বাংলাদেশ টেলিভিশনের (বিটিভি) মহাপরিচালক হিসেবে সংবাদ উপস্থাপক ও টকশো সঞ্চালক কাজী জেসিনের নিয়োগের প্রজ্ঞাপনে থাকা আইনি ত্রুটি সংশোধন করবে সরকার।
নিয়োগ আদেশে উল্লেখ করা ‘বাংলাদেশ টেলিভিশন কর্তৃপক্ষ আইন-২০০১’ কার্যকর আছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠার পর এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
রোববার (৯ আগস্ট) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, কাজী জেসিনই বিটিভির মহাপরিচালক পদে বহাল থাকবেন। শুধু নিয়োগের প্রজ্ঞাপনটি সংশোধন করে নতুন প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার কাজী জেসিনকে বিটিভির মহাপরিচালক নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। এরপরই নিয়োগের আইনি ভিত্তি নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।
বিটিভির ওয়েবসাইটে প্রতিষ্ঠানটির রুলস-রেগুলেশনের অন্তত ২২ দলিল থাকলেও ‘টেলিভিশন কর্তৃপক্ষ আইন-২০০১’-এর তথ্য সেখানে নেই। দায়িত্বশীল সূত্রে জানা গেছে, বিটিভির স্বায়ত্তশাসনের উদ্দেশ্যে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের সময় আইনটি জাতীয় সংসদে পাস হলেও এটি কার্যকরের ক্ষেত্রে সরকার গেজেট নোটিফিকেশন জারি করবে বলে সেই আইনেই উল্লেখ করা হয়েছে।
আইনটিতে বলা হয়েছে, ‘সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, যে তারিখ নির্ধারণ করিবে সেই তারিখে এই আইন বলবৎ হইবে।’
কিন্তু গত ২৫ বছরে আইনটি বলবৎ করতে কোনো সরকারই প্রজ্ঞাপন জারি করেনি। অর্থাৎ আইনটি জাতীয় সংসদে পাস হলেও এখনো পর্যন্ত কার্যকর হয়নি। আর এই আইনের রেফারেন্স দিয়েই নতুন ডিজি নিয়োগ দিয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, প্রজ্ঞাপন সংশোধনে নতুন করে অনুমোদনের প্রয়োজন হবে না। একই স্মারক নম্বরের অধীনে সংশোধিত প্রজ্ঞাপন দিয়ে আগেরটি প্রতিস্থাপন করা হবে।
নিজস্ব প্রতিবেদক 























