বিদেশি বিনিয়োগকারী খুব সাবধানী। তাদের বোঝানো যায় না যে আমাদের দেশে নদী আছে, মানুষ আছে, পরিশ্রমী শ্রমিক আছে—কাজেই আপনি কয়েকশ মিলিয়ন ডলার নিয়ে চলে আসুন। সে প্রথমে হাসবে। তারপর কফি খাবে। তারপর অসংখ্য প্রশ্ন করবে।
হিসাব ঠিক আছে তো?
সরকারি অনুমোদন পাওয়া যাবে?
প্রকল্প মাঝপথে থেমে গেলে কী হবে?
যন্ত্রপাতি কে দেবে?
লোকাল পার্টনার ফোন ধরবে তো?
সবশেষ প্রশ্নটিই সম্ভবত সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
কারণ বড় প্রকল্পের শুরু হয় কাগজ দিয়ে। শেষ হয় একজন মানুষের ওপর ভরসা রেখে।
চৌধুরী নাফিজ সরাফাতের গল্পটি এখানেই আলাদা।
তিনি বিদেশিদের কাছে শুধু একটি বিদ্যুৎকেন্দ্র কিংবা সাবমেরিন কেবলের পরিকল্পনা নিয়ে যাননি। তিনি নিয়ে গিয়েছিলেন একটি নিশ্চয়তা—বাংলাদেশে কাজটি করা সম্ভব। সমস্যা হবে, কিন্তু সমাধানও হবে। দরজা বন্ধ হবে, আবার খুলবে। আর তিনি মাঝপথে হারিয়ে যাবেন না।
এই বিশ্বাস তৈরি করতে তাঁর কত বৈঠক করতে হয়েছে, কতবার একই কথা নতুনভাবে বলতে হয়েছে, কত ই-মেইলের উত্তর দিতে হয়েছে—তার সঠিক হিসাব সম্ভবত নেই। বড় চুক্তির ইতিহাসে এসব ছোট ঘটনার কথা লেখা থাকে না। সেখানে লেখা থাকে শুধু—চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।
কিন্তু স্বাক্ষরের আগে থাকে দীর্ঘ অপেক্ষা।
আর সেই অপেক্ষা সহ্য করার ক্ষমতাই হয়তো ছিল তাঁর প্রথম শক্তি।
ব্যাংকারের চোখ
নাফিজ সরাফাত কর্মজীবন শুরু করেছিলেন ব্যাংকিংয়ে। ফলে বিদেশি ঋণদাতারা কীভাবে একটি প্রস্তাব দেখেন, সেটি তাঁর অজানা ছিল না।
একজন উদ্যোক্তা সাধারণত প্রকল্পের সম্ভাবনা দেখেন। একজন ব্যাংকার প্রথমে দেখেন প্রকল্পটি কোথায় ব্যর্থ হতে পারে। নাফিজ সরাফাত দুটোই দেখতেন।
তিনি জানতেন, সুন্দর পাওয়ারপয়েন্ট দিয়ে বৈঠক শুরু করা যায়, বিনিয়োগ পাওয়া যায় না। বিনিয়োগের জন্য প্রয়োজন নগদ স্বচ্ছ হিসাব, নির্ভরযোগ্য চুক্তি, শক্তিশালী উদ্যোক্তা, দক্ষ ব্যবস্থাপনা এবং চৌকস ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা।
বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগও ছিল একটু অন্যরকম। তিনি শুধু বলতেন না, ‘বাংলাদেশে বড় সুযোগ আছে।’ তিনি বোঝানোর চেষ্টা করতেন—সুযোগটির চারপাশে থাকা ঝুঁকিগুলো কীভাবে সামলানো হবে।
প্রশ্ন এলে উত্তর দিতেন। উত্তর গ্রহণযোগ্য না হলে নতুন উত্তর খুঁজতেন। প্রস্তাব ফেরত এলে সংশোধন করতেন। অনেকে বিলম্বকে প্রত্যাখ্যান মনে করেন। তিনি সম্ভবত বিলম্বকে আরেকটি বৈঠকের আমন্ত্রণ হিসেবে দেখতেন।
