সংবাদ শিরোনাম ::
আইজিপির সঙ্গে জাতিসংঘ বাংলাদেশের নিরাপত্তা উপদেষ্টার সাক্ষাৎ ট্রাম্পের বিরুদ্ধে মামলা করলেন আইসিসির তিন বিচারক গণমাধ্যম খাতে সহযোগিতায় বাংলাদেশ-চীনের মধ্যে চারটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হোটেল রুমে স্বামী, পাকিস্তান নারী ক্রিকেট দলের ঘরে বিবাদ ১ টাকার দুর্নীতি বের করতে পারলে ইস্তফা দেবো: হাসনাত  আশুরা মানুষকে অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী হতে শেখায় : রাষ্ট্রপতি তিস্তা মহাপরিকল্পনায় কারিগরি সহায়তা দিতে আগ্রহী চীন নরসিংদীতে কুকুরের গলায় ইট বেঁধে নদীতে নিক্ষেপ, যুবক আটক ভূমিকম্পে ধ্বংসস্তূপের নিচে জীবিত আটকা বহু, উদ্ধারে আসছেন না কেউ বরগুনায় সরকারি চাল আত্মসাতের অভিযোগে প্যানেল চেয়ারম্যান (ইউপি সদস্যের) বিরুদ্ধে মামলা

১ টাকার দুর্নীতি বের করতে পারলে ইস্তফা দেবো: হাসনাত 

সরকারের সব বাহিনীর মাধ্যমে তদন্ত করে নিজের বিরুদ্ধে যদি এক টাকার দুর্নীতির প্রমাণ দিতে পারে তবে জাতীয় সংসদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বিকেলে জাতীয় সংসদে প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর আলোচনাকালে সরকারদলীয় সংসদ সদস্যদের উদ্দেশ্য করে তিনি এই চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন।
এদিন সংসদ অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। এ সময় বাজেটে বরাদ্দ প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে হাসনাত আবদুল্লাহ তার জন্য যেন তার এলাকার মানুষকে কোনোভাবে বঞ্চিত না করা হয় এই আহ্বান জানান।

বাজেটের ওপর নিজের বক্তব্য উপস্থাপনকালে হাসনাত আবদুল্লাহর বক্তব্যের প্রসঙ্গ টানেন চট্টগ্রাম-১০ আসনের সংসদ সদস্য সাঈদ আল নোমান।
তিনি বলেন, ‘আমি আবুল হাসনাত আবদুল্লাহর একটি প্রসঙ্গ, যে আলাপটি তিনি করেছেন সেটি হলো- বাজেটে এবার তাকে আটকে দেয়া হবে কিনা। আপনাকে টাকা দেয়া হবে না-তো। আপনার এলাকায় টাকা দেয়া হবে, এলাকার মানুষের জন্য টাকা দেয়া হবে। সেজন্য আপনি ইন্টেরিম গর্ভনমেন্টে (অন্তর্বর্তী সরকারে) যেভাবে যেভাবে পেয়েছেন, আমরা অনেক কিছু শুনি, এলিগেশন আদান-প্রদানে অনেক কিছু বলা যায়। সেভাবেই চলবে হয়তো, কেননা জনগণের জন্যই সেই টাকা দেয়া হবে। কোনো ব্যক্তিকে দেয়া হয় না। কোনো এমপির আলাদা করে বরাদ্দ নিয়ে আমরা কিছু করি না।

এরপর আরও একজন সংসদ সদস্যের বাজেটের ওপর বক্তব্য শেষে ২৭৪ বিধি অনুসারে ব্যক্তিগত কৈফিয়তের জন্য দাঁড়ান হাসনাত আবদুল্লাহ। পরে ডেপুটি স্পিকার তাকে এক মিনিট সময় দিলে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘আমি আমার বক্তব্যের কোথাও এই শব্দ উচ্চারণ করিনি বা এই বাক্য বলিনি যে আমাকে যেন বরাদ্দবঞ্চিত না করা হয়। আমি বলেছি—আমার বক্তব্যের কারণে আমার এলাকার মানুষকে যেন কোনো কারণে বঞ্চিত না করা হয়।
হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘আজকেও এই সংসদে আমরা দেখেছি জুলাই সংশ্লিষ্টদের উদ্দেশ্য করে কিছু কথা বলা হয়েছে যে, আমরা আগে রিকশায় চড়তাম এখন আমরা গাড়িতে চড়ি। এই সংসদে আজকে সরকারে যারা আছে, আমি আপনাদের কাছে বিনীতভাবে অনুরোধ করবো- এখন সরকারের যে গোয়েন্দা সংস্থাগুলো আপনাদের নিয়ন্ত্রণে, ডিজিএফআই, এনএসআই, পুলিশ, মিলিটারি সবাই আপনাদের নিয়ন্ত্রণে। আমি আপনাদের কাছে অনুরোধ করবো- আপনাদের মতো দায়িত্বশীল জায়গা থেকে এলিগেশনের টোনে এলিগেশন না দিয়ে আপনারা তদন্ত করে ১ টাকার দুর্নীতি, ১ টাকার কোনো ধরনের অসৎ উপায়ের কোনো ধরনের প্রমাণ দিতে পারলে আমরা এই সংসদ থেকে ইস্তফা দেবো।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আইজিপির সঙ্গে জাতিসংঘ বাংলাদেশের নিরাপত্তা উপদেষ্টার সাক্ষাৎ

