সংবাদ শিরোনাম ::
ক্ষমতায় বসার পর বিএনপির সুর পাল্টে গেছে : ডা. শফিকুর রহমান ফেনী আলিয়ার বিতর্কিত অধ্যক্ষ কারাগারে জলবায়ু অর্থায়নকে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর জন্য আরো সহজলভ্য করার দাবি প্রধানমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরে যোগ দিতে রাতে বেইজিং যাচ্ছেন তথ্যমন্ত্রী বড়লেখায় ৩২ হাজার শিশু পাচ্ছে ভিটামিন ‘এ’প্লাস ক্যাপসুল ‘বিয়ের কাগজ দেখাতে পারলে যা চাইবেন তা-ই করব’ চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিলেন ববি সরকারের তিন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রীকে ‘ব্যর্থ’ বললেন নাহিদ চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডিবি পুলিশের বড় অভিযান: ৩০০ গ্রাম হেরোইনসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার নওগাঁয় আদালতের নির্দেশে দুই শিশুর মৃত্যুর ১০ মাস পর কবর থেকে লাশ উত্তোলন শরীয়তপুরের সখিপুরের আরশিনগর ইউনিয়নে কাবিটা প্রকল্পে দুই সড়কের নির্মাণ কাজ সম্পন্ন

অধ্যক্ষ ডা. মজিব ও ফেরদৌসের দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত হয়েছে আইএইচটি

মহাখালী ইনস্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজি (আইএইচটি) গিলে খাচ্ছেন অধ্যক্ষ ডা. মজিব উদ্দিন ও প্রধান সহকারী ফেরদৌস রহমান। এই দুজনে মিলে নিয়োগ বাণিজ্য, কেনাকাটায় ভুয়া বিল-ভাউচার, কোয়ার্টার ভাড়াসহ আইএইচটি প্রতিষ্ঠানটিকে দুর্নীতির স্বর্গরাজ্যে পরিণত করেছেন। জানা গেছে, দুজনের গ্রামের বাড়ি একই এলাকায় হওয়ায় দুর্নীতিতে খুব ভালোভাবে সমঝোতা করে চলেন।

সূত্রে জানা যায়, ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের দোসর মাজেদুল পূর্বে ছিলেন পিয়ন, এখন তিনি কেরানি। সাজ্জাদ পূর্বে ছিলেন পিয়ন, এখন তিনি কেরানি। আরিফুল রহমানের নিয়োগ ছিল ঝাড়ুদার পদে, এখন তাকে পদোন্নতি দিয়ে সহকারী লাইব্রেরিয়ান বানানো হয়েছে। একইভাবে নিম্ন পদে থাকা আরাফাত আরা বর্তমানে ক্যাশিয়ারের দায়িত্ব পালন করে আসছেন। এদের সকলকেই অধ্যক্ষকে মোটা অঙ্কের ঘুষ দিয়ে নিয়োগবিধির তোয়াক্কা না করে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

সূত্র জানায়, অধ্যক্ষ মজিব উদ্দিন ও প্রধান সহকারী ফেরদৌস রহমান উভয়ের বাড়ি রাজশাহীতে। অধ্যক্ষ ও প্রধান সহকারীর সহযোগিতায় মোটা অঙ্কের ঘুষ নিয়ে নিয়োগবিধির পরিপন্থী পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। এই ফেরদৌস অফিসের কেনাকাটা ও কোয়ার্টার ভাড়া দেওয়া নিয়ে ব্যাপক অনিয়ম করছেন। অফিস বরাদ্দের আশি শতাংশ টাকা ভুয়া বিল-ভাউচার দিয়ে আত্মসাৎ করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। যদিও ফেরদৌস জানান, বিধি অনুযায়ী তিনি পদোন্নতি পেয়েছেন।

টেকনোলজিস্ট আইনুল ইসলাম মহাখালী আইএইচটিতে বদলি হয়ে আসার পর ফেরদৌসের সঙ্গে যোগসাজশে কোয়ার্টার ও হোস্টেলের নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে বাইরের লোকদের কাছে বেশি টাকায় ভাড়া দেন। সিট খালি থাকা সত্ত্বেও ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীদের বরাদ্দ না দিয়ে টালবাহানা করা হয় এবং ঘুষ দিলে সিট বরাদ্দ দেওয়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