একটি বিদ্যুৎকেন্দ্রের গল্প
ইউনিক মেঘনাঘাট বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের সময় সহজ একটি পথ ছিল। কম খরচের যন্ত্রপাতি নেওয়া যেত। নির্মাণকাজ স্থানীয়ভাবে ভাগ করে দেওয়া যেত। প্রাথমিক ব্যয় কিছুটা কম হতো। কাগজে লাভও বেশি দেখা যেত। নাফিজ সরাফাত সহজ পথটি নেননি।
তিনি এমন একটি নাম প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত করতে চেয়েছিলেন, যে নাম নিজেই একটি নিশ্চয়তা। সেই নাম জেনারেল ইলেকট্রিক—জিই।
প্রায় ৩৫০ মিলিয়ন ডলারের প্রকৌশল, ক্রয় ও নির্মাণ চুক্তির মাধ্যমে জিই প্রকল্পটির সঙ্গে যুক্ত হয়। তারা শুধু যন্ত্রপাতি দিল না। শেয়ারধারী হিসেবেও প্রকল্পে এল। এই সিদ্ধান্তটির অর্থ গভীর।
একজন বিদেশি বিনিয়োগকারী অথবা উন্নয়ন অর্থায়ন প্রতিষ্ঠান (DFI) তখন আর কেবল বাংলাদেশের একজন উদ্যোক্তার কথা শুনছেন না। তিনি দেখছেন, বিশ্বের অন্যতম পরিচিত শিল্পপ্রতিষ্ঠানও একই প্রকল্পে নিজের অর্থ, প্রযুক্তি ও সুনাম জড়িয়েছে। কাজেই, এই প্রকল্পের সাফল্য–ব্যর্থতার সঙ্গে সরাসরি জিইরও স্বার্থ জড়িয়ে আছে।
ব্যবসায় এই ব্যাপারটির একটি ইংরেজি নাম আছে—স্কিন ইন দ্য গেম। বাংলায় সহজ করে বলা যায়, নৌকা ডুবলে সবাই ভিজবে। এমন নৌকায় ঋণদাতারা উঠতে কিছুটা স্বস্তি পান।
এরপর প্রকল্পে এল কাতার সরকারের মালিকানাধীন নেব্রাস পাওয়ার। তারাই ইউনিক মেঘনাঘাট পাওয়ার লিমিটেডের ২৪ শতাংশ শেয়ার নিল। স্থানীয় উদ্যোক্তা, মার্কিন প্রযুক্তিপ্রতিষ্ঠান, কাতারের রাষ্ট্রীয় বিনিয়োগ এবং আন্তর্জাতিক ঋণদাতা—চার দিক থেকে প্রকল্পটির ভিত শক্ত হলো। সবাই নিজের শক্তি নিয়ে এল।
স্থানীয় অংশীদার জানত বাংলাদেশের পথঘাট। জিই জানত বিদ্যুৎকেন্দ্র বানাতে হয় কীভাবে। নেব্রাস জানত বড় বিদ্যুৎসম্পদে বিনিয়োগ ও পরিচালনা করতে হয় কীভাবে। আন্তর্জাতিক ব্যাংক ও উন্নয়ন প্রতিষ্ঠান জানত দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়ন কীভাবে সাজাতে হয়। একজনের দুর্বলতা অন্যজনের শক্তিতে ঢাকা পড়ল। এই ব্যবস্থাটিই ছিল নাফিজ সরাফাতের তৈরি নিরাপত্তাবলয়।
করোনার পরীক্ষা
পরিকল্পনার সময় পৃথিবী স্বাভাবিক ছিল। নির্মাণের সময় পৃথিবী আর স্বাভাবিক থাকল না। করোনা এল। দেশে দেশে সীমান্ত বন্ধ হলো। মানুষ ঘরে ঢুকল। কারখানা থামল। প্রকল্পের ক্যালেন্ডার অর্থহীন হয়ে গেল। এই ধরনের সময়েই বোঝা যায়, বড় প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কাজ করার সুবিধা কী।
