ঢাকা ০৭:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত জামিলকে বিআরটিসির চট্টগ্রাম ট্রাক ডিপোতে পুনর্বাসন নীলফামারীতে তিস্তায় মাছের জালে আটকা পড়লো ৭ ফুটের অজগর নওগাঁয় আর্জেন্টিনাকে ব্যঙ্গ করায় ১৭ শিক্ষার্থীকে পেটালেন শিক্ষক বরগুনায় টেকসই উন্নয়ন ও সুশাসন নিয়ে তরুণ সংগঠকদের কর্মশালা আত্রাইয়ে দুই ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে নারী যাত্রির পা বিচ্ছিন্ন ববি ও ইন্দোনেশিয়ার ইউনিভার্সিটাস নেগেরি পাডাং-এর মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর চাঁপাইনবাবগঞ্জে ১ কেজি ৫০০ গ্রাম গাঁজাসহ যুবক গ্রেপ্তার মিরপুরে ২১টি পুরাতন ভবনের নিলামে নির্বাহী প্রকৌশলী কাওসার মোর্শেদের দুর্নীতি পাত্তা পাচ্ছে না মোদির বিশেষ ঘোষণা, পদত্যাগই চাইছে ‘তেলাপোকা পার্টি’ রাজৈরে আম গ্রাম ইউনিয়নের দক্ষিণ পাখুল্ল্যায়,মা’নব পা’চারকারীদের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন

রাজৈরে আম গ্রাম ইউনিয়নের দক্ষিণ পাখুল্ল্যায়,মা’নব পা’চারকারীদের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন

মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার আমগ্রাম ইউনিয়নের দক্ষিণ পাখুল্যায় ২২ জুলাই,২০২৬ ইং তারিখ বুধবার বিকাল ৪:৩০ ঘটিকার সময়, ভূক্তভোগী লাল চাঁন বেপারীর বাড়িতে, প্রতারক, অর্থলোভী ,মানব পাচারকারী আওলাদ, বয়াতি লাভলী বেগম,উজ্জ্বল বয়াতি ও আলমগীর ফকির এর সর্বোচ্চ শাস্তিসহ প্রদান কৃত সম্পূর্ণ টাকা ফেরত পাওয়ার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

