যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগম্ভীর পরিবেশে নীলফামারীতে ‘জুলাই শহীদ দিবস ২০২৬’ উদযাপিত হয়েছে। ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানে আত্মোৎসর্গকারী শহীদদের স্মরণে আজ (১৬ জুলাই) জেলা প্রশাসন ও সর্বস্তরের জনগণের উদ্যোগে দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হয়।
স্মৃতিস্তম্ভে শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পণ
দিনের শুরুতেই সকালে নীলফামারী জেলা শহরের কেন্দ্রস্থলে নবনির্মিত ‘জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে’ পুস্পস্তবক অর্পণ করে শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।
প্রথমে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসক পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।
এরপর জেলা পুলিশ, বীর মুক্তিযোদ্ধা, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের স্থানীয় সমন্বয়ক ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা স্মৃতিস্তম্ভে শ্রদ্ধা জানান।
পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত ও দেশের শান্তি-সমৃদ্ধি কামনা করে এক মিনিট নীরবতা পালন এবং বিশেষ দোয়া মোনাজাত করা হয়।
জেলা প্রশাসনের আলোচনা সভা
পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এক বিশেষ আলোচনা সভার আয়োজন করে জেলা প্রশাসন।
“জুলাইয়ের শহীদদের আত্মত্যাগ আমাদের নতুন বাংলাদেশের ভিত্তি তৈরি করে দিয়েছে। তাঁদের এই ঋণ কোনোদিন শোধ হওয়ার নয়। তাঁদের আদর্শকে বুকে ধারণ করে আমাদের একটি বৈষম্যহীন ও স্বৈরাচারমুক্ত দেশ গঠনে কাজ করতে হবে।”
— প্রধান অতিথি/জেলা প্রশাসক, নীলফামারী
সভায় বক্তারা জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের স্মৃতি চারণ করেন এবং আহত ও শহীদ পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। অনুষ্ঠানে জেলার ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তাবৃন্দ, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
দিনটি উপলক্ষে জেলার বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয়ে বিশেষ প্রার্থনা এবং শহীদদের স্মরণে প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনীরও আয়োজন করা হয়।
আল মিজান ইসলাম-নীলফামারী জেলা প্রতিনিধি 



















