বাংলাদেশ ক্ষুদ্র মৎস্যজীবী জেলা সমিতি (রেজি. নং-১৯৫১) কেন্দ্রীয় কমিটির উদ্যোগে ২৮শে জুলাই সমতির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বিকেল পাঁচটায় এক সংবাদ সম্মেলনে আয়োজন করেন,
জনৈক বজলু রহমান বাবলুর বিরুদ্ধে সংগঠনের সভাপতির পরিচয় ব্যবহার করে দেশের মৎস্যজীবীদের সঙ্গে প্রতারণা, স্বাক্ষর জালিয়াতি এবং অবৈধভাবে কমিটি গঠনের অভিযোগ আনা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে প্রধান বক্তব্য দেন বাংলাদেশ ক্ষুদ্র মৎস্যজীবী জেলা সমিতির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও বীর মুক্তিযোদ্ধা ইসরাইল পণ্ডিত। তিনি বলেন, “বজলু রহমান বাবলু এই সংগঠনের প্রতিষ্ঠাকাল থেকে কখনোই সাধারণ সদস্য ছিলেন না। কিছুদিন আগে আমাদের পাশাপাশি অফিস থাকার সুযোগে তিনি সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংগ্রহ করে অবৈধভাবে ব্যবহার করছেন এবং ব্যক্তিগত স্বার্থে দেশের প্রান্তিক মৎস্যজীবীদের সঙ্গে প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছেন।”
তিনি আরও অভিযোগ করেন, বাবলু সংগঠনের সভাপতির স্বাক্ষর জাল করে বিভিন্ন নথিপত্র তৈরি করেছেন এবং দেশের বিভিন্ন স্থানে অবৈধভাবে ইউনিট কমিটি গঠন করেছেন, যা সম্পূর্ণ বেআইনি। এতে সংগঠনের সুনাম ক্ষুণ্ন হওয়ার পাশাপাশি প্রান্তিক মৎস্যজীবীরা বিভ্রান্ত ও ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
ইসরাইল পণ্ডিত বলেন, “বাংলাদেশ ক্ষুদ্র মৎস্যজীবী জেলা সমিতি দীর্ঘদিন ধরে প্রান্তিক মৎস্যজীবীদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় নিরলসভাবে কাজ করে আসছে। বর্তমানে আমিই সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি। অথচ বজলু রহমান বাবলু অবৈধভাবে নিজেকে কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি দাবি করে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করছেন, যা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও আইনবহির্ভূত।”
তিনি অভিযোগ করেন, এ ধরনের কর্মকাণ্ডে সংগঠনের পাশাপাশি সরকার ও সংশ্লিষ্ট মহলের ভাবমূর্তিও ক্ষুণ্ন হচ্ছে। এ অবস্থায় তিনি সরকারের প্রতি বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান, যাতে ভবিষ্যতে কোনো প্রতারকচক্র মৎস্যজীবীদের সঙ্গে এ ধরনের কর্মকাণ্ড চালাতে না পারে।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সংযুক্ত শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি মোসাদ্দেক হোসেন স্বপন, সাধারণ সম্পাদক মোসাদ্দেক হোসেন, বাংলাদেশ ক্ষুদ্র মৎস্যজীবী জেলা সমিতির সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ বাবুল হোসেন বাবুল মীর, সাংগঠনিক সম্পাদক নাসির উদ্দিন মহাজনসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
নিজস্ব প্রতিবেদক 






