ভূক্তভোগী লাল চাঁন বেপারী জানান, আমাকে বৈধ পথে,সরাসড়ি বিমানে ইতালি পৌঁছানো এবং ইতালিতে উচ্চ বেতনে চাকরি দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে, আমার সাথে ২১ লক্ষ টাকা কন্ট্রাক্ট হয়,মানব পাচারকারী,দালাল,আওলাদ বয়াতি লাভলী বেগম উজ্জ্বল বয়াতি ও আলমগীর ফকির এর সাথে এবং একই গ্রামের সাদেক বয়াতিকে সাক্ষী রেখে উল্লেখিত কন্ট্রাক্টকারি পাচারকারী চক্রের হাতে কন্ট্রাক্ট অনুযায়ী ২১ লক্ষ টাকা তুলে দেই আজ থেকে এক বছর আগে। চুক্তি অনুযায়ী আমাকে ইতালি না পাঠিয়ে, লিবিয়ায় পাঠায় এবং মাফিয়ার কাছে বিক্রি করে দেয়,ঐখানে মানব পাচারকারী দালাল চক্র,আমাকে দিয়ে ঝুঁকি পূর্ণ কাজ করায়,কাজ না করতে চাইলে, আমার উপর অমানুষিক শারীরিক নির্যাতন চালায়। একথা আমি আমার পরিবারের লোকজন এর সাথে জানালে, পরিবারের লোকজন একথা মানব পাচারকারী দালাল চক্রের কাছে জানলে, দালাল চক্র, পরিবারের কাছে মুক্তি পান দাবি করে , বিভিন্ন ভয় দেখিয়ে দুই দফায় আরো ২৯ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়। এনিয়ে মানব পাচারকারী দালালদের ৫০ লক্ষ টাকা দেয়া হয়। এরপর আমি কোন উপায়ন্ত না পেয়ে ওখান থেকে পালিয়ে যাই, একপর্যায়ে এদেশের পুলিশের হাতে ধরা পড়ি ৪৫ দিন জেল খাটি, ঐ দেশের সরকার আমাকে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেয়। এর পর ঘটনাটি , আমার পরিবারের লোকজন,এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের কাছে জানান এবং উক্ত গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ঐ মানব পাচারকারী দালালদের ঘটনাটি জানায় এবং ইতালি যাওয়া বাবদ দেওয়া ৫০ লাখ টাকা ফেরত চাওয়া হয়। টাকা চাইতে গেলে আমাকে জীবন নাশের হুমকি দেয়। এব্যাপারে রাজৈর থানায় মামলা দায়ের করতে গেলে আমার মামলা গ্রহণ না করে, রাজৈর থানার কর্তৃপক্ষ, আমাকে কোর্টে মামলা দায়ের করতে বলেন। এরপর আমি মাদারীপুর,মানব পাচার দমন ট্রাইব্যুনাল কোর্টে ২০জুলাই,২০২৬ ইং তারিখ এ আমি বাদি মামলা দায়ের করি।যার মামলা নং ২৭০/২০২৬। আমি আপনাদের মাধ্যমে প্রশাসনের কাছে ও সরকারের কাছে, প্রতারক, অর্থলোভী মানব পাচারকারী দালাল চক্র,আওলাদ বয়াতি লাভলী বেগম, উজ্জ্বল বয়াতি ও আলমগীর ফকির এর সর্বোচ্চ শাস্তিসহ প্রদান কৃত সম্পূর্ণ টাকা চাই।
এব্যাপারে ভূক্তভোগীর ভাই, রুবেল বেপারী জানান, আমার ভাই,লাল চাঁন বেপারী কে,বৈধ পথে সরাসড়ি বিমানে যোগে ইতালি পৌঁছানো এবং ইতালিতে উচ্চ বেতনে চাকরি দেয়ার কথা বলে ২১ লাখ টাকা কন্ট্রাক্ট হয়। এবং স্বাক্ষী সাদেক বয়াতির মাধ্যমে ২১ লাখ টাকা,মানব পাচারকারী দালাল চক্র আওলাদ বয়াতি লাভলী বেগম উজ্জ্বল বয়াতি ও আলমগীর হাতে দেয়া হয়। কন্ট্রাক্ট অনুযায়ী আমার ভাইকে ইতালি না পাঠিয়ে লিবায়ায় মাফিয়ার কাছে বিক্রি করে দেয় এবং ঐ খানের দালাল চক্রের মাধ্যমে মুক্তিপান দাবি করে আরো দুই দফায় ২৯ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়। আমি সরকারের কাছে, প্রতারক অর্থলোভী মানব পাচারকারী দালাল চক্র আওলাদ বয়াতি লাভলী বেগম উজ্জ্বল বয়াতি ও আলমগীর ফকির এর এমন দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি দাবি করি, এহন কাজ কোন মানব পাচারকারী দালাল না করে।

এব্যাপারে ভূক্তভোগীর পিতা,আলকাচ বেপারী জানান, আমি খেটে খাওয়া মানুষ, আমার ছেলেকে ইতালি পাঠানোর জন্য আমার জায়গা জমি যা ছিল সব খোয়ায়ছি। সব খোয়ালেও আমার ছেলেকে জিবীত পেয়েছি, আল্লাহর কাছে লাখ লাখ শুকুর।
আমি সরকারের কাছে উল্লেখিত, প্রতারক অর্থলোভী মানব পাচারকারী দালালদের ফাসি চাই।

প্রতিবেশী খলিল বেপারী জানান ,আলকাচ বেপারী তার ছেলেকে ইতালি পাঠাতে সর্বশান্ত হয়ে পড়েছে,জায়গা জমি সব শেষ। এধরনের প্রতারক অর্থলোভী মানব পাচারকারী দালাল চক্রদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি সরকারর কাছে।

