ঢাকা ০৮:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ঢাকাসহ সারাদেশে অভিযানে নামছে পুলিশের নতুন ‘স্পেশাল’ ইউনিট নেপালে কাদার ভেতর উদ্ধারকারীদের মরিয়া অনুসন্ধান, নিখোঁজ ৩০০০ সবজির চড়া দামে অস্বস্তিতে ক্রেতারা রাজধানীর যানজট নিরসনে প্রধানমন্ত্রীর একগুচ্ছ নির্দেশনা রংপুরের চক্রবর্তী পরিবারের হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে কুমিল্লায় মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল সোয়াইন ফ্লুতে আক্রান্ত ইমরান হাশমি সরকার গুম, খুন ও নির্যাতনমুক্ত দেশ গড়তে কাজ করছে : মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রী রুশ ড্রোন হামলায় ইউক্রেনে নিহত ৩৭, আহত ৪২ লুট হওয়া ও অবৈধ অস্ত্রের তথ্য দিলে ২ লাখ টাকা পুরস্কার ঘোষণা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর হঠাৎ ঢাকাসহ ৪০ জেলায় সতর্কবার্তা

সরকার গুম, খুন ও নির্যাতনমুক্ত দেশ গড়তে কাজ করছে : মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রী

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আজম খান বলেছেন, বর্তমান সরকার গুম, খুন, অত্যাচার ও নির্যাতনমুক্ত দেশ গড়তে কাজ করছে। দেশে আর গুম, অত্যাচার ও নির্যাতন নামে কোনো শব্দ থাকবে না। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে আমরা এমন একটি সমাজব্যবস্থা গড়ে তুলতে চাই—যেখানে গুম, অত্যাচার ও নির্যাতন থাকবে না।

আগামীকাল আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে আজ শনিবার (২৯ আগস্ট) বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রের ভেন্যু পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রী বলেন, বিএনপি দীর্ঘ ১৮ বছর গুম, খুন ও নির্যাতন বিরোধী আন্দোলনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে। বর্তমান সরকার গণতান্ত্রিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে চায়।

আহমেদ আজম খান আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিজেও গুম ও খুনের বিরুদ্ধে বিদেশ থেকে আন্দোলনে অংশ নিয়েছেন। তিনি নিজে নির্যাতনের শিকার হয়েছেন এবং তার ছোট ভাই আরাফাত রহমান কোকো শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হয়ে মারা গেছেন। সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। কিন্তু গণতন্ত্র ও দেশের প্রশ্নে তিনি কখনো আপস করেননি।

মন্ত্রী আহমেদ আজম খান বলেন, আগামীকাল সারা দেশে আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস পালন করা হবে। সকাল ১০টায় বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। তিনি বলেন, বর্তমান নির্বাচিত সরকার দেশপ্রেমিক এবং গণতান্ত্রিক সরকার, যা গুম, খুন বা কোনো ধরনের অত্যাচার ও নির্যাতনে বিশ্বাস করে না।

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আরও বলেন, ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে আমাদেরকে এ দিবস পালন করতে দেওয়া হয়নি। এখন সুস্থ ও গণতান্ত্রিক পরিবেশে দেশপ্রেমিক সরকারের উদ্যোগে আমরা দিবসটি সফলভাবে পালন করব বলে আশা করছি।

এ সময় মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন বলেন, আমরা দেশের মানুষকে বার্তা দিতে চাই—দেশে গুমের দিন শেষ হয়ে গেছে। ভয়াবহ সেই কালো অধ্যায় অতিক্রম করে আমরা একটি ন্যায়বিচারের দেশ প্রতিষ্ঠা করতে চাই।

ইশরাক হোসেন বলেন, এ ধরনের মানবতাবিরোধী অপরাধ আর কখনো দেশে সংঘটিত হতে দেওয়া যাবে না। আমরা জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার, জনগণের প্রতি দায়বদ্ধ। অতীতে যে ঘটনাগুলো ঘটেছে সেগুলোরও বিচার হবে এবং সে লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে।

