সংবাদ শিরোনাম ::
জাল সনদে ১২ বছর চাকরি, বৈধ সনদের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি বগুড়া পাসপোর্ট অফিসে ডিডি মানিক ও এডি আজিজের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ রূপগঞ্জে ১% বরাদ্দের কোটি টাকা ‘লুটপাট’: ইউএনও ও প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে উঠেছে দুর্নীতির অভিযোগ বিআরটিসির গাবতলী ডিপো ম্যানেজার নায়েব আলীর বিরুদ্ধে রাজস্বে ৮ কোটি টাকার ক্ষতির দুর্নীতির অভিযোগ দুর্নীতির দায়ে দণ্ডপ্রাপ্ত কুমিল্লার নতুন ডিসি গুলশানে ৩শ’ কোটি টাকার সরকারি সম্পত্তি দখলে ভূমিদস্যু চক্রের সিন্ডিকেট ডেসটিনি থেকে ‘অতিথি ডটকম’ জেল থেকে বের হয়ে সাইফুলের আবার প্রতারনা রাজবাড়ীতে রেলগেটের ব্যারিয়ার ভেঙে রেললাইনে ট্রাক, ছয় ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক ব্রাজিলকে ছেড়ে কথা বলব না: জাপান কোচ বিআরটিএর ফিটনেস সনদে মোটরযান পরিদর্শক কায়সার আলমের অনিয়ম

ডেসটিনি থেকে ‘অতিথি ডটকম’ জেল থেকে বের হয়ে সাইফুলের আবার প্রতারনা

‘অতিথি ডটকম’ নামের একটি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মকে ঘিরে নতুন করে প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে। অনুসন্ধানে দাবি করা হয়েছে, ট্রাভেল ও সার্ভিসভিত্তিক একটি আধুনিক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের পরিচয় দিলেও প্রতিষ্ঠানটির মূল কার্যক্রম সদস্য সংগ্রহ ও কমিশনভিত্তিক নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণকে কেন্দ্র করে পরিচালিত হচ্ছে। অভিযোগ রয়েছে, এই কার্যক্রমের নেতৃত্বে রয়েছেন সাইফুল ইসলাম সোহেল, যিনি অতীতে বিভিন্ন বিতর্কিত ব্যবসায়িক উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।

অনুসন্ধানে দাবি করা হয়েছে, দুই দশক আগে ডেসটিনি-২০০০-এর মাধ্যমে যাত্রা শুরু করা সাইফুল ইসলাম সোহেল পরবর্তীকালে একাধিক ই-কমার্স ও নেটওয়ার্কভিত্তিক ব্যবসায় জড়িত হন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ডেসটিনির কার্যক্রম বন্ধ হওয়ার পর তিনি নতুন পরিচয়ে ব্যবসা শুরু করেন এবং পরে ‘নভেরা প্রডাক্টস লিমিটেড’ প্রতিষ্ঠা করেন। সেখানে ই-কমার্স ব্যবসার আড়ালে পিরামিডধর্মী কার্যক্রম পরিচালনার অভিযোগও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট আদালতের চূড়ান্ত রায় এই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।

প্রতিবেদনে আরও দাবি করা হয়েছে, সাইফুল ইসলাম সোহেল ২০১৮ ও ২০১৯ সালে বিভিন্ন মামলায় গ্রেপ্তার হন এবং পরে জামিনে মুক্তি পান। এরপর তিনি আবারও নতুন প্ল্যাটফর্ম ‘অতিথি ডটকম’ নিয়ে কার্যক্রম শুরু করেন। অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠানটি নিজেদের একটি আন্তর্জাতিকমানের ট্রাভেল ও সার্ভিস পোর্টাল হিসেবে পরিচয় দিলেও মূল লক্ষ্য নতুন এজেন্ট নিয়োগ এবং সেই এজেন্টদের মাধ্যমে আরও সদস্য সংগ্রহ করা।

প্রতিবেদকের অনুসন্ধানে দাবি করা হয়েছে, প্ল্যাটফর্মটির মোবাইল অ্যাপ ব্যবহার করে সাধারণ গ্রাহকদের প্রথমে বিভিন্ন সেবার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়। এরপর তাদের এজেন্ট হওয়ার জন্য উৎসাহিত করা হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, এজেন্ট হতে কয়েক হাজার টাকা ফি দিতে হয় এবং পরবর্তীতে নতুন সদস্য যুক্ত করতে পারলে কমিশনের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়।

প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, সদস্য সংগ্রহের জন্য বিভিন্ন শহরে মোটিভেশনাল সেমিনার আয়োজন করা হয়। সেখানে সফলতার গল্প, বড় অঙ্কের চেক প্রদর্শন, বিলাসবহুল জীবনযাপনের উদাহরণ এবং দ্রুত আর্থিক স্বাবলম্বী হওয়ার প্রতিশ্রুতির মাধ্যমে নতুন সদস্যদের আকৃষ্ট করার চেষ্টা করা হয় বলে দাবি করা হয়েছে। অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের ভাষ্য অনুযায়ী, এসব উপস্থাপনার সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

অনুসন্ধানে অংশ নেওয়া প্রতিবেদক দাবি করেছেন, তিনি ছদ্মবেশে সদস্য হয়ে প্রশিক্ষণ কার্যক্রমে অংশ নেন এবং সদস্য সংগ্রহের বিভিন্ন কৌশল সম্পর্কে ধারণা লাভ করেন। প্রতিবেদনের ভাষ্য অনুযায়ী, নতুন সদস্য সংগ্রহই প্রতিষ্ঠানটির আয়ের প্রধান ভিত্তি হিসেবে উপস্থাপিত হয়েছে। তবে এই দাবির বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা প্রতিবেদনে উল্লেখ নেই।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ‘প্যাসিভ ইনকাম’, ‘লাইফটাইম কমিশন’, ‘ক্যাশব্যাক’, ‘শেয়ারহোল্ডার’ এবং ‘কো-ওনার’ হওয়ার মতো নানা প্রতিশ্রুতি দিয়ে সাধারণ মানুষকে বিনিয়োগে উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের দাবি অনুযায়ী, এসব প্রতিশ্রুতির বাস্তব ভিত্তি সম্পর্কে স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি।

প্রতিবেদনটিতে আরও দাবি করা হয়েছে, শিক্ষিত বেকার তরুণ-তরুণী, গৃহিণী এবং স্বল্প আয়ের মানুষকে বিশেষভাবে লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে। অনেকেই দ্রুত আর্থিক উন্নতির আশায় সদস্য হচ্ছেন। কেউ কেউ আত্মীয়-স্বজন ও বন্ধুদেরও যুক্ত করছেন। অনুসন্ধানে এমন অভিযোগও এসেছে যে, কিছু মানুষ ঋণ নিয়ে সদস্য হয়েছেন। তবে এই তথ্যগুলোর স্বাধীন যাচাইয়ের তথ্য প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, অতিথি ডটকম বিভিন্ন ডিজিটাল প্রকল্পের কথা উল্লেখ করে বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করছে। এর মধ্যে হোটেল বুকিং, রিসোর্ট, পরিবহন, বিমান টিকিট এবং অন্যান্য ডিজিটাল সেবার কথা বলা হচ্ছে। তবে অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, এসব সেবার তুলনায় সদস্য সংগ্রহ ও কমিশন কাঠামোর ওপর বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

(আপনার দেওয়া প্রতিবেদন এখানেই অসম্পূর্ণ অবস্থায় শেষ হয়েছে। তাই এর পরের অংশ সম্পাদনা করা সম্ভব হয়নি।)

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জাল সনদে ১২ বছর চাকরি, বৈধ সনদের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি

ডেসটিনি থেকে ‘অতিথি ডটকম’ জেল থেকে বের হয়ে সাইফুলের আবার প্রতারনা

আপডেট সময় ১২:২২:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

‘অতিথি ডটকম’ নামের একটি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মকে ঘিরে নতুন করে প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে। অনুসন্ধানে দাবি করা হয়েছে, ট্রাভেল ও সার্ভিসভিত্তিক একটি আধুনিক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের পরিচয় দিলেও প্রতিষ্ঠানটির মূল কার্যক্রম সদস্য সংগ্রহ ও কমিশনভিত্তিক নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণকে কেন্দ্র করে পরিচালিত হচ্ছে। অভিযোগ রয়েছে, এই কার্যক্রমের নেতৃত্বে রয়েছেন সাইফুল ইসলাম সোহেল, যিনি অতীতে বিভিন্ন বিতর্কিত ব্যবসায়িক উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।

অনুসন্ধানে দাবি করা হয়েছে, দুই দশক আগে ডেসটিনি-২০০০-এর মাধ্যমে যাত্রা শুরু করা সাইফুল ইসলাম সোহেল পরবর্তীকালে একাধিক ই-কমার্স ও নেটওয়ার্কভিত্তিক ব্যবসায় জড়িত হন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ডেসটিনির কার্যক্রম বন্ধ হওয়ার পর তিনি নতুন পরিচয়ে ব্যবসা শুরু করেন এবং পরে ‘নভেরা প্রডাক্টস লিমিটেড’ প্রতিষ্ঠা করেন। সেখানে ই-কমার্স ব্যবসার আড়ালে পিরামিডধর্মী কার্যক্রম পরিচালনার অভিযোগও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট আদালতের চূড়ান্ত রায় এই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।