জিই কঠিন পরিস্থিতির মধ্যেও কাজ চালিয়ে গেল। নানা বাধা পেরিয়ে বিদ্যুৎকেন্দ্রটি শেষ পর্যন্ত উৎপাদনে এল। কেন্দ্রটির উৎপাদনক্ষমতা প্রায় সাত লাখ পরিবারের বিদ্যুতের চাহিদার সমান। আধুনিক প্রযুক্তির কারণে প্রচলিত অনেক কেন্দ্রের তুলনায় কম জ্বালানিতে বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদনের সুযোগও তৈরি হলো। কাগজের প্রকল্প বাস্তব হলো। বিদেশি বিনিয়োগকারীর কাছে এর চেয়ে শক্তিশালী প্রচার আর কিছু নেই। একটি প্রকল্প সময়ের পরীক্ষায় টিকে গেলে পরের প্রকল্পের বৈঠক একটু সহজ হয়।
৪৬৩ মিলিয়ন ডলারের আন্তর্জাতিক আস্থাপত্র
ইউনিক মেঘনাঘাট পাওয়ার লিমিটেডের জন্য প্রায় ১৫ বছর মেয়াদি ৪৬৩ মিলিয়ন ডলারের বৈদেশিক ঋণ সংগ্রহ করা হয়। অর্থায়ন এসেছিল স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক (যুক্তরাজ্য), এশিয়ান ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক, জার্মানির ডিইজি, সুইজারল্যান্ডের সার্ভ এবং ওপেক ফান্ড থেকে। সংখ্যাটি বড়। কিন্তু এর চেয়েও বড় হলো ঋণদাতাদের নাম।
এ ধরনের প্রতিষ্ঠান আবেগে ঋণ দেয় না। তারা সন্দেহ দিয়ে শুরু করে। তারপর প্রকল্পের প্রতিটি স্তর খুলে দেখে। যন্ত্রটি কার্যকর কি না। নির্মাণচুক্তি ব্যাংকের কাছে গ্রহণযোগ্য কি না। আয় কোথা থেকে আসবে। পরিবেশের ক্ষতি হবে কি না। সরকারি দায় কতটা। উদ্যোক্তা বিপদে পড়লে কী করবেন। কখনো কখনো তারা এমন প্রশ্নও করে, যার উত্তর উদ্যোক্তা নিজে আগে ভাবেননি।
এসব যাচাই পেরিয়ে ৪৬৩ মিলিয়ন ডলারের অর্থায়ন পাওয়া শুধু একটি ঋণচুক্তি নয়। এটি একটি আন্তর্জাতিক আস্থাপত্র। নাফিজ সরাফাত বিদেশিদের কোনো স্বপ্ন বিক্রি করেননি। তিনি এমন একটি কাঠামো তৈরি করেছিলেন, যেখানে স্বপ্নটি ব্যর্থ হওয়ার পথগুলো যতটা সম্ভব আগেই বন্ধ করা হয়েছিল।
পরিচালনা পর্ষদে আস্থার ভিত্তি
নাফিজ সরাফাত সম্ভবত বুঝেছিলেন, বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আস্থা শুধু উদ্যোক্তার ওপর থাকলে চলে না। আস্থা থাকতে হয় প্রতিষ্ঠানের ওপরও। একজন মানুষ অসুস্থ হতে পারেন। ভুল করতে পারেন। মত বদলাতে পারেন। কিন্তু একটি শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান ব্যক্তির সীমাবদ্ধতা সামলে নিতে পারে।
