সংবাদ শিরোনাম ::

দেবিদ্বার থানা মাশিকাড়া বাজারে কাপড়ের দোকানে ভুয়া কাজী অফিস

কুমিল্লা জেলা দেবিদ্বার উপজেলা ১০ নং দক্ষিণ গুনাইঘর ইউনিয়নের নিবন্ধিত কাজী নুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সূত্রে জানতে পারি যে,দীর্ঘ প্রায় ২০ বছর ধরে নির্ধারিত কার্যালয় ছাড়া বিভিন্ন গ্রামের প্রতিনিধির মাধ্যমে নিকাহ নিবন্ধন কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। নিকাহ নামা মূল বই বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে রেখে বিয়ে নিবন্ধন করানো হচ্ছে এবং এই সুযোগে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা হচ্ছে বলে স্থানীয় ভুক্তভোগীর দাবি গত ০১-০১-২০২১ ইং তারিখে নুরুল ইসলাম কাজীর বিরুদ্ধে ১০ নং দক্ষিণ গুনাইঘর ইউনিয়ের পরিষদ চেয়ারম্যানের গ্রাম আদালতে একখানা মামলা দায়ের করেন। মামলা নং ০৩-২০২১ইং সাক্ষীদের উপস্থিতি নুরুল ইসলাম কাজী কে, জেলা রেজিস্টার বই থেকে ১৫ দিনের মধ্যে সঠিক বালাম বই দেখে প্রতিবেদন দাখিল করার নির্দেশ প্রদান করেন। নুরুল ইসলাম কাজী গ্রাম্য আদালতের প্রতিবেদন না দিতে পারার কারনে ঐ ভুক্তভোগী মাননীয় আদালতে মামলা দায়ের করেন। মাননীয় আদালতে তার বিরুদ্ধে সমন দেয়। ঐ ভুক্তভোগী আদালত থেকে ভুক্তভোগীর স্ত্রীকে ডিভোর্স করে দেয়। একমাত্র দুর্নীতিবাজ কাজির কারণে। স্থানীয় ভুক্তভোগীদের দাবি এই ধরনের কার্যকলাপ দিন দিন সেই করে আসছে বলে জানা যায়। ভুক্তভোগী জানায় ২৫ শে মার্চ ২০২২ইং নুরুল ইসলাম কাজি প্রতিনিধি মাধ্যমে সে নিজে বিবাহ নিবন্ধন করে দেন। নিকাহ নামার নকলে জন্য ভুক্তভোগী গেলে তাকে নকল দেম দিচ্ছি বলে ঘুরাইতে থাকে এবং মুল বই যার কাছে আছে এখনো শেষ হয়নি হলে ভুক্তভোগী কে জানায়। এক পর্যায়ে ভুক্তভোগী যখন তার সঠিক কাগজপত্র না পাওয়ার কারনে। কয়েকজন সাংবাদিককে বিষয়টি জানাইলে ১০ নং দক্ষিণ গুনাইঘ ইউনিয়ন চেয়ারম্যান হুমায়ন কবির সাহেব জানায় নুরুল ইসলাম কাজীর বাড়ি এই ইউনিয়নে না তার বাড়ি হচ্ছে সুবিল ইউনিয়ন গ্রাম সাইচাপাড়া তবে দীর্ঘদিনের প্রায় ১৫ ২০ বছর হয়েছ কাজী সনদ নিয়েছে বলে আমি সুনেছি। তার জন্ম আমার ইউনিয়নে না থাকায় কারনে আমি সঠিক তথ্য