এদিকে গত বুধবারের সেই ভয়াবহ বিপর্যয়ের পর আজ চার দিন পার হলেও ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়াদের উদ্ধারে এখনো চলছে রুদ্ধশ্বাস অভিযান। সরকারিভাবে এখন পর্যন্ত ১ হাজার ৪৩০ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়েছে। তবে সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো, এখনো প্রায় ৫১ হাজার মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানা গেছে।
উদ্ধারকারীরা জানিয়েছেন, ভূমিকম্পের পর প্রথম ৭২ ঘণ্টা পার হয়ে যাওয়ায় ধ্বংসস্তূপ থেকে অলৌকিকভাবে কাউকে জীবিত উদ্ধারের সম্ভাবনা ক্রমেই ক্ষীণ হয়ে আসছে। শত শত ধসে পড়া বহুতল ভবন, ঘরবাড়ি এবং কারাবালেদা এলাকার একটি ধসে পড়া সুপারমার্কেটসহ বিভিন্ন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের নিচে এখনো অসংখ্য মানুষ চাপা পড়ে আছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। ফলে সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে মৃতের সংখ্যা আরও অনেক বাড়বে বলে আশঙ্কা করছে প্রশাসন।
বুধবারের সেই জোড়া ভূমিকম্পে সবচেয়ে বেশি লন্ডভন্ড হয়েছে দেশটির লা গুয়াইরা রাজ্য, যার প্রভাব পড়েছে রাজধানী কারাকাসের কিছু এলাকাতেও। এই চরম সংকটের মাঝে ভেনেজুয়েলা সরকারের উদ্ধার ও ত্রাণ তৎপরতায় চরম অব্যবস্থাপনার অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় ক্ষুব্ধ বাসিন্দারা। মোবাইল নেটওয়ার্ক ও ইন্টারনেট সেবা সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন থাকায় অনেক এলাকায় উদ্ধারকাজ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। বিপর্যয় সামাল দিতে ইতোমধ্যে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে ১ হাজার ৬০০ সদস্যের বিদেশি বিশেষজ্ঞ উদ্ধারকারী দল ভেনেজুয়েলায় পৌঁছেছে।
নিখোঁজ স্বজনদের সন্ধানে ধ্বংসস্তূপের পাশে অপেক্ষায় থাকা হাজারো মানুষের আর্তনাদ আর হাহাকারে বর্তমানে ভেনেজুয়েলার বাতাস ভারী হয়ে উঠেছে।
সূত্র: আল জাজিরা, আনাদোলু এজেন্সি
আন্তর্জাতিক ডেস্ক 



