এ কারণে তাঁর সঙ্গে যুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোতে পেশাদার হিসাববিদ, স্বীকৃত নিরীক্ষক, অভিজ্ঞ ব্যাংকার, অর্থনীতিবিদ ও আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের আনা হয়েছিল। গ্র্যান্ট থর্নটনের মতো নিরীক্ষাপ্রতিষ্ঠান যুক্ত ছিল। বিভিন্ন সময়ে বোর্ডে দায়িত্ব নিয়েছেন অভিজ্ঞ ব্যাংকার কে. মাহমুদ সাত্তার, আন্তর্জাতিক করবিশেষজ্ঞ আরিয়ান ভ্যান ডার লিন্ডে এবং অর্থনীতিবিদ ড. জামালউদ্দিন আহমেদের মতো পেশাজীবীরা।
শক্তিশালী পরিচালনা পর্ষদের একটি বৈশিষ্ট্য আছে। সেখানে সবাই চেয়ারম্যানের সঙ্গে একমত হন না। বিদেশি বিনিয়োগকারীরা এই অমত পছন্দ করেন। কারণ অমত থাকা মানে সিদ্ধান্ত যাচাই হচ্ছে। কঠিন প্রশ্ন করা হচ্ছে। প্রতিষ্ঠানের অর্থ এক ব্যক্তির ইচ্ছায় চলবে না।
আমাদের দেশে সুশাসনকে অনেক সময় কাগজপত্রের ঝামেলা মনে করা হয়। নাফিজ সরাফাত সেটিকে পুঁজি আনার উপকরণে পরিণত করেছিলেন। ভালো নিরীক্ষক, যোগ্য হিসাববিদ ও স্বাধীন পরিচালক—এসব তাঁর কাছে খরচ ছিল না। ছিল আস্থা কেনার পুঁজি।
সাফল্যের পেছনে দক্ষ দল
বড় ব্যবসার গল্পে আমরা প্রায়ই একজন উদ্যোক্তা খুঁজি। কিন্তু একটি বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করতে শুধু একজন উদ্যোক্তা হলে হয় না। লাগে প্রকৌশলী, আইনজীবী, ব্যাংকার, হিসাববিদ, পরিবেশবিশেষজ্ঞ, চুক্তিবিশেষজ্ঞ এবং এমন মানুষ, যিনি সবাইকে একই সময়ে একই দিকে হাঁটাতে পারবেন।
নাফিজ সরাফাত স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড, কেপিএমজি ও সামিটের মতো প্রতিষ্ঠানে কাজ করা পেশাজীবীদের তাঁর দলে এনেছিলেন। সঙ্গে ছিলেন বিদেশি পরামর্শক ও আইনজীবীরা। দেশি বিশেষজ্ঞরা জানতেন, কোন দপ্তরে কোন কাগজ লাগে। বিদেশি বিশেষজ্ঞরা জানতেন, আন্তর্জাতিক ঋণদাতা কাগজটির কোন লাইন পড়বেন। এই দুই জ্ঞান একসঙ্গে না এলে বড় প্রকল্প এগোয় না।
নাফিজ সরাফাতের কাজ সব প্রশ্নের উত্তর নিজে দেওয়া ছিল না। তাঁর কাজ ছিল এমন লোক খুঁজে আনা, যাঁদের কাছে উত্তর আছে। এরপর সিদ্ধান্তের গতি ধরে রাখা। তাঁর সবচেয়ে বড় যোগ্যতা হয়তো এখানেই—তিনি নিজে সব বাদ্যযন্ত্র বাজানোর চেষ্টা করেননি। তিনি অর্কেস্ট্রা সাজিয়েছেন।
বিদ্যুৎ খাত পেরিয়ে সমুদ্রতলের সংযোগে
বিদ্যুৎ প্রকল্পের পর তাঁর মনোযোগ যায় দেশের ডিজিটাল অবকাঠামোর দিকে। ২০২৪ সালের মে মাসে যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেড অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট এজেন্সি—ইউএসটিডিএ—সিডিনেট কমিউনিকেশনস লিমিটেডকে প্রস্তাবিত ‘বাঘা-১’ আন্তর্জাতিক সাবমেরিন কেবলের সম্ভাব্যতা সমীক্ষার জন্য অনুদান দেয়।