প্রতিবেদনে আরও দাবি করা হয়েছে, সাইফুল ইসলাম সোহেল ২০১৮ ও ২০১৯ সালে বিভিন্ন মামলায় গ্রেপ্তার হন এবং পরে জামিনে মুক্তি পান। এরপর তিনি আবারও নতুন প্ল্যাটফর্ম ‘অতিথি ডটকম’ নিয়ে কার্যক্রম শুরু করেন। অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠানটি নিজেদের একটি আন্তর্জাতিকমানের ট্রাভেল ও সার্ভিস পোর্টাল হিসেবে পরিচয় দিলেও মূল লক্ষ্য নতুন এজেন্ট নিয়োগ এবং সেই এজেন্টদের মাধ্যমে আরও সদস্য সংগ্রহ করা।

প্রতিবেদকের অনুসন্ধানে দাবি করা হয়েছে, প্ল্যাটফর্মটির মোবাইল অ্যাপ ব্যবহার করে সাধারণ গ্রাহকদের প্রথমে বিভিন্ন সেবার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়। এরপর তাদের এজেন্ট হওয়ার জন্য উৎসাহিত করা হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, এজেন্ট হতে কয়েক হাজার টাকা ফি দিতে হয় এবং পরবর্তীতে নতুন সদস্য যুক্ত করতে পারলে কমিশনের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়।

প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, সদস্য সংগ্রহের জন্য বিভিন্ন শহরে মোটিভেশনাল সেমিনার আয়োজন করা হয়। সেখানে সফলতার গল্প, বড় অঙ্কের চেক প্রদর্শন, বিলাসবহুল জীবনযাপনের উদাহরণ এবং দ্রুত আর্থিক স্বাবলম্বী হওয়ার প্রতিশ্রুতির মাধ্যমে নতুন সদস্যদের আকৃষ্ট করার চেষ্টা করা হয় বলে দাবি করা হয়েছে। অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের ভাষ্য অনুযায়ী, এসব উপস্থাপনার সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

অনুসন্ধানে অংশ নেওয়া প্রতিবেদক দাবি করেছেন, তিনি ছদ্মবেশে সদস্য হয়ে প্রশিক্ষণ কার্যক্রমে অংশ নেন এবং সদস্য সংগ্রহের বিভিন্ন কৌশল সম্পর্কে ধারণা লাভ করেন। প্রতিবেদনের ভাষ্য অনুযায়ী, নতুন সদস্য সংগ্রহই প্রতিষ্ঠানটির আয়ের প্রধান ভিত্তি হিসেবে উপস্থাপিত হয়েছে। তবে এই দাবির বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা প্রতিবেদনে উল্লেখ নেই।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ‘প্যাসিভ ইনকাম’, ‘লাইফটাইম কমিশন’, ‘ক্যাশব্যাক’, ‘শেয়ারহোল্ডার’ এবং ‘কো-ওনার’ হওয়ার মতো নানা প্রতিশ্রুতি দিয়ে সাধারণ মানুষকে বিনিয়োগে উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের দাবি অনুযায়ী, এসব প্রতিশ্রুতির বাস্তব ভিত্তি সম্পর্কে স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি।

প্রতিবেদনটিতে আরও দাবি করা হয়েছে, শিক্ষিত বেকার তরুণ-তরুণী, গৃহিণী এবং স্বল্প আয়ের মানুষকে বিশেষভাবে লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে। অনেকেই দ্রুত আর্থিক উন্নতির আশায় সদস্য হচ্ছেন। কেউ কেউ আত্মীয়-স্বজন ও বন্ধুদেরও যুক্ত করছেন। অনুসন্ধানে এমন অভিযোগও এসেছে যে, কিছু মানুষ ঋণ নিয়ে সদস্য হয়েছেন। তবে এই তথ্যগুলোর স্বাধীন যাচাইয়ের তথ্য প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, অতিথি ডটকম বিভিন্ন ডিজিটাল প্রকল্পের কথা উল্লেখ করে বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করছে। এর মধ্যে হোটেল বুকিং, রিসোর্ট, পরিবহন, বিমান টিকিট এবং অন্যান্য ডিজিটাল সেবার কথা বলা হচ্ছে। তবে অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, এসব সেবার তুলনায় সদস্য সংগ্রহ ও কমিশন কাঠামোর ওপর বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

(আপনার দেওয়া প্রতিবেদন এখানেই অসম্পূর্ণ অবস্থায় শেষ হয়েছে। তাই এর পরের অংশ সম্পাদনা করা সম্ভব হয়নি।)