তৃতীয়বারের মতো বিয়ে করেছেন বলিউড অভিনেতা আমির খান। কিন্তু, এই বিয়ে নিয়ে বিতর্কে জড়ানোর পাশাপাশি এক ‘মহাবিপদে’ পড়ে গেছেন মিস্টার পারফেকশনিষ্ট। একদিকে গৌরী স্প্র্যাটের সঙ্গে তার এ বিয়েকে অবৈধ বলে ফতোয়া জারি করেছেন ভারতের উত্তরপ্রদেশের এক মুসলিম ধর্মীয় নেতা; অন্যদিকে তাকে হত্যার জন্য বড় অঙ্কের পুরস্কার ঘোষণা করেছেন কট্টরপন্থী এক হিন্দু ধর্মগুরু।
ভারতীয় গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, ভারতের উত্তরপ্রদেশের এক মুসলিম ধর্মীয় নেতা দাবি করেছেন, ইসলামি শরিয়াহর ব্যাখ্যায় কোনো মুসলিম পুরুষ যদি অমুসলিম নারীকে ইসলাম গ্রহণ ছাড়াই বিয়ে করেন, তাহলে সেই বিয়ে শরিয়াহ অনুযায়ী স্বীকৃত নয়। তাছাড়া, আমির খান একজন জনপ্রিয় ও প্রভাবশালী ব্যক্তি হওয়ায় তার এমন সিদ্ধান্ত সমাজে ভুল বার্তা দিতে পারে।
ফতোয়া অবশ্য কোনো রাষ্ট্রীয় বা আদালতের আইনগত আদেশ নয়, এটি একটি ধর্মীয় মতামত বা ব্যাখ্যা। ভারতের আইনে এর নিজস্ব কোনো বাধ্যতামূলক আইনি ক্ষমতা নেই।
তবে, আমির খানের এই বিয়ে ঘিরে চরম সহিংস এক ঘোষণা এসেছে অযোধ্যার কট্টরপন্থী ধর্মগুরু জগৎগুরু পরমহংস আচার্যের পক্ষ থেকে। নিজের এক বক্তব্যে এই হিন্দু ধর্মগুরু দাবি করেন, যে ব্যক্তি আমির খানকে হত্যা করবে, তাকে ৫ কোটি রুপি পুরস্কার দেওয়া হবে। একইসঙ্গে ওই ব্যক্তির আইনি লড়াইয়ের সব খরচ বহনের ঘোষণাও দেন তিনি।
পরমহংস আচার্যের অভিযোগ, আমিরের তিন স্ত্রীই হিন্দু পরিবারের সদস্য ছিলেন এবং এটি নিছক ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত নয়, বরং ‘লাভ জিহাদ’-কে উৎসাহিত করার অংশ। এ ধরনের কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ারও দাবি জানান তিনি।
গত ৫ জুলাই মুম্বাইয়ে নিজ বাসভবনে ঘরোয়া আয়োজনে নিজের দীর্ঘদিনের সঙ্গী গৌরী স্প্র্যাটকে বিয়ে করেন আমির খান। জানা গেছে, তাদের বিয়ে ভারতের বিশেষ বিবাহ আইন অনুযায়ী সম্পন্ন হয়েছে। গৌরী নিজের ধর্ম পরিবর্তন করেননি। বিয়ের অনুষ্ঠানে আমির খানের সন্তান ইরা, জুনায়েদ ও আজাদসহ দুই পরিবারের ঘনিষ্ঠ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
বিনোদন ডেস্ক 
























