ঢাকা ১১:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ২২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বিএনপির নারী এমপিকে আসিফ মাহমুদের আইনি নোটিশ র‍্যাবের নাম বদলে আসছে এসআরবি অফিস টাইমে ক্লিনিকে রোগী দেখছিলেন সরকারি চিকিৎসক, লাইসেন্স বাতিল ও বরখাস্তের নির্দেশ ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ১২ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে বদলি ফ্যাসিবাদের কালো ছায়া সংস্কৃতির মাধ্যমে বিদায় করতে হবে : শফিকুর রহমান আ.লীগের কার্যক্রম নিয়ে ভারতকে কড়া বার্তা শামা ওবায়েদের  কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৪ গ্রেপ্তার, উদ্ধার এক ভিকটিম ব্রাহ্মণপাড়ায় নবাগত ইউএনওর সঙ্গে সাংবাদিকদের মতবিনিময় কালিহাতীতে ২১৯ বোতল ফেন্সিডিলসহ রাজশাহীর শীর্ষ মাদককারবারি গ্রেপ্তার বড়লেখায় গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে মাসব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন

অফিস টাইমে ক্লিনিকে রোগী দেখছিলেন সরকারি চিকিৎসক, লাইসেন্স বাতিল ও বরখাস্তের নির্দেশ

রাজধানীর ইংলিশ রোডের পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারে সরকারি অফিস চলাকালে প্রাইভেট প্র্যাকটিস করার অভিযোগে এক সরকারি চিকিৎসকের লাইসেন্স বাতিল ও চাকরি থেকে বরখাস্তের নির্দেশ দিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, সরকারি চাকরিতে কর্মরত অবস্থায় অফিস চলাকালে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চিকিৎসাসেবা দেয়া সম্পূর্ণ নিয়মবহির্ভূত। দীর্ঘদিন ধরে এ অনিয়ম করে আসার অভিযোগে ডা. মইনুল হাসান চিশতীর বিরুদ্ধে লাইসেন্স বাতিল এবং চাকরি থেকে বরখাস্তের ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ঘটনাটির বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নিতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের ম্যাজিস্ট্রেটকেও নির্দেশ দেন তিনি।

অভিযানকালে ক্লিনিক কর্তৃপক্ষের কাগজপত্র যাচাই করে দেখা যায়, সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকের সরকারি চাকরি থেকে অব্যাহতির (রেজিগনেশন) কোনো কাগজপত্র বা অনাপত্তিপত্র (এনওসি) সংরক্ষণ করেনি প্রতিষ্ঠানটি। এ নিয়ে পপুলার ডায়াগনস্টিকের ম্যানেজারকে তীব্র ভর্ৎসনা করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

তিনি বলেন, একজন সরকারি চিকিৎসক চাকরি পরিবর্তন বা অন্য কোথাও কাজ করতে চাইলে তার রেজিগনেশন লেটার ও এনওসি বাধ্যতামূলক। কেবল চিকিৎসকের কথার ভিত্তিতে তাকে রোগী দেখার সুযোগ দেওয়া আইনসম্মত নয়। লাভের আশায় এ ধরনের অনৈতিক কার্যক্রমকে প্রশ্রয় দেওয়া হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

এসময় ম্যানেজার নিজের ভুল স্বীকার করে বলেন, চিকিৎসকের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহ না করা তাদের ভুল হয়েছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা আর ঘটবে না বলেও তিনি আশ্বাস দেন।

অভিযান শেষে সাংবাদিকদের স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসক রেখে জনগণের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে সরকার বিপুল অর্থ ব্যয় করছে। অথচ কেউ যদি সরকারি দায়িত্ব ফেলে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে রোগী দেখেন, তাহলে তার বিরুদ্ধে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। এ ধরনের অনিয়মে জড়িত চিকিৎসক ও প্রতিষ্ঠান- উভয়ের বিরুদ্ধেই কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিএনপির নারী এমপিকে আসিফ মাহমুদের আইনি নোটিশ

অফিস টাইমে ক্লিনিকে রোগী দেখছিলেন সরকারি চিকিৎসক, লাইসেন্স বাতিল ও বরখাস্তের নির্দেশ

আপডেট সময় ০৯:৩৮:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ অগাস্ট ২০২৬

রাজধানীর ইংলিশ রোডের পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারে সরকারি অফিস চলাকালে প্রাইভেট প্র্যাকটিস করার অভিযোগে এক সরকারি চিকিৎসকের লাইসেন্স বাতিল ও চাকরি থেকে বরখাস্তের নির্দেশ দিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, সরকারি চাকরিতে কর্মরত অবস্থায় অফিস চলাকালে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চিকিৎসাসেবা দেয়া সম্পূর্ণ নিয়মবহির্ভূত। দীর্ঘদিন ধরে এ অনিয়ম করে আসার অভিযোগে ডা. মইনুল হাসান চিশতীর বিরুদ্ধে লাইসেন্স বাতিল এবং চাকরি থেকে বরখাস্তের ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ঘটনাটির বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নিতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের ম্যাজিস্ট্রেটকেও নির্দেশ দেন তিনি।

অভিযানকালে ক্লিনিক কর্তৃপক্ষের কাগজপত্র যাচাই করে দেখা যায়, সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকের সরকারি চাকরি থেকে অব্যাহতির (রেজিগনেশন) কোনো কাগজপত্র বা অনাপত্তিপত্র (এনওসি) সংরক্ষণ করেনি প্রতিষ্ঠানটি। এ নিয়ে পপুলার ডায়াগনস্টিকের ম্যানেজারকে তীব্র ভর্ৎসনা করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

তিনি বলেন, একজন সরকারি চিকিৎসক চাকরি পরিবর্তন বা অন্য কোথাও কাজ করতে চাইলে তার রেজিগনেশন লেটার ও এনওসি বাধ্যতামূলক। কেবল চিকিৎসকের কথার ভিত্তিতে তাকে রোগী দেখার সুযোগ দেওয়া আইনসম্মত নয়। লাভের আশায় এ ধরনের অনৈতিক কার্যক্রমকে প্রশ্রয় দেওয়া হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

এসময় ম্যানেজার নিজের ভুল স্বীকার করে বলেন, চিকিৎসকের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহ না করা তাদের ভুল হয়েছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা আর ঘটবে না বলেও তিনি আশ্বাস দেন।

অভিযান শেষে সাংবাদিকদের স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসক রেখে জনগণের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে সরকার বিপুল অর্থ ব্যয় করছে। অথচ কেউ যদি সরকারি দায়িত্ব ফেলে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে রোগী দেখেন, তাহলে তার বিরুদ্ধে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। এ ধরনের অনিয়মে জড়িত চিকিৎসক ও প্রতিষ্ঠান- উভয়ের বিরুদ্ধেই কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।