চ ৭ বছর এবং সর্বনিম্ন ২ বছরের কারাদণ্ডের বিধান রেখে ‘ভূমি অপরাধ ও প্রতিকার আইন-২০২৩’ এর খসড়ায় নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। আইনে ভূমিবিষয়ক অপরাধগুলো চিহ্নিত করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে আজ সোমবার (১৯ জুন) সকালে তার কার্যালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই অনুমোদন দেওয়া হয়। বিকেলে সচিবালয়ে এ বিষয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. মাহবুব হোসেন।

তিনি বলেন, ভূমি সংক্রান্ত প্রতারণা বা জালিয়াতির অপরাধে সর্বোচ্চ সাত বছর এবং সর্বনিম্ন দুই বছর কারাদণ্ডের বিধান রেখে ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইনের খসড়ায় চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। এ ধরনের অপরাধে কেউ সহযোগিতা করলেও একই শাস্তি হবে।

এর আগে বিভিন্ন সময় ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী বলেন, দলিল যার জমি তার এই আইনের জন্য মানুষ অপেক্ষায় আছে। দলিল যার জমি তার। এটা সাংঘাতিক আকারে ভাইরাল হয়ে গেছে। মানুষ আগ্রহ নিয়ে অপেক্ষা করছে। আইনটি নিয়ে স্টেকহোল্ডারের সঙ্গে আলাপ করতে হয়েছে। অনেক বিষয় আছে। আইনটি মন্ত্রিসভায় নিয়ে যাব। ওখান থেকে আইন মন্ত্রণালয়ে ভেটিং হবে।

বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা সংশোধন আইন,                                                                                                  বালুমহল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইনের কিছু কিছু ধারায় সংশোধন আনা হয়েছে। বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা (সংশোধন) আইন-২০২৩’ এর খসড়ায় চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। আইনটি সংসদে পাশ হলে কোনো ফসলি জমি থেকে বালু বা মাটি উত্তোলন করা যাবে না। এ ছাড়া নদীর নাব্য নষ্ট হতে পারে এমন স্থান থেকেও বালু উত্তোলন করা যাবে না। অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের যন্ত্র জব্দ করতে পারবে ম্যাজিস্ট্রেট।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, বালু উত্তোলনের অবৈধ যন্ত্র আগে সরকার বাজেয়াপ্ত করতে পারত না, এখন ম্যাজিস্ট্রেটরা সেটি করতে পারবে। বালু উত্তোলনের ফলে রাস্তার কোনো ক্ষতি হলে ইজারাদার কর্তৃপক্ষকে রাস্তা আবার মেরামত করে দিতে হবে।

হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা শিক্ষা আইন,                                                                                                       হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা শিক্ষা আইন-২০২৩ এর খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. মাহবুব হোসেন জানান, খসড়া অনুযায়ী হোমিওপ্যাথি সংক্রান্ত আলাদা কাউন্সিল হবে। এই কাউন্সিল সার্বিক সিদ্ধান্ত নেবে। তবে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসকরা নামের আগে ‘ডাক্তার’ লিখতে পারবে কিনা সেটি কাউন্সিল সিদ্ধান্ত নেবে।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আহমেদ বাওয়ানী একাডেমিতে অনিয়মের অভিযোগ

অন্যের জমি দখলের অভিযোগ প্রমাণিত হলে সর্বোচ্চ ৭ বছরের জেল

আপডেট সময় ১২:২০:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জুন ২০২৩

অন্যের জমি নিজের বলে দাবি করার অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট অপরাধী ও তার সহযোগীদের সর্বোচ্চ ৭ বছর এবং সর্বনিম্ন ২ বছরের কারাদণ্ডের বিধান রেখে ‘ভূমি অপরাধ ও প্রতিকার আইন-২০২৩’ এর খসড়ায় নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। আইনে ভূমিবিষয়ক অপরাধগুলো চিহ্নিত করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে আজ সোমবার (১৯ জুন) সকালে তার কার্যালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই অনুমোদন দেওয়া হয়। বিকেলে সচিবালয়ে এ বিষয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. মাহবুব হোসেন।

তিনি বলেন, ভূমি সংক্রান্ত প্রতারণা বা জালিয়াতির অপরাধে সর্বোচ্চ সাত বছর এবং সর্বনিম্ন দুই বছর কারাদণ্ডের বিধান রেখে ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইনের খসড়ায় চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। এ ধরনের অপরাধে কেউ সহযোগিতা করলেও একই শাস্তি হবে।

এর আগে বিভিন্ন সময় ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী বলেন, দলিল যার জমি তার এই আইনের জন্য মানুষ অপেক্ষায় আছে। দলিল যার জমি তার। এটা সাংঘাতিক আকারে ভাইরাল হয়ে গেছে। মানুষ আগ্রহ নিয়ে অপেক্ষা করছে। আইনটি নিয়ে স্টেকহোল্ডারের সঙ্গে আলাপ করতে হয়েছে। অনেক বিষয় আছে। আইনটি মন্ত্রিসভায় নিয়ে যাব। ওখান থেকে আইন মন্ত্রণালয়ে ভেটিং হবে।

বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা সংশোধন আইন,                                                                                                  বালুমহল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইনের কিছু কিছু ধারায় সংশোধন আনা হয়েছে। বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা (সংশোধন) আইন-২০২৩’ এর খসড়ায় চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। আইনটি সংসদে পাশ হলে কোনো ফসলি জমি থেকে বালু বা মাটি উত্তোলন করা যাবে না। এ ছাড়া নদীর নাব্য নষ্ট হতে পারে এমন স্থান থেকেও বালু উত্তোলন করা যাবে না। অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের যন্ত্র জব্দ করতে পারবে ম্যাজিস্ট্রেট।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, বালু উত্তোলনের অবৈধ যন্ত্র আগে সরকার বাজেয়াপ্ত করতে পারত না, এখন ম্যাজিস্ট্রেটরা সেটি করতে পারবে। বালু উত্তোলনের ফলে রাস্তার কোনো ক্ষতি হলে ইজারাদার কর্তৃপক্ষকে রাস্তা আবার মেরামত করে দিতে হবে।

হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা শিক্ষা আইন,                                                                                                       হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা শিক্ষা আইন-২০২৩ এর খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. মাহবুব হোসেন জানান, খসড়া অনুযায়ী হোমিওপ্যাথি সংক্রান্ত আলাদা কাউন্সিল হবে। এই কাউন্সিল সার্বিক সিদ্ধান্ত নেবে। তবে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসকরা নামের আগে ‘ডাক্তার’ লিখতে পারবে কিনা সেটি কাউন্সিল সিদ্ধান্ত নেবে।