স্বাক্ষী সাদেক বয়াতি জানান, লাল চাঁন বেপারীকে ইতালি পাঠানোর ব্যাপার সব জনি। তাকে বৈধ পথে সরাসড়ি বিমানে যোগে ইতালি পৌঁছানো এবং ইতালিতে উচ্চ বেতনে চাকরি দেয়ার কথা বলে ২১ লাখ টাকা আমার হাত দিয়ে খোলার বয়াতি লাভলী বেগম উজ্জ্বল বয়াতি ও আলমগীর ফকির কে দেয়া হয়। এছাড়াও আরো দুই দফায় ১৪ লাখ ও ১৫ লাখ টাকা দেয়া হয় এটাও আমি জানি। তিনি আরো জানান, যেহেতু লাল চাঁন কে ইতালি পাঠাতে পারেনি সেহেতু মানব পাচারকারী দালাল চক্র আওলাদ বয়াতি লাভলী বেগম সহ সবাই কে ইতালি যাওয়ার ব্যাপারে ৫০ লাখ ফেরত দেয়ার ব্যাপারে কথা বলি।তারা আমার কথা শুনে না। যেহেতু তারা আমার কথা শুনে না, আপনার এব্যাপারে আইনের আশ্রয় নেন। আপনাদের সাথে আছি।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত জামিলকে বিআরটিসির চট্টগ্রাম ট্রাক ডিপোতে পুনর্বাসন

রাজৈরে আম গ্রাম ইউনিয়নের দক্ষিণ পাখুল্ল্যায়,মা’নব পা’চারকারীদের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন

আপডেট সময় ০২:১৪:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬

মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার আমগ্রাম ইউনিয়নের দক্ষিণ পাখুল্যায় ২২ জুলাই,২০২৬ ইং তারিখ বুধবার বিকাল ৪:৩০ ঘটিকার সময়, ভূক্তভোগী লাল চাঁন বেপারীর বাড়িতে, প্রতারক, অর্থলোভী ,মানব পাচারকারী আওলাদ, বয়াতি লাভলী বেগম,উজ্জ্বল বয়াতি ও আলমগীর ফকির এর সর্বোচ্চ শাস্তিসহ প্রদান কৃত সম্পূর্ণ টাকা ফেরত পাওয়ার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

ভূক্তভোগী লাল চাঁন বেপারী জানান, আমাকে বৈধ পথে,সরাসড়ি বিমানে ইতালি পৌঁছানো এবং ইতালিতে উচ্চ বেতনে চাকরি দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে, আমার সাথে ২১ লক্ষ টাকা কন্ট্রাক্ট হয়,মানব পাচারকারী,দালাল,আওলাদ বয়াতি লাভলী বেগম উজ্জ্বল বয়াতি ও আলমগীর ফকির এর সাথে এবং একই গ্রামের সাদেক বয়াতিকে সাক্ষী রেখে উল্লেখিত কন্ট্রাক্টকারি পাচারকারী চক্রের হাতে কন্ট্রাক্ট অনুযায়ী ২১ লক্ষ টাকা তুলে দেই আজ থেকে এক বছর আগে। চুক্তি অনুযায়ী আমাকে ইতালি না পাঠিয়ে, লিবিয়ায় পাঠায় এবং মাফিয়ার কাছে বিক্রি করে দেয়,ঐখানে মানব পাচারকারী দালাল চক্র,আমাকে দিয়ে ঝুঁকি পূর্ণ কাজ করায়,কাজ না করতে চাইলে, আমার উপর অমানুষিক শারীরিক নির্যাতন চালায়। একথা আমি আমার পরিবারের লোকজন এর সাথে জানালে, পরিবারের লোকজন একথা মানব পাচারকারী দালাল চক্রের কাছে জানলে, দালাল চক্র, পরিবারের কাছে মুক্তি পান দাবি করে , বিভিন্ন ভয় দেখিয়ে দুই দফায় আরো ২৯ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়। এনিয়ে মানব পাচারকারী দালালদের ৫০ লক্ষ টাকা দেয়া হয়। এরপর আমি কোন উপায়ন্ত না পেয়ে ওখান থেকে পালিয়ে যাই, একপর্যায়ে এদেশের পুলিশের হাতে ধরা পড়ি ৪৫ দিন জেল খাটি, ঐ দেশের সরকার আমাকে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেয়। এর পর ঘটনাটি , আমার পরিবারের লোকজন,এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের কাছে জানান এবং উক্ত গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ঐ মানব পাচারকারী দালালদের ঘটনাটি জানায় এবং ইতালি যাওয়া বাবদ দেওয়া ৫০ লাখ টাকা ফেরত চাওয়া হয়। টাকা চাইতে গেলে আমাকে জীবন নাশের হুমকি দেয়। এব্যাপারে রাজৈর থানায় মামলা দায়ের করতে গেলে আমার মামলা গ্রহণ না করে, রাজৈর থানার কর্তৃপক্ষ, আমাকে কোর্টে মামলা দায়ের করতে বলেন। এরপর আমি মাদারীপুর,মানব পাচার দমন ট্রাইব্যুনাল কোর্টে ২০জুলাই,২০২৬ ইং তারিখ এ আমি বাদি মামলা দায়ের করি।যার মামলা নং ২৭০/২০২৬। আমি আপনাদের মাধ্যমে প্রশাসনের কাছে ও সরকারের কাছে, প্রতারক, অর্থলোভী মানব পাচারকারী দালাল চক্র,আওলাদ বয়াতি লাভলী বেগম, উজ্জ্বল বয়াতি ও আলমগীর ফকির এর সর্বোচ্চ শাস্তিসহ প্রদান কৃত সম্পূর্ণ টাকা চাই।
এব্যাপারে ভূক্তভোগীর ভাই, রুবেল বেপারী জানান, আমার ভাই,লাল চাঁন বেপারী কে,বৈধ পথে সরাসড়ি বিমানে যোগে ইতালি পৌঁছানো এবং ইতালিতে উচ্চ বেতনে চাকরি দেয়ার কথা বলে ২১ লাখ টাকা কন্ট্রাক্ট হয়। এবং স্বাক্ষী সাদেক বয়াতির মাধ্যমে ২১ লাখ টাকা,মানব পাচারকারী দালাল চক্র আওলাদ বয়াতি লাভলী বেগম উজ্জ্বল বয়াতি ও আলমগীর হাতে দেয়া হয়। কন্ট্রাক্ট অনুযায়ী আমার ভাইকে ইতালি না পাঠিয়ে লিবায়ায় মাফিয়ার কাছে বিক্রি করে দেয় এবং ঐ খানের দালাল চক্রের মাধ্যমে মুক্তিপান দাবি করে আরো দুই দফায় ২৯ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়। আমি সরকারের কাছে, প্রতারক অর্থলোভী মানব পাচারকারী দালাল চক্র আওলাদ বয়াতি লাভলী বেগম উজ্জ্বল বয়াতি ও আলমগীর ফকির এর এমন দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি দাবি করি, এহন কাজ কোন মানব পাচারকারী দালাল না করে।

