ঢাকা ০৮:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়াকে নিয়ে লেখা বই শিশুদের অনুপ্রাণিত করবে: ডা. জুবাইদা রহমান তরুণ উদ্যোক্তাদের ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থায়ন করবে বাংলাদেশ ব্যাংক অন্য দলের মতো বিএনপি নেতারা পালিয়ে যাননি : ত্রাণমন্ত্রী মক্কায় কুরআন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী ৪ হাফেজকে জামায়াত আমিরের সংবর্ধনা আজিজ ফয়জুন্নেছা টাওয়ার নিয়ে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ক্রিকেটারদের মন জয় করতে বড় পদক্ষেপ নিলেন তামিম কর ফাঁকির জরিমানায় লাগবে দালিলিক প্রমাণ : এনবিআর যুক্তরাষ্ট্রকে পাঁচে নামিয়ে রেমিট্যান্সে শীর্ষে সৌদি আরব : সংসদে প্রতিমন্ত্রী নুর কোটালীপাড়ায় মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকিং সেন্টার উদ্বোধন  জনগণের ভোগান্তি নিরসনে লং মার্চে অংশ নিচ্ছে এনসিপি : আখতার হোসেন

পটুয়াখালীতে প্রবাসী বোনের ৪০ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ ভাইয়ের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা

পটুয়াখালীর মহিপুরে মোসাঃ রেণু বেগম (৫৭) দীর্ঘ ১৯ বছর ধরে সৌদি আরবে বাসায় কাজ করে যা উপাজন করেছেন তা সব কিছু হাতিয়ে নিয়েছেন তার ছোট ভাই বাবুল শরিফ।পটুয়াখালীর জেলাধীন মহিপুর থানার নিজামপুর গ্রামের মোঃ নুরু শরিফের বড় মেয়ে রেণু বেগম (৫৭) দীর্ঘ ১৯ বছর ধরে সৌদি আরবে বাসায় কাজে করে সেই কষ্টের উপার্জিত ৪০ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে তার ছোট বাবুল শরিফ একারণে আদালতে আত্মসাতের মামলা করেছেন ভুক্তভোগী মহিলার বড় মেয়ে মোসাঃ সালমা বেগম তার ছোট মামা বাবুল শরিফ ও তার স্ত্রী আসমা বেগমের বিরেুদ্ধে।

মামলা সূত্রে জানা যায় মোসাঃ রেনু বেগম জীবন ও জীবিকার প্রয়োজনে ২০০৭ সালে ভাগ্যের চাকা ঘোরাতে সৌদিআরবে যান। এরপরে ভাই বাবুল শরিফের প্রতি অগাধ বিশ্বাস, ভালোবাসা ও সরল বিশ্বাসে সৌদি আরব থেকে কষ্টে উপার্জিত টাকা-২০০৭ থেকে-২০২২ পর্যন্ত ভাই বাবুল শরিফ ও তার স্ত্রীর ব্যাংক একাউন্টের মাধ্যমে প্রায় ৪০ লক্ষ টাকা পাঠিয়েছেন। এসব টাকা আসামিরা ব্যাংক থেকে উত্তোলন করে আত্মসাৎ করেন।সব টাকার ব্যাংকের স্টেটমেন্ট সংগ্রহ করে মামলার কপির সাথে আদালতে দেয়া হয়।

২০২২ সালে রেনু বেগম সৌদিআরব থেকে ছুটি নিয়ে দেশে ফিরে দুই মেয়ে ও মেয়ের জামাইকে নিয়ে বাবার বাড়ি নিজামপুর যান। এপরে বাবুল শরীফের কাছে তার বিদেশ থেকে পাঠানো টাকা ফেরত চান এই টাকা চাওয়াটাই যেন তার কাল হয়ে উঠেন এরপরে তাদের অমানুষিক নির্যাতন,করে। রাত আনুমানিক ১ টার দিকে বাড়ি থেকে বের করে দেয়া হয়।

এরপরে আসামিদের প্রতারণা নির্যাতন ও টাকা আত্মসাতের বিষয়টি নিয়ে প্রতিকার পেতে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের মাধ্যমে আপস-মীমাংসার চেষ্টা ব্যর্থ হয়। তাই আদালতে সৌদি প্রবাসীর বড় মেয়ে বাদী হয়ে এ মামলা করেন।এ বিষয়ে অভিযুক্ত বাবুল শরিফের মুঠো ফোনে জানতে চাইলে তিনি বলেন আমার বোন ১৩ লক্ষ ২৬ হাজার টাকা আমার একাউন্টে পাঠিয়েছেন কিন্তু তিনি যেই যেই কাজে খরচ করতে কবলেছেন আমি সেই কাজে খরচ করেছি । আমাকে যে মামলা দিয়েছে তা মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।ভুক্তভোগী রেনু বেগমের কাছে ফোনে জানতে চাইলে তিনি জানান আমার ছোট ভাই বাবুল শরিফ আমাকে মিথ্যা কথা বলে ভুল বুঝিয়ে আমার মেয়েদের কে দুরে সরিয়ে রাখতো যে কারণে আমি আমার ছোট ভাই বাবুল শরিফের একাউন্টে ঢাকা পাঠিয়েছি।