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে আমরা এ দিবস পালন করব। বিগত দেড় দশকের ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে বিএনপি ও অন্যান্য অনেক ব্যক্তি গুমের শিকার হয়েছেন। দেশে আর কখনো যাতে গুম, নির্যাতন ও মানবাধিকার লঙ্ঘন না হয় সেজন্য সরকার কাজ করছে।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন বলেন, ২০২৪ সালে দেশে যে রক্তাক্ত গণঅভ্যুত্থান হয়েছিল এবং এক মাসের ব্যবধানে প্রায় দুই হাজার নিরীহ ছাত্র-জনতাকে যারা হত্যা করেছে তারা জেলে থাকবে, এটাই স্বাভাবিক। তাদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে, তদন্ত চলছে। আন্তর্জাতিক ক্রাইম ট্রাইব্যুনালে আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে তাদের বিচার হবে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ঢাকাসহ সারাদেশে অভিযানে নামছে পুলিশের নতুন ‘স্পেশাল’ ইউনিট

সরকার গুম, খুন ও নির্যাতনমুক্ত দেশ গড়তে কাজ করছে : মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রী

আপডেট সময় ০৭:৪৮:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আজম খান বলেছেন, বর্তমান সরকার গুম, খুন, অত্যাচার ও নির্যাতনমুক্ত দেশ গড়তে কাজ করছে। দেশে আর গুম, অত্যাচার ও নির্যাতন নামে কোনো শব্দ থাকবে না। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে আমরা এমন একটি সমাজব্যবস্থা গড়ে তুলতে চাই—যেখানে গুম, অত্যাচার ও নির্যাতন থাকবে না।

আগামীকাল আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে আজ শনিবার (২৯ আগস্ট) বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রের ভেন্যু পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রী বলেন, বিএনপি দীর্ঘ ১৮ বছর গুম, খুন ও নির্যাতন বিরোধী আন্দোলনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে। বর্তমান সরকার গণতান্ত্রিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে চায়।

আহমেদ আজম খান আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিজেও গুম ও খুনের বিরুদ্ধে বিদেশ থেকে আন্দোলনে অংশ নিয়েছেন। তিনি নিজে নির্যাতনের শিকার হয়েছেন এবং তার ছোট ভাই আরাফাত রহমান কোকো শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হয়ে মারা গেছেন। সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। কিন্তু গণতন্ত্র ও দেশের প্রশ্নে তিনি কখনো আপস করেননি।

মন্ত্রী আহমেদ আজম খান বলেন, আগামীকাল সারা দেশে আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস পালন করা হবে। সকাল ১০টায় বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। তিনি বলেন, বর্তমান নির্বাচিত সরকার দেশপ্রেমিক এবং গণতান্ত্রিক সরকার, যা গুম, খুন বা কোনো ধরনের অত্যাচার ও নির্যাতনে বিশ্বাস করে না।

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আরও বলেন, ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে আমাদেরকে এ দিবস পালন করতে দেওয়া হয়নি। এখন সুস্থ ও গণতান্ত্রিক পরিবেশে দেশপ্রেমিক সরকারের উদ্যোগে আমরা দিবসটি সফলভাবে পালন করব বলে আশা করছি।

এ সময় মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন বলেন, আমরা দেশের মানুষকে বার্তা দিতে চাই—দেশে গুমের দিন শেষ হয়ে গেছে। ভয়াবহ সেই কালো অধ্যায় অতিক্রম করে আমরা একটি ন্যায়বিচারের দেশ প্রতিষ্ঠা করতে চাই।

ইশরাক হোসেন বলেন, এ ধরনের মানবতাবিরোধী অপরাধ আর কখনো দেশে সংঘটিত হতে দেওয়া যাবে না। আমরা জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার, জনগণের প্রতি দায়বদ্ধ। অতীতে যে ঘটনাগুলো ঘটেছে সেগুলোরও বিচার হবে এবং সে লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে।

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে আমরা এ দিবস পালন করব। বিগত দেড় দশকের ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে বিএনপি ও অন্যান্য অনেক ব্যক্তি গুমের শিকার হয়েছেন। দেশে আর কখনো যাতে গুম, নির্যাতন ও মানবাধিকার লঙ্ঘন না হয় সেজন্য সরকার কাজ করছে।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন বলেন, ২০২৪ সালে দেশে যে রক্তাক্ত গণঅভ্যুত্থান হয়েছিল এবং এক মাসের ব্যবধানে প্রায় দুই হাজার নিরীহ ছাত্র-জনতাকে যারা হত্যা করেছে তারা জেলে থাকবে, এটাই স্বাভাবিক। তাদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে, তদন্ত চলছে। আন্তর্জাতিক ক্রাইম ট্রাইব্যুনালে আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে তাদের বিচার হবে।