১ টাকার দুর্নীতি বের করতে পারলে ইস্তফা দেবো: হাসনাত 

আপডেট সময় ০৯:১১:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬

সরকারের সব বাহিনীর মাধ্যমে তদন্ত করে নিজের বিরুদ্ধে যদি এক টাকার দুর্নীতির প্রমাণ দিতে পারে তবে জাতীয় সংসদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বিকেলে জাতীয় সংসদে প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর আলোচনাকালে সরকারদলীয় সংসদ সদস্যদের উদ্দেশ্য করে তিনি এই চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন।
এদিন সংসদ অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। এ সময় বাজেটে বরাদ্দ প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে হাসনাত আবদুল্লাহ তার জন্য যেন তার এলাকার মানুষকে কোনোভাবে বঞ্চিত না করা হয় এই আহ্বান জানান।

বাজেটের ওপর নিজের বক্তব্য উপস্থাপনকালে হাসনাত আবদুল্লাহর বক্তব্যের প্রসঙ্গ টানেন চট্টগ্রাম-১০ আসনের সংসদ সদস্য সাঈদ আল নোমান।
তিনি বলেন, ‘আমি আবুল হাসনাত আবদুল্লাহর একটি প্রসঙ্গ, যে আলাপটি তিনি করেছেন সেটি হলো- বাজেটে এবার তাকে আটকে দেয়া হবে কিনা। আপনাকে টাকা দেয়া হবে না-তো। আপনার এলাকায় টাকা দেয়া হবে, এলাকার মানুষের জন্য টাকা দেয়া হবে। সেজন্য আপনি ইন্টেরিম গর্ভনমেন্টে (অন্তর্বর্তী সরকারে) যেভাবে যেভাবে পেয়েছেন, আমরা অনেক কিছু শুনি, এলিগেশন আদান-প্রদানে অনেক কিছু বলা যায়। সেভাবেই চলবে হয়তো, কেননা জনগণের জন্যই সেই টাকা দেয়া হবে। কোনো ব্যক্তিকে দেয়া হয় না। কোনো এমপির আলাদা করে বরাদ্দ নিয়ে আমরা কিছু করি না।

এরপর আরও একজন সংসদ সদস্যের বাজেটের ওপর বক্তব্য শেষে ২৭৪ বিধি অনুসারে ব্যক্তিগত কৈফিয়তের জন্য দাঁড়ান হাসনাত আবদুল্লাহ। পরে ডেপুটি স্পিকার তাকে এক মিনিট সময় দিলে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘আমি আমার বক্তব্যের কোথাও এই শব্দ উচ্চারণ করিনি বা এই বাক্য বলিনি যে আমাকে যেন বরাদ্দবঞ্চিত না করা হয়। আমি বলেছি—আমার বক্তব্যের কারণে আমার এলাকার মানুষকে যেন কোনো কারণে বঞ্চিত না করা হয়।
হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘আজকেও এই সংসদে আমরা দেখেছি জুলাই সংশ্লিষ্টদের উদ্দেশ্য করে কিছু কথা বলা হয়েছে যে, আমরা আগে রিকশায় চড়তাম এখন আমরা গাড়িতে চড়ি। এই সংসদে আজকে সরকারে যারা আছে, আমি আপনাদের কাছে বিনীতভাবে অনুরোধ করবো- এখন সরকারের যে গোয়েন্দা সংস্থাগুলো আপনাদের নিয়ন্ত্রণে, ডিজিএফআই, এনএসআই, পুলিশ, মিলিটারি সবাই আপনাদের নিয়ন্ত্রণে। আমি আপনাদের কাছে অনুরোধ করবো- আপনাদের মতো দায়িত্বশীল জায়গা থেকে এলিগেশনের টোনে এলিগেশন না দিয়ে আপনারা তদন্ত করে ১ টাকার দুর্নীতি, ১ টাকার কোনো ধরনের অসৎ উপায়ের কোনো ধরনের প্রমাণ দিতে পারলে আমরা এই সংসদ থেকে ইস্তফা দেবো।