আমি প্রবাসে এত কষ্ট করি কামাই করেছি আমার টাকা গুলো যেন আমি ফেরৎ পাই এবং এই ধরনের প্রতারকের যেন কঠিন শাস্তি হয় যাতে আর কারো সাথে এই ধরনের কাজ কেউ করতে সাহস না পায়।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়াকে নিয়ে লেখা বই শিশুদের অনুপ্রাণিত করবে: ডা. জুবাইদা রহমান

পটুয়াখালীতে প্রবাসী বোনের ৪০ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ ভাইয়ের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা

আপডেট সময় ০৯:৫২:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জুন ২০২৩

পটুয়াখালীর মহিপুরে মোসাঃ রেণু বেগম (৫৭) দীর্ঘ ১৯ বছর ধরে সৌদি আরবে বাসায় কাজ করে যা উপাজন করেছেন তা সব কিছু হাতিয়ে নিয়েছেন তার ছোট ভাই বাবুল শরিফ।পটুয়াখালীর জেলাধীন মহিপুর থানার নিজামপুর গ্রামের মোঃ নুরু শরিফের বড় মেয়ে রেণু বেগম (৫৭) দীর্ঘ ১৯ বছর ধরে সৌদি আরবে বাসায় কাজে করে সেই কষ্টের উপার্জিত ৪০ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে তার ছোট বাবুল শরিফ একারণে আদালতে আত্মসাতের মামলা করেছেন ভুক্তভোগী মহিলার বড় মেয়ে মোসাঃ সালমা বেগম তার ছোট মামা বাবুল শরিফ ও তার স্ত্রী আসমা বেগমের বিরেুদ্ধে।

মামলা সূত্রে জানা যায় মোসাঃ রেনু বেগম জীবন ও জীবিকার প্রয়োজনে ২০০৭ সালে ভাগ্যের চাকা ঘোরাতে সৌদিআরবে যান। এরপরে ভাই বাবুল শরিফের প্রতি অগাধ বিশ্বাস, ভালোবাসা ও সরল বিশ্বাসে সৌদি আরব থেকে কষ্টে উপার্জিত টাকা-২০০৭ থেকে-২০২২ পর্যন্ত ভাই বাবুল শরিফ ও তার স্ত্রীর ব্যাংক একাউন্টের মাধ্যমে প্রায় ৪০ লক্ষ টাকা পাঠিয়েছেন। এসব টাকা আসামিরা ব্যাংক থেকে উত্তোলন করে আত্মসাৎ করেন।সব টাকার ব্যাংকের স্টেটমেন্ট সংগ্রহ করে মামলার কপির সাথে আদালতে দেয়া হয়।

২০২২ সালে রেনু বেগম সৌদিআরব থেকে ছুটি নিয়ে দেশে ফিরে দুই মেয়ে ও মেয়ের জামাইকে নিয়ে বাবার বাড়ি নিজামপুর যান। এপরে বাবুল শরীফের কাছে তার বিদেশ থেকে পাঠানো টাকা ফেরত চান এই টাকা চাওয়াটাই যেন তার কাল হয়ে উঠেন এরপরে তাদের অমানুষিক নির্যাতন,করে। রাত আনুমানিক ১ টার দিকে বাড়ি থেকে বের করে দেয়া হয়।

এরপরে আসামিদের প্রতারণা নির্যাতন ও টাকা আত্মসাতের বিষয়টি নিয়ে প্রতিকার পেতে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের মাধ্যমে আপস-মীমাংসার চেষ্টা ব্যর্থ হয়। তাই আদালতে সৌদি প্রবাসীর বড় মেয়ে বাদী হয়ে এ মামলা করেন।এ বিষয়ে অভিযুক্ত বাবুল শরিফের মুঠো ফোনে জানতে চাইলে তিনি বলেন আমার বোন ১৩ লক্ষ ২৬ হাজার টাকা আমার একাউন্টে পাঠিয়েছেন কিন্তু তিনি যেই যেই কাজে খরচ করতে কবলেছেন আমি সেই কাজে খরচ করেছি । আমাকে যে মামলা দিয়েছে তা মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।ভুক্তভোগী রেনু বেগমের কাছে ফোনে জানতে চাইলে তিনি জানান আমার ছোট ভাই বাবুল শরিফ আমাকে মিথ্যা কথা বলে ভুল বুঝিয়ে আমার মেয়েদের কে দুরে সরিয়ে রাখতো যে কারণে আমি আমার ছোট ভাই বাবুল শরিফের একাউন্টে ঢাকা পাঠিয়েছি।

আমি প্রবাসে এত কষ্ট করি কামাই করেছি আমার টাকা গুলো যেন আমি ফেরৎ পাই এবং এই ধরনের প্রতারকের যেন কঠিন শাস্তি হয় যাতে আর কারো সাথে এই ধরনের কাজ কেউ করতে সাহস না পায়।