সংবাদ শিরোনাম ::
ক্ষমতায় বসার পর বিএনপির সুর পাল্টে গেছে : ডা. শফিকুর রহমান ফেনী আলিয়ার বিতর্কিত অধ্যক্ষ কারাগারে জলবায়ু অর্থায়নকে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর জন্য আরো সহজলভ্য করার দাবি প্রধানমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরে যোগ দিতে রাতে বেইজিং যাচ্ছেন তথ্যমন্ত্রী বড়লেখায় ৩২ হাজার শিশু পাচ্ছে ভিটামিন ‘এ’প্লাস ক্যাপসুল ‘বিয়ের কাগজ দেখাতে পারলে যা চাইবেন তা-ই করব’ চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিলেন ববি সরকারের তিন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রীকে ‘ব্যর্থ’ বললেন নাহিদ চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডিবি পুলিশের বড় অভিযান: ৩০০ গ্রাম হেরোইনসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার নওগাঁয় আদালতের নির্দেশে দুই শিশুর মৃত্যুর ১০ মাস পর কবর থেকে লাশ উত্তোলন শরীয়তপুরের সখিপুরের আরশিনগর ইউনিয়নে কাবিটা প্রকল্পে দুই সড়কের নির্মাণ কাজ সম্পন্ন

জলাবদ্ধতা নিরসনে রামপালের চামারখালী খালে অভিযান, উচ্ছেদ হলো অবৈধ বাদ

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম, এমপি’র কঠোর নির্দেশনায় রামপাল উপজেলার একটি গুরুত্বপূর্ণ খাল থেকে দীর্ঘদিনের অবৈধ বাদ অপসারণ করা হয়েছে।
আজ সোমবার সকাল থেকে উপজেলার ৭নং পেড়িখালী ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের চামারখালী এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করেন রামপাল উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অভিজিৎ চক্রবর্তী। অভিযানে উপজেলা প্রশাসন, পুলিশ ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
স্থানীয় কৃষক ও বাসিন্দাদের দীর্ঘদিনের অভিযোগ ছিল, চামারখালী খালের উপর অবৈধভাবে বাদ নির্মাণের কারণে বর্ষা মৌসুমে তীব্র জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হচ্ছে। এতে শত শত একর ফসলি জমি পানিতে তলিয়ে যাচ্ছিল এবং এলাকাবাসীকে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছিল। এছাড়া খালের পানি প্রবাহ বন্ধ থাকায় পরিবেশ ও জলজ প্রাণীর অস্তিত্বও হুমকির মুখে পড়েছিল।
বিষয়টি প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলামের নজরে আসলে তিনি দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। তার নির্দেশনা মোতাবেক আজকের অভিযানে ভারী যন্ত্রপাতির মাধ্যমে খালের উপর নির্মিত অবৈধ বাদটি সম্পূর্ণরূপে অপসারণ করা হয়।
অবৈধ বাদ অপসারণের খবরে এলাকাবাসীর মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে। স্থানীয় কৃষকরা বলেন, “দীর্ঘদিন আমরা জলাবদ্ধতার কষ্ট সহ্য করছি। আজ প্রতিমন্ত্রীর নির্দেশে বাদ কেটে দেওয়ায় আমাদের জমির ফসল রক্ষা পাবে।”
রামপাল উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) অভিজিৎ চক্রবর্তী বলেন, “পরিবেশ ও জলবায়ুর ক্ষতি হয় এমন যেকোনো অবৈধ স্থাপনার বিরুদ্ধে সরকারের জিরো টলারেন্স নীতি রয়েছে। মাননীয় প্রতিমন্ত্রী মহোদয়ের নির্দেশে আমরা এ অভিযান চালিয়েছি। উপজেলার অন্যান্য খাল-বিলেও এ ধরনের অবৈধ স্থাপনা থাকলে পর্যায়ক্রমে তা অপসারণ করা হবে।”
পরিবেশ প্রতিমন্ত্রীর এই সময়োপযোগী হস্তক্ষেপে রামপালবাসী উপকৃত হবে বলে মনে করছেন সচেতন মহল। তারা অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখার দাবি জানিয়েছেন।
Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ক্ষমতায় বসার পর বিএনপির সুর পাল্টে গেছে : ডা. শফিকুর রহমান

জলাবদ্ধতা নিরসনে রামপালের চামারখালী খালে অভিযান, উচ্ছেদ হলো অবৈধ বাদ

আপডেট সময় ০৮:০৫:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম, এমপি’র কঠোর নির্দেশনায় রামপাল উপজেলার একটি গুরুত্বপূর্ণ খাল থেকে দীর্ঘদিনের অবৈধ বাদ অপসারণ করা হয়েছে।
আজ সোমবার সকাল থেকে উপজেলার ৭নং পেড়িখালী ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের চামারখালী এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করেন রামপাল উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অভিজিৎ চক্রবর্তী। অভিযানে উপজেলা প্রশাসন, পুলিশ ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
স্থানীয় কৃষক ও বাসিন্দাদের দীর্ঘদিনের অভিযোগ ছিল, চামারখালী খালের উপর অবৈধভাবে বাদ নির্মাণের কারণে বর্ষা মৌসুমে তীব্র জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হচ্ছে। এতে শত শত একর ফসলি জমি পানিতে তলিয়ে যাচ্ছিল এবং এলাকাবাসীকে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছিল। এছাড়া খালের পানি প্রবাহ বন্ধ থাকায় পরিবেশ ও জলজ প্রাণীর অস্তিত্বও হুমকির মুখে পড়েছিল।
বিষয়টি প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলামের নজরে আসলে তিনি দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। তার নির্দেশনা মোতাবেক আজকের অভিযানে ভারী যন্ত্রপাতির মাধ্যমে খালের উপর নির্মিত অবৈধ বাদটি সম্পূর্ণরূপে অপসারণ করা হয়।
অবৈধ বাদ অপসারণের খবরে এলাকাবাসীর মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে। স্থানীয় কৃষকরা বলেন, “দীর্ঘদিন আমরা জলাবদ্ধতার কষ্ট সহ্য করছি। আজ প্রতিমন্ত্রীর নির্দেশে বাদ কেটে দেওয়ায় আমাদের জমির ফসল রক্ষা পাবে।”
রামপাল উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) অভিজিৎ চক্রবর্তী বলেন, “পরিবেশ ও জলবায়ুর ক্ষতি হয় এমন যেকোনো অবৈধ স্থাপনার বিরুদ্ধে সরকারের জিরো টলারেন্স নীতি রয়েছে। মাননীয় প্রতিমন্ত্রী মহোদয়ের নির্দেশে আমরা এ অভিযান চালিয়েছি। উপজেলার অন্যান্য খাল-বিলেও এ ধরনের অবৈধ স্থাপনা থাকলে পর্যায়ক্রমে তা অপসারণ করা হবে।”
পরিবেশ প্রতিমন্ত্রীর এই সময়োপযোগী হস্তক্ষেপে রামপালবাসী উপকৃত হবে বলে মনে করছেন সচেতন মহল। তারা অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখার দাবি জানিয়েছেন।