ঢাকা ০৪:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
উদয়ন ইলেকট্রিক স্যানিটারি ঐক্য পরিষদের নতুন কমিটির যাত্রা শুরু রাজনীতিবিদরা মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস লেখায় বিকৃত হয়েছে : স্পিকার লালপুরে জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধনে স্বচ্ছতা ও মানোন্নয়নে গুরুত্বারোপ নিয়োগের ৫ দিনের মধ্যে বরখাস্ত ট্রাম্পের প্রেস সেক্রেটারি জাকারিয়া ‘একটা হাসপাতাল যতটুকু ক্লিন থাকা প্রয়োজন, ততটুকু ক্লিন না’-কুমিল্লায় কৃষিমন্ত্রী দুই বিমানবন্দর থেকে সোয়া ৩ কোটি টাকার সোনা, মদ ও নিষিদ্ধ পণ্য জব্দ কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান ক্লাস পার্টি: সময় বদলায়, স্মৃতি থেকে যায় অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ চিফ হুইপের বড়লেখা-জুড়ীর পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে বিজিবি অধিনায়ক

রাজশাহীতে ২০০০ হাজার পিস ইয়াবাসহ শিক্ষক দম্পতি আটক

রাজশাহী মহানগরীতে দুই হাজার পিস ইয়াবাসহ এক শিক্ষক দম্পতিকে আটক করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) রাত ১১টার দিকে নগরীর কাশিয়াডাঙ্গা থানাধীন হারপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের আটক করা হয়।

আটক ব্যক্তিরা হলেন রাজশাহী সরকারি মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের সহকারী শিক্ষক মো. আল আমিন (৪৩)। তিনি কাশিয়াডাঙ্গা থানার গোলজারবাগ গুড়িপাড়া এলাকার মৃত কাবিলের ছেলে। তাঁর স্ত্রী মোছা. সীমা খাতুন (৩৮) একই এলাকার মো. আমিনুল ইসলামের মেয়ে এবং স্থানীয় একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা।

বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক মো. আলী আসলাম হোসেন।

তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অধিদপ্তরের উপপরিদর্শক (এসআই) আল-আমিনের নেতৃত্বে কাশিয়াডাঙ্গা থানা এলাকায় অভিযান চালানো হয়। এ সময় শিক্ষক দম্পতিকে আটক করে তাঁদের কাছ থেকে দুই হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এ ছাড়া একটি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযানে নেতৃত্ব দেওয়া এসআই আল-আমিন পাঁচ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধারের দাবি অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, রাস্তার ওপর তাঁদের আটকের সময় আশপাশে তেমন কাউকে দেখা যায়নি। ওই শিক্ষিকার হাতে থাকা শপিং ব্যাগ থেকে ১০টি জিপার প্যাকেট পাওয়া যায়, যার মধ্যে দুই হাজার পিস ইয়াবা ছিল।

কাশিয়াডাঙ্গা থানার তদন্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা দুই হাজার পিস ইয়াবাসহ ওই শিক্ষক দম্পতিকে গ্রেপ্তার করেন। পরে তাঁদের বিরুদ্ধে থানায় মামলা হয়েছে।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, শিক্ষক দম্পতির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। পরে তাঁদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

উদয়ন ইলেকট্রিক স্যানিটারি ঐক্য পরিষদের নতুন কমিটির যাত্রা শুরু

রাজশাহীতে ২০০০ হাজার পিস ইয়াবাসহ শিক্ষক দম্পতি আটক

আপডেট সময় ১২:৩৫:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

রাজশাহী মহানগরীতে দুই হাজার পিস ইয়াবাসহ এক শিক্ষক দম্পতিকে আটক করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) রাত ১১টার দিকে নগরীর কাশিয়াডাঙ্গা থানাধীন হারপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের আটক করা হয়।

আটক ব্যক্তিরা হলেন রাজশাহী সরকারি মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের সহকারী শিক্ষক মো. আল আমিন (৪৩)। তিনি কাশিয়াডাঙ্গা থানার গোলজারবাগ গুড়িপাড়া এলাকার মৃত কাবিলের ছেলে। তাঁর স্ত্রী মোছা. সীমা খাতুন (৩৮) একই এলাকার মো. আমিনুল ইসলামের মেয়ে এবং স্থানীয় একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা।

বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক মো. আলী আসলাম হোসেন।

তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অধিদপ্তরের উপপরিদর্শক (এসআই) আল-আমিনের নেতৃত্বে কাশিয়াডাঙ্গা থানা এলাকায় অভিযান চালানো হয়। এ সময় শিক্ষক দম্পতিকে আটক করে তাঁদের কাছ থেকে দুই হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এ ছাড়া একটি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযানে নেতৃত্ব দেওয়া এসআই আল-আমিন পাঁচ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধারের দাবি অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, রাস্তার ওপর তাঁদের আটকের সময় আশপাশে তেমন কাউকে দেখা যায়নি। ওই শিক্ষিকার হাতে থাকা শপিং ব্যাগ থেকে ১০টি জিপার প্যাকেট পাওয়া যায়, যার মধ্যে দুই হাজার পিস ইয়াবা ছিল।

কাশিয়াডাঙ্গা থানার তদন্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা দুই হাজার পিস ইয়াবাসহ ওই শিক্ষক দম্পতিকে গ্রেপ্তার করেন। পরে তাঁদের বিরুদ্ধে থানায় মামলা হয়েছে।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, শিক্ষক দম্পতির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। পরে তাঁদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।