সূত্র আরও জানায়, আইএইচটি ক্যাম্পাসে চলছে ভয়াবহ মাদক ব্যবসা। সাবেক অধ্যক্ষ গোলাম রাব্বানীর সময় থেকে এখানে এখনও মাদক কেনাবেচা ও মাদকসেবীদের আনাগোনা গভীর রাত পর্যন্ত চলে। এতে ছাত্রছাত্রীরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। মহাখালী আইএইচটিকে দুর্নীতিমুক্ত ও এর ক্যাম্পাসকে মাদকমুক্ত করতে প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

বিষয়টি নিয়ে অনুসন্ধান চলমান রয়েছে। ধারাবাহিকভাবে আরও তথ্য তুলে ধরা হবে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ক্ষমতায় বসার পর বিএনপির সুর পাল্টে গেছে : ডা. শফিকুর রহমান

অধ্যক্ষ ডা. মজিব ও ফেরদৌসের দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত হয়েছে আইএইচটি

আপডেট সময় ০৩:৪১:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬

মহাখালী ইনস্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজি (আইএইচটি) গিলে খাচ্ছেন অধ্যক্ষ ডা. মজিব উদ্দিন ও প্রধান সহকারী ফেরদৌস রহমান। এই দুজনে মিলে নিয়োগ বাণিজ্য, কেনাকাটায় ভুয়া বিল-ভাউচার, কোয়ার্টার ভাড়াসহ আইএইচটি প্রতিষ্ঠানটিকে দুর্নীতির স্বর্গরাজ্যে পরিণত করেছেন। জানা গেছে, দুজনের গ্রামের বাড়ি একই এলাকায় হওয়ায় দুর্নীতিতে খুব ভালোভাবে সমঝোতা করে চলেন।

সূত্রে জানা যায়, ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের দোসর মাজেদুল পূর্বে ছিলেন পিয়ন, এখন তিনি কেরানি। সাজ্জাদ পূর্বে ছিলেন পিয়ন, এখন তিনি কেরানি। আরিফুল রহমানের নিয়োগ ছিল ঝাড়ুদার পদে, এখন তাকে পদোন্নতি দিয়ে সহকারী লাইব্রেরিয়ান বানানো হয়েছে। একইভাবে নিম্ন পদে থাকা আরাফাত আরা বর্তমানে ক্যাশিয়ারের দায়িত্ব পালন করে আসছেন। এদের সকলকেই অধ্যক্ষকে মোটা অঙ্কের ঘুষ দিয়ে নিয়োগবিধির তোয়াক্কা না করে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

সূত্র জানায়, অধ্যক্ষ মজিব উদ্দিন ও প্রধান সহকারী ফেরদৌস রহমান উভয়ের বাড়ি রাজশাহীতে। অধ্যক্ষ ও প্রধান সহকারীর সহযোগিতায় মোটা অঙ্কের ঘুষ নিয়ে নিয়োগবিধির পরিপন্থী পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। এই ফেরদৌস অফিসের কেনাকাটা ও কোয়ার্টার ভাড়া দেওয়া নিয়ে ব্যাপক অনিয়ম করছেন। অফিস বরাদ্দের আশি শতাংশ টাকা ভুয়া বিল-ভাউচার দিয়ে আত্মসাৎ করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। যদিও ফেরদৌস জানান, বিধি অনুযায়ী তিনি পদোন্নতি পেয়েছেন।

টেকনোলজিস্ট আইনুল ইসলাম মহাখালী আইএইচটিতে বদলি হয়ে আসার পর ফেরদৌসের সঙ্গে যোগসাজশে কোয়ার্টার ও হোস্টেলের নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে বাইরের লোকদের কাছে বেশি টাকায় ভাড়া দেন। সিট খালি থাকা সত্ত্বেও ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীদের বরাদ্দ না দিয়ে টালবাহানা করা হয় এবং ঘুষ দিলে সিট বরাদ্দ দেওয়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

সূত্র আরও জানায়, আইএইচটি ক্যাম্পাসে চলছে ভয়াবহ মাদক ব্যবসা। সাবেক অধ্যক্ষ গোলাম রাব্বানীর সময় থেকে এখানে এখনও মাদক কেনাবেচা ও মাদকসেবীদের আনাগোনা গভীর রাত পর্যন্ত চলে। এতে ছাত্রছাত্রীরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। মহাখালী আইএইচটিকে দুর্নীতিমুক্ত ও এর ক্যাম্পাসকে মাদকমুক্ত করতে প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

বিষয়টি নিয়ে অনুসন্ধান চলমান রয়েছে। ধারাবাহিকভাবে আরও তথ্য তুলে ধরা হবে।