এটি সাধারণ কোনো অনুদান ছিল না। সাবমেরিন কেবল চোখে দেখা যায় না। সমুদ্রের নিচ দিয়ে চলে। কিন্তু আধুনিক দেশের যোগাযোগ, ইন্টারনেট ও ডিজিটাল অর্থনীতির বড় অংশ এই অদৃশ্য তারের ওপর দাঁড়িয়ে থাকে। প্রস্তাবিত বাঘা-১ কেবলের লক্ষ্য ছিল বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ব্যান্ডউইডথ বাড়ানো, ইন্টারনেটের মান উন্নত করা এবং ডিজিটাল যোগাযোগকে আরও নির্ভরযোগ্য করা।
ইউএসটিডিএ সাধারণত ব্যবসার প্রাথমিক খরচ দেয় না। তারা এমন প্রকল্পের প্রস্তুতিতে সহায়তা করে, যেগুলোর কৌশলগত ও বাণিজ্যিক গুরুত্ব আছে। অর্থাৎ নাফিজ সরাফাত একটি প্রকল্পের জন্য শুধু অর্থ আনেননি। তিনি একটি ধারণার পাশে যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি সংস্থাকেও দাঁড় করিয়েছিলেন—যখন প্রকল্পটি ছিল কেবল মানচিত্র, হিসাব ও সম্ভাবনার মধ্যে।
এটি ছিল বাংলাদেশের টেলিযোগাযোগ অবকাঠামো খাতে ইউএসটিডিএর প্রথম অনুদান। স্বপ্ন দেখা সহজ। স্বপ্নকে এমনভাবে সাজানো, যেন পৃথিবীর অন্য প্রান্তের একটি সরকারি সংস্থা সেটিকে গুরুত্ব দিয়ে দেখে—কাজটি সহজ নয়।
তাঁর আসল ব্যবসা
নাফিজ সরাফাত বিদ্যুৎ, ব্যাংকিং, টেলিযোগাযোগ ও বিনিয়োগ নিয়ে কাজ করেছেন। কিন্তু তাঁর আসল ব্যবসা সম্ভবত অন্য কিছু। তিনি আস্থা তৈরি করতেন। বিদেশিদের বুঝিয়েছিলেন, বাংলাদেশে চুক্তি বাস্তবায়ন করা যায়। বিশ্বমানের প্রযুক্তি আনা যায়। যোগ্য দল তৈরি করা যায়। ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবস্থাপনা করা যায়। এবং উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের ছবি তোলার পরও প্রকল্পের পাশে থাকা যায়।
বিদেশি পুঁজি খুব সাবধানী—শুরুতেই বলা হয়েছে। তবে সাবধানী বিনিয়োগকারীদেরও একটি দুর্বলতা আছে। সে বিশ্বাসযোগ্য মানুষকে অনুসরণ করে। নাফিজ সরাফাত সেই বিশ্বাস তৈরির ভাষা জানতেন। তাঁর হাতে কোনো জাদুর কাঠি ছিল না। ছিল ব্যাংকারের হিসাব, উদ্যোক্তার সাহস, কূটনীতিকের যোগাযোগ, দলনেতার বিচক্ষণতা এবং বারবার ফিরে আসার অদম্য ধৈর্য।
সংবাদ শিরোনাম ::
বিদেশি বিনিয়োগকে যিনি ‘হ্যাঁ’ বলিয়েছিলেন
-
নিজস্ব প্রতিবেদক - আপডেট সময় ০৯:৩৭:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬
- ৫০৩ বার পড়া হয়েছে
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ























