সংবাদ শিরোনাম ::
এলপিজির কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে সিরাজুল ও জ্বালানি সচিব সাইফুলের সিন্ডিকেটে কোটি টাকা আত্মসাত মনোহরগঞ্জে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী কার্নিশে ঝুলে থাকা তরুণকে গুলি, হাবিবসহ তিন পুলিশের মৃত্যুদণ্ড আত্রাইয়ে ১৯৩ কেন্দ্রে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন শুরু আসাদুজ্জামান খানের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ, তদন্তের দাবি মোহাম্মদপুর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে ‘দুর্নীতির সাম্রাজ্য’ অভিযোগের পাহাড় কাদির ও সহকারী হারিসের বিরুদ্ধে বিজিবি-র‍্যাবের যৌথ অভিযানে কাভার্ড ভ্যানসহ ভারতীয় শাড়ি ও কসমেটিক্স আটক এলেঙ্গাকে উপজেলা করার দাবিতে সংসদে এমপির বক্তব্য, কালিহাতীজুড়ে সমালোচনার ঝড় বিস্তর অনিয়মের অভিযোগের পরও বহাল ডিআইজি (প্রিজন্স) কামাল হোসেন

বিধ্বস্ত ভেনেজুয়েলায় আবারও ভূমিকম্পের আঘাত, মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৪৩০

ইউরোপীয়-মেডিটেরেনিয়ান সিসমোলজিক্যাল সেন্টার (ইএমএসসি) জানিয়েছে, নতুন এই কম্পনটির উৎপত্তিস্থল ছিল রাজধানী কারাকাস থেকে প্রায় ৭০ কিলোমিটার পশ্চিমে। নতুন এই ভূমিকম্পে তাৎক্ষণিকভাবে বড় কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া না গেলেও, বুধবারের ৭.২ ও ৭.৫ মাত্রার প্রলয়ঙ্করী জোড়া ভূমিকম্পের পর একের পর এক আফটারশক বা অনুকম্পনে পুরো দেশজুড়ে এখন চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।

এদিকে গত বুধবারের সেই ভয়াবহ বিপর্যয়ের পর আজ চার দিন পার হলেও ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়াদের উদ্ধারে এখনো চলছে রুদ্ধশ্বাস অভিযান। সরকারিভাবে এখন পর্যন্ত ১ হাজার ৪৩০ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়েছে। তবে সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো, এখনো প্রায় ৫১ হাজার মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানা গেছে।

উদ্ধারকারীরা জানিয়েছেন, ভূমিকম্পের পর প্রথম ৭২ ঘণ্টা পার হয়ে যাওয়ায় ধ্বংসস্তূপ থেকে অলৌকিকভাবে কাউকে জীবিত উদ্ধারের সম্ভাবনা ক্রমেই ক্ষীণ হয়ে আসছে। শত শত ধসে পড়া বহুতল ভবন, ঘরবাড়ি এবং কারাবালেদা এলাকার একটি ধসে পড়া সুপারমার্কেটসহ বিভিন্ন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের নিচে এখনো অসংখ্য মানুষ চাপা পড়ে আছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। ফলে সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে মৃতের সংখ্যা আরও অনেক বাড়বে বলে আশঙ্কা করছে প্রশাসন।

বুধবারের সেই জোড়া ভূমিকম্পে সবচেয়ে বেশি লন্ডভন্ড হয়েছে দেশটির লা গুয়াইরা রাজ্য, যার প্রভাব পড়েছে রাজধানী কারাকাসের কিছু এলাকাতেও। এই চরম সংকটের মাঝে ভেনেজুয়েলা সরকারের উদ্ধার ও ত্রাণ তৎপরতায় চরম অব্যবস্থাপনার অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় ক্ষুব্ধ বাসিন্দারা। মোবাইল নেটওয়ার্ক ও ইন্টারনেট সেবা সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন থাকায় অনেক এলাকায় উদ্ধারকাজ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। বিপর্যয় সামাল দিতে ইতোমধ্যে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে ১ হাজার ৬০০ সদস্যের বিদেশি বিশেষজ্ঞ উদ্ধারকারী দল ভেনেজুয়েলায় পৌঁছেছে।

নিখোঁজ স্বজনদের সন্ধানে ধ্বংসস্তূপের পাশে অপেক্ষায় থাকা হাজারো মানুষের আর্তনাদ আর হাহাকারে বর্তমানে ভেনেজুয়েলার বাতাস ভারী হয়ে উঠেছে।

সূত্র: আল জাজিরা, আনাদোলু এজেন্সি

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এলপিজির কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে সিরাজুল ও জ্বালানি সচিব সাইফুলের সিন্ডিকেটে কোটি টাকা আত্মসাত

বিধ্বস্ত ভেনেজুয়েলায় আবারও ভূমিকম্পের আঘাত, মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৪৩০

আপডেট সময় ১১:৪০:২২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬
ইউরোপীয়-মেডিটেরেনিয়ান সিসমোলজিক্যাল সেন্টার (ইএমএসসি) জানিয়েছে, নতুন এই কম্পনটির উৎপত্তিস্থল ছিল রাজধানী কারাকাস থেকে প্রায় ৭০ কিলোমিটার পশ্চিমে। নতুন এই ভূমিকম্পে তাৎক্ষণিকভাবে বড় কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া না গেলেও, বুধবারের ৭.২ ও ৭.৫ মাত্রার প্রলয়ঙ্করী জোড়া ভূমিকম্পের পর একের পর এক আফটারশক বা অনুকম্পনে পুরো দেশজুড়ে এখন চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।

এদিকে গত বুধবারের সেই ভয়াবহ বিপর্যয়ের পর আজ চার দিন পার হলেও ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়াদের উদ্ধারে এখনো চলছে রুদ্ধশ্বাস অভিযান। সরকারিভাবে এখন পর্যন্ত ১ হাজার ৪৩০ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়েছে। তবে সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো, এখনো প্রায় ৫১ হাজার মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানা গেছে।

উদ্ধারকারীরা জানিয়েছেন, ভূমিকম্পের পর প্রথম ৭২ ঘণ্টা পার হয়ে যাওয়ায় ধ্বংসস্তূপ থেকে অলৌকিকভাবে কাউকে জীবিত উদ্ধারের সম্ভাবনা ক্রমেই ক্ষীণ হয়ে আসছে। শত শত ধসে পড়া বহুতল ভবন, ঘরবাড়ি এবং কারাবালেদা এলাকার একটি ধসে পড়া সুপারমার্কেটসহ বিভিন্ন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের নিচে এখনো অসংখ্য মানুষ চাপা পড়ে আছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। ফলে সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে মৃতের সংখ্যা আরও অনেক বাড়বে বলে আশঙ্কা করছে প্রশাসন।

বুধবারের সেই জোড়া ভূমিকম্পে সবচেয়ে বেশি লন্ডভন্ড হয়েছে দেশটির লা গুয়াইরা রাজ্য, যার প্রভাব পড়েছে রাজধানী কারাকাসের কিছু এলাকাতেও। এই চরম সংকটের মাঝে ভেনেজুয়েলা সরকারের উদ্ধার ও ত্রাণ তৎপরতায় চরম অব্যবস্থাপনার অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় ক্ষুব্ধ বাসিন্দারা। মোবাইল নেটওয়ার্ক ও ইন্টারনেট সেবা সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন থাকায় অনেক এলাকায় উদ্ধারকাজ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। বিপর্যয় সামাল দিতে ইতোমধ্যে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে ১ হাজার ৬০০ সদস্যের বিদেশি বিশেষজ্ঞ উদ্ধারকারী দল ভেনেজুয়েলায় পৌঁছেছে।

নিখোঁজ স্বজনদের সন্ধানে ধ্বংসস্তূপের পাশে অপেক্ষায় থাকা হাজারো মানুষের আর্তনাদ আর হাহাকারে বর্তমানে ভেনেজুয়েলার বাতাস ভারী হয়ে উঠেছে।

সূত্র: আল জাজিরা, আনাদোলু এজেন্সি