এব্যাপারে ভূক্তভোগীর পিতা,আলকাচ বেপারী জানান, আমি খেটে খাওয়া মানুষ, আমার ছেলেকে ইতালি পাঠানোর জন্য আমার জায়গা জমি যা ছিল সব খোয়ায়ছি। সব খোয়ালেও আমার ছেলেকে জিবীত পেয়েছি, আল্লাহর কাছে লাখ লাখ শুকুর।
আমি সরকারের কাছে উল্লেখিত, প্রতারক অর্থলোভী মানব পাচারকারী দালালদের ফাসি চাই।

প্রতিবেশী খলিল বেপারী জানান ,আলকাচ বেপারী তার ছেলেকে ইতালি পাঠাতে সর্বশান্ত হয়ে পড়েছে,জায়গা জমি সব শেষ। এধরনের প্রতারক অর্থলোভী মানব পাচারকারী দালাল চক্রদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি সরকারর কাছে।

স্বাক্ষী সাদেক বয়াতি জানান, লাল চাঁন বেপারীকে ইতালি পাঠানোর ব্যাপার সব জনি। তাকে বৈধ পথে সরাসড়ি বিমানে যোগে ইতালি পৌঁছানো এবং ইতালিতে উচ্চ বেতনে চাকরি দেয়ার কথা বলে ২১ লাখ টাকা আমার হাত দিয়ে খোলার বয়াতি লাভলী বেগম উজ্জ্বল বয়াতি ও আলমগীর ফকির কে দেয়া হয়। এছাড়াও আরো দুই দফায় ১৪ লাখ ও ১৫ লাখ টাকা দেয়া হয় এটাও আমি জানি। তিনি আরো জানান, যেহেতু লাল চাঁন কে ইতালি পাঠাতে পারেনি সেহেতু মানব পাচারকারী দালাল চক্র আওলাদ বয়াতি লাভলী বেগম সহ সবাই কে ইতালি যাওয়ার ব্যাপারে ৫০ লাখ ফেরত দেয়ার ব্যাপারে কথা বলি।তারা আমার কথা শুনে না। যেহেতু তারা আমার কথা শুনে না, আপনার এব্যাপারে আইনের আশ্রয় নেন। আপনাদের সাথে আছি।