ঢাকা ০৬:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
চমক দিয়ে এশিয়ান গেমসের দল ঘোষণা বাংলাদেশের কালুখালীতে বিএনপি’র ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন দৌলতখান সরকারি আবু আবদুল্লাহ কলেজে পূবালী ব্যাংকের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি কুমিল্লা জেলা পরিষদ পরিদর্শনে গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমন উন্নয়নের জোয়ারে হারাচ্ছে কৃষিজমি-জলাশয়, অনিশ্চিত জীবিকা চার শর্ত পূরণ না করলে প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হবে না : অর্থমন্ত্রী কিছু লোক দেশে অশান্তি করতে চায়: মুশফিকুর রহমান এমপি নৈতিকতা বিবর্জিত শিক্ষা কোন শিক্ষা হতে পারে না : এমপি মনিরুল হক চৌধুরী শিক্ষায় বরাদ্দ ৫ শতাংশে নিতে চান প্রধানমন্ত্রী কুমিল্লা মহানগর বিএনপির উদ্যোগে ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা

পবায় অবৈধ ডিসলাইনের কন্ট্রোলরুম সিলগালা

রাজশাহীর পবায় অবৈধ ডিস লাইন পরিচালনার অভিযোগে কন্ট্রোলরুম সিলগালা করলো প্রশাসন। ১০ বছর ধরে সরকারী নির্দেশনা অমান্য করে দিব্যি ডিস লাইন পরিচালনা করে আসছিলেন আলহাজ্ব বকুল আহমেদ নামের এক ব্যবসায়ী। বৃহস্পতিবার বিকালে উপজেলার বায়া বাজারে (সোনালী ব্যাংকের পাশে) সেই ডিস লাইনের কন্ট্রোল রুমে অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অভিজিত সরকার।

প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, আলহাজ্ব বকুল আহমেদ প্রয়োজনীয় কোন বৈধ অনুমতি না নিয়ে প্রায় এক যুগ থেকে ওয়ান স্কাই কেবল নেটওয়ার্ক নামের ডিস লাইন সংযোগ প্রদান করে ব্যবসা করে আসছেন। সরকারী অনুমোদন তো দূরের কথা তার কাছে নেই কোন প্রকার আয়কর ভ্যাট, পৌর ট্রেড লাইসেন্সের কপি প্রশাসনের অভিযানের সময়ে কোন কিছুই দেখাতে পারেন নি তিনি।

জানা গেছে, বায়া বাজারসহ বিভিন্ন এলাকায় কয়েক হাজার টেলিভিশনে দেয়া আছে তার কন্ট্রোল রুমের সংযোগ। প্রতিটি লাইন থেকে মাসে নেয়া হয় ১০০-১৫০ টাকা। অভিযোগ আছে-সরকারী নির্দেশনার বাইরেও নিজের সার্থে চালাতেন দেশী-বিদেশী অনেক চ্যানেল।

এ ব্যাপারে পবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) অভিজিত সরকার বলেন, আলহাজ্ব বকুল আহমেদ দীর্ঘদিন থেকে অনুমোদন ছাড়াই কেবল লাইনের ব্যবসা করে আসছিলেন। সরকারী অনুমোদনসহ কর ফাঁকি অভিযোগে সাময়িক ভাবে তার ডিসের কন্ট্রোল রুম সিলগালা করা হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, তার বিরুদ্ধে অভিযোগের পরে কয়েকদিন আগে তাকে এই ব্যবসার বৈধ কাগজপত্র দেখাতে বলা হয়। তিনি তা দেখাননি। অভিযানের সময়ে আবারো তার কাছে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র চাওয়া হয়। তারপরও সে কোন কাগজপত্র দেখাতে পারেননি। বৈধ কাগজপত্রাদী উপস্থাপন করলে খুলে দেয়া হবে কেবল নেটওয়ার্কটি।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত আলহাজ্ব বকুল আহমেদ বলেন, ওয়ান স্কাই কেবল নেটওয়ার্কটির মালিক বর্তমানে অষ্ট্রেলিয়ায় অবস্থান করায় কাগজপত্র দেখানো সম্ভব হয়নি। এখান থেকে লাইনের কোন সমস্যা হলে তা মেরামত করা হয় বলে দাবি করেন তিনি।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চমক দিয়ে এশিয়ান গেমসের দল ঘোষণা বাংলাদেশের

পবায় অবৈধ ডিসলাইনের কন্ট্রোলরুম সিলগালা

আপডেট সময় ১২:০০:২৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৩

রাজশাহীর পবায় অবৈধ ডিস লাইন পরিচালনার অভিযোগে কন্ট্রোলরুম সিলগালা করলো প্রশাসন। ১০ বছর ধরে সরকারী নির্দেশনা অমান্য করে দিব্যি ডিস লাইন পরিচালনা করে আসছিলেন আলহাজ্ব বকুল আহমেদ নামের এক ব্যবসায়ী। বৃহস্পতিবার বিকালে উপজেলার বায়া বাজারে (সোনালী ব্যাংকের পাশে) সেই ডিস লাইনের কন্ট্রোল রুমে অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অভিজিত সরকার।

প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, আলহাজ্ব বকুল আহমেদ প্রয়োজনীয় কোন বৈধ অনুমতি না নিয়ে প্রায় এক যুগ থেকে ওয়ান স্কাই কেবল নেটওয়ার্ক নামের ডিস লাইন সংযোগ প্রদান করে ব্যবসা করে আসছেন। সরকারী অনুমোদন তো দূরের কথা তার কাছে নেই কোন প্রকার আয়কর ভ্যাট, পৌর ট্রেড লাইসেন্সের কপি প্রশাসনের অভিযানের সময়ে কোন কিছুই দেখাতে পারেন নি তিনি।

জানা গেছে, বায়া বাজারসহ বিভিন্ন এলাকায় কয়েক হাজার টেলিভিশনে দেয়া আছে তার কন্ট্রোল রুমের সংযোগ। প্রতিটি লাইন থেকে মাসে নেয়া হয় ১০০-১৫০ টাকা। অভিযোগ আছে-সরকারী নির্দেশনার বাইরেও নিজের সার্থে চালাতেন দেশী-বিদেশী অনেক চ্যানেল।

এ ব্যাপারে পবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) অভিজিত সরকার বলেন, আলহাজ্ব বকুল আহমেদ দীর্ঘদিন থেকে অনুমোদন ছাড়াই কেবল লাইনের ব্যবসা করে আসছিলেন। সরকারী অনুমোদনসহ কর ফাঁকি অভিযোগে সাময়িক ভাবে তার ডিসের কন্ট্রোল রুম সিলগালা করা হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, তার বিরুদ্ধে অভিযোগের পরে কয়েকদিন আগে তাকে এই ব্যবসার বৈধ কাগজপত্র দেখাতে বলা হয়। তিনি তা দেখাননি। অভিযানের সময়ে আবারো তার কাছে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র চাওয়া হয়। তারপরও সে কোন কাগজপত্র দেখাতে পারেননি। বৈধ কাগজপত্রাদী উপস্থাপন করলে খুলে দেয়া হবে কেবল নেটওয়ার্কটি।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত আলহাজ্ব বকুল আহমেদ বলেন, ওয়ান স্কাই কেবল নেটওয়ার্কটির মালিক বর্তমানে অষ্ট্রেলিয়ায় অবস্থান করায় কাগজপত্র দেখানো সম্ভব হয়নি। এখান থেকে লাইনের কোন সমস্যা হলে তা মেরামত করা হয় বলে দাবি করেন তিনি।