আপনাদের কাছে দিতে পারলাম না। এলাকাবাসীরা জানায় কাজী ভূয়া কাগজ কলমে স্হায়ী ঠিকানা দিখাইছেন গ্রাম শাকতলা কাজি অফিস মাশিকাড়া বাজার বাস্তবে মিথ্যা ও ভূয়া কোন অফিস নাই সে নিজে মিথ্যা কথা বলে আমি মাশিকাড়া বাজারে কাপড়ের দোকানে বসি। সাংবাদিকগণ তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সঠিক উত্তর না দিতে পারায় নিজে বলে আমার বাড়িতে চলেন সেখানে আমি সকল তথ্য দেব। নুর ইসলাম কাজির বর্তমান ঠিকানা দেবিদ্বার পৌরসভা বারেরা গ্রামে বাসিন্দা তার একটি বাড়ি ও একটি কওমি মাদ্রাসা এবং কি একটি মার্কেট ও আছেন বলে যানা যায়। আশেপাশের গ্রামবাসী জানায় নুরল ইসলাম কাজী ভুয়া কাগজপত্রের মাধ্যমে বিবাহ নিবন্ধন করাইয়া কোটি কোটি টাকার মালিক হয়ে যান। এই বিষয়ে সাংবাদিকগণ তার বক্তব্য নিতে গেলে বলেন যে, আমি আমার ইউনিয়ন সুবিন মাদ্রাসার সুপার হিসেবে কর্মরত আছি ১০ নং দক্ষিণ গুনাইঘর ইউনিয়ন কাজী হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছি আমি কোন সাংবাদিকদের কাছে তথ্য দিতে বাধ্য না।প্রয়োজন হলে কর্তৃপক্ষ অথবা কাজী সমিতির কাছে তথ্য প্রদান করব। গত ১৫-০৬-২০২৬ ইং তারিখে ০১৬০১- ৩৬৩৮৪৭ গত ১৬ -০৬-২০২৬ ০১৭১৪-৬৫৪২৪১ইং তারিখে এ দুইটি নাম্বার থেকে ফোন করে আমাকে বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি ও হুমকি দেওয়া হয়। এছাড়া বিভিন্ন মাধ্যমে পরিবারের সদস্যদের প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে আমি জানতে পারি। কাজী নুরুল ইসলাম ও তার সহযোগীদের এই ধরনের আচরণের কারণে আমিও আমার পরিবার বর্তমানে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। এবং কি প্রাণনাসের আশঙ্কায়ও রয়েছি। আমি ও আমার পরিবার জান মালের নিরাপত্তার স্বার্থে গত ২০ -০৬- ২০২৬ ইং তারিখে কুমিল্লা জেলা দেবিদ্বার থানাধীন একটি সাধারণ ডায়েরী করি। এই ধরনের কাজির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য প্রশাসনের দৃষ্টি কামনা করছি।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশিদের জন্য মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার খুলে দেওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

দেবিদ্বার থানা মাশিকাড়া বাজারে কাপড়ের দোকানে ভুয়া কাজী অফিস

আপডেট সময় ০৭:০৭:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬

কুমিল্লা জেলা দেবিদ্বার উপজেলা ১০ নং দক্ষিণ গুনাইঘর ইউনিয়নের নিবন্ধিত কাজী নুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সূত্রে জানতে পারি যে,দীর্ঘ প্রায় ২০ বছর ধরে নির্ধারিত কার্যালয় ছাড়া বিভিন্ন গ্রামের প্রতিনিধির মাধ্যমে নিকাহ নিবন্ধন কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। নিকাহ নামা মূল বই বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে রেখে বিয়ে নিবন্ধন করানো হচ্ছে এবং এই সুযোগে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা হচ্ছে বলে স্থানীয় ভুক্তভোগীর দাবি গত ০১-০১-২০২১ ইং তারিখে নুরুল ইসলাম কাজীর বিরুদ্ধে ১০ নং দক্ষিণ গুনাইঘর ইউনিয়ের পরিষদ চেয়ারম্যানের গ্রাম আদালতে একখানা মামলা দায়ের করেন। মামলা নং ০৩-২০২১ইং সাক্ষীদের উপস্থিতি নুরুল ইসলাম কাজী কে, জেলা রেজিস্টার বই থেকে ১৫ দিনের মধ্যে সঠিক বালাম বই দেখে প্রতিবেদন দাখিল করার নির্দেশ প্রদান করেন। নুরুল ইসলাম কাজী গ্রাম্য আদালতের প্রতিবেদন না দিতে পারার কারনে ঐ ভুক্তভোগী মাননীয় আদালতে মামলা দায়ের করেন। মাননীয় আদালতে তার বিরুদ্ধে সমন দেয়। ঐ ভুক্তভোগী আদালত থেকে ভুক্তভোগীর স্ত্রীকে ডিভোর্স করে দেয়। একমাত্র দুর্নীতিবাজ কাজির কারণে। স্থানীয় ভুক্তভোগীদের দাবি এই ধরনের কার্যকলাপ দিন দিন সেই করে আসছে বলে জানা যায়। ভুক্তভোগী জানায় ২৫ শে মার্চ ২০২২ইং নুরুল ইসলাম কাজি প্রতিনিধি মাধ্যমে সে নিজে বিবাহ নিবন্ধন করে দেন। নিকাহ নামার নকলে জন্য ভুক্তভোগী গেলে তাকে নকল দেম দিচ্ছি বলে ঘুরাইতে থাকে এবং মুল বই যার কাছে আছে এখনো শেষ হয়নি হলে ভুক্তভোগী কে জানায়। এক পর্যায়ে ভুক্তভোগী যখন তার সঠিক কাগজপত্র না পাওয়ার কারনে। কয়েকজন সাংবাদিককে বিষয়টি জানাইলে ১০ নং দক্ষিণ গুনাইঘ ইউনিয়ন চেয়ারম্যান হুমায়ন কবির সাহেব জানায় নুরুল ইসলাম কাজীর বাড়ি এই ইউনিয়নে না তার বাড়ি হচ্ছে সুবিল ইউনিয়ন গ্রাম সাইচাপাড়া তবে দীর্ঘদিনের প্রায় ১৫ ২০ বছর হয়েছ কাজী সনদ নিয়েছে বলে আমি সুনেছি। তার জন্ম আমার ইউনিয়নে না থাকায় কারনে আমি সঠিক তথ্য আপনাদের কাছে দিতে পারলাম না। এলাকাবাসীরা জানায় কাজী ভূয়া কাগজ কলমে স্হায়ী ঠিকানা দিখাইছেন গ্রাম শাকতলা কাজি অফিস মাশিকাড়া বাজার বাস্তবে মিথ্যা ও ভূয়া কোন অফিস নাই সে নিজে মিথ্যা কথা বলে আমি মাশিকাড়া বাজারে কাপড়ের দোকানে বসি। সাংবাদিকগণ তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সঠিক উত্তর না দিতে পারায় নিজে বলে আমার বাড়িতে চলেন সেখানে আমি সকল তথ্য দেব। নুর ইসলাম কাজির বর্তমান ঠিকানা দেবিদ্বার পৌরসভা বারেরা গ্রামে বাসিন্দা তার একটি বাড়ি ও একটি কওমি মাদ্রাসা এবং কি একটি মার্কেট ও আছেন বলে যানা যায়। আশেপাশের গ্রামবাসী জানায় নুরল ইসলাম কাজী ভুয়া কাগজপত্রের মাধ্যমে বিবাহ নিবন্ধন করাইয়া কোটি কোটি টাকার মালিক হয়ে যান। এই বিষয়ে সাংবাদিকগণ তার বক্তব্য নিতে গেলে বলেন যে, আমি আমার ইউনিয়ন সুবিন মাদ্রাসার সুপার হিসেবে কর্মরত আছি ১০ নং দক্ষিণ গুনাইঘর ইউনিয়ন কাজী হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছি আমি কোন সাংবাদিকদের কাছে তথ্য দিতে বাধ্য না।প্রয়োজন হলে কর্তৃপক্ষ অথবা কাজী সমিতির কাছে তথ্য প্রদান করব। গত ১৫-০৬-২০২৬ ইং তারিখে ০১৬০১- ৩৬৩৮৪৭ গত ১৬ -০৬-২০২৬ ০১৭১৪-৬৫৪২৪১ইং তারিখে এ দুইটি নাম্বার থেকে ফোন করে আমাকে বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি ও হুমