ঢাকা ০৮:৫০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বুড়িচংয়ে মেয়াদোত্তীর্ণ ও নিষিদ্ধ বালাইনাশক বিক্রি, মোবাইল কোর্টে জরিমানা মিডিয়াকে লাঠির মতো ব্যবহার করে স্বৈরাচারী শাসকগোষ্ঠী : রিজভী কুমিল্লায় জাইতুন ও মিয়ামী রেস্টুরেন্টে ভোক্তা অধিদপ্তরের অভিযান, জরিমানা ৭০ হাজার টাকা ডিএমপির ৫ অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনারকে বদলি ঢাকায় পৌঁছেছেন আইপিইউ সেক্রেটারি জেনারেল অ্যান্ডা ফিলিপ ১৮০ দিনে সরকারের বিরুদ্ধে ৪৬৪টি অপতথ্য প্রচার হয়েছে : জাহেদ উর রহমান কুমিল্লায় আকস্মিক উচ্ছেদ অভিযান, অর্ধশতাধিক ভ্যান-ফুডকার্ট বিনষ্টের অভিযোগ গুম প্রতিরোধে ১৪ দাবিতে স্পিকারের কাছে ১১ দলীয় জোটের স্মারকলিপি ডিলারের কাছ থেকে অবৈধভাবে সার উত্তোলনের অভিযোগ, ২০ বস্তা জব্দ মাধ্যমিকের প্রধান শিক্ষকদের জন্য মাউশির জরুরি নির্দেশনা

ভিজিডি কার্ড দেওয়ার নামে পরিচ্ছন্ন কর্মীর কাছ থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগ

সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জে পরিচ্ছন্নকর্মীর কাছ থেকে টাকা নিয়ে বিডব্লিউবি (ভিজিডি) কার্ড না দেয়ার অভিযোগ উঠেছে এক ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে। গতকাল সকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর ৫নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য রিয়াশত আলীর বিরুদ্ধে পৃথক পৃথক দুটি অভিযোগ দায়ের করেছেন দুই ভুক্তভোগী।

লিখিত অভিযোগ থেকে জানাযায়, উপজেলার সদর ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের আবুরহাটি গ্রামের তাজুল ইসলাম ওরফে তাইসলাম মিয়ার স্ত্রী নাজমিন বেগম ও একই গ্রামের ইছব আলীর স্ত্রী চাঁনপুর বাজারের পরিচ্ছন্নকর্মী মনোয়ারা বেগমকে ভিজিডি কার্ড দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে উভয়ের কাছ থেকে ৫ হাজার করে মোট ১০ হাজার টাকা উৎকোচ নেওয়া হয়েছে।

লিখিত অভিযোগে আরো জানাযায়, বাজার পরিচ্ছন্ন কর্মী মনোয়ারা বেগম ও নাজমিন আক্তার উভয়ের পরিবারই অস্বচ্ছল। তারা উৎকোচের এই টাকা ঋণ করে ইউপি সদস্য রিয়াশত আলীকে দিয়েছিলেন। গতকাল চাল বিতরণকালে ভুক্তভোগী দুই পরিবারের দুজন ইউপি পরিষদে চাল আনতে গেলে ভিজিডির তালিকায় তাদের নাম নেই বলে জানানো হয়। পরবর্তীতে তারা ইউপি সদস্য রিয়াশত আলীকে ভিজিডির তালিকায় নাম নেই কেন জানতে চাইলে কোনো জবাব দিতে পারেনি।

পরিচ্ছন্ন কর্মী মনোয়ারা বেগম বলেন, চানপুর রিয়াশদ মেম্বার ৫নং ওর্য়াড ভিজিডি কার্ডের জন্য ৫ হাজার টেহা নিছে, আমারে টেহাও দেয় নাই কার্ড দেয় নাই আমি বাজারে কাম কইরা খাই। একই গ্রামের নাজমিন বেগম বলেন চান পুরের মেম্বার রিয়াশদ ৫ নং ওর্য়াড আমার কাছ থেকে ৫ হাজার টেহা নিছে আমারে ভিজিডি কার্ডের নাম দেয় নাই।

আরো জানান, ধারদেনা করে ইউপি সদস্যকে দেয়া উৎকোচের টাকা এখনো ঋণ পরিশোধ করতে পারেনি।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত রিয়াশদ ইউপি সদস্য কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, আমার কাছে অবাক লাগছে এই রকম চিন্তা চেতনা নাই যড়যন্ত্র মূলক আমাকে ফাশানোর জন্য কেউ করতে পারে আমি জানিনা সম্পুর্ন মিথ্যা।

অভিযোগের ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিশ্বজিত দেব’র কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, আমি রিয়াশত মেম্বারের বিরুদ্ধে দুইটা অভিযোগ পেয়েছি। এগুলো তদন্ত করে প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বুড়িচংয়ে মেয়াদোত্তীর্ণ ও নিষিদ্ধ বালাইনাশক বিক্রি, মোবাইল কোর্টে জরিমানা

ভিজিডি কার্ড দেওয়ার নামে পরিচ্ছন্ন কর্মীর কাছ থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগ

আপডেট সময় ০১:০৭:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৩

সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জে পরিচ্ছন্নকর্মীর কাছ থেকে টাকা নিয়ে বিডব্লিউবি (ভিজিডি) কার্ড না দেয়ার অভিযোগ উঠেছে এক ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে। গতকাল সকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর ৫নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য রিয়াশত আলীর বিরুদ্ধে পৃথক পৃথক দুটি অভিযোগ দায়ের করেছেন দুই ভুক্তভোগী।

লিখিত অভিযোগ থেকে জানাযায়, উপজেলার সদর ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের আবুরহাটি গ্রামের তাজুল ইসলাম ওরফে তাইসলাম মিয়ার স্ত্রী নাজমিন বেগম ও একই গ্রামের ইছব আলীর স্ত্রী চাঁনপুর বাজারের পরিচ্ছন্নকর্মী মনোয়ারা বেগমকে ভিজিডি কার্ড দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে উভয়ের কাছ থেকে ৫ হাজার করে মোট ১০ হাজার টাকা উৎকোচ নেওয়া হয়েছে।

লিখিত অভিযোগে আরো জানাযায়, বাজার পরিচ্ছন্ন কর্মী মনোয়ারা বেগম ও নাজমিন আক্তার উভয়ের পরিবারই অস্বচ্ছল। তারা উৎকোচের এই টাকা ঋণ করে ইউপি সদস্য রিয়াশত আলীকে দিয়েছিলেন। গতকাল চাল বিতরণকালে ভুক্তভোগী দুই পরিবারের দুজন ইউপি পরিষদে চাল আনতে গেলে ভিজিডির তালিকায় তাদের নাম নেই বলে জানানো হয়। পরবর্তীতে তারা ইউপি সদস্য রিয়াশত আলীকে ভিজিডির তালিকায় নাম নেই কেন জানতে চাইলে কোনো জবাব দিতে পারেনি।

পরিচ্ছন্ন কর্মী মনোয়ারা বেগম বলেন, চানপুর রিয়াশদ মেম্বার ৫নং ওর্য়াড ভিজিডি কার্ডের জন্য ৫ হাজার টেহা নিছে, আমারে টেহাও দেয় নাই কার্ড দেয় নাই আমি বাজারে কাম কইরা খাই। একই গ্রামের নাজমিন বেগম বলেন চান পুরের মেম্বার রিয়াশদ ৫ নং ওর্য়াড আমার কাছ থেকে ৫ হাজার টেহা নিছে আমারে ভিজিডি কার্ডের নাম দেয় নাই।

আরো জানান, ধারদেনা করে ইউপি সদস্যকে দেয়া উৎকোচের টাকা এখনো ঋণ পরিশোধ করতে পারেনি।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত রিয়াশদ ইউপি সদস্য কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, আমার কাছে অবাক লাগছে এই রকম চিন্তা চেতনা নাই যড়যন্ত্র মূলক আমাকে ফাশানোর জন্য কেউ করতে পারে আমি জানিনা সম্পুর্ন মিথ্যা।

অভিযোগের ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিশ্বজিত দেব’র কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, আমি রিয়াশত মেম্বারের বিরুদ্ধে দুইটা অভিযোগ পেয়েছি। এগুলো তদন্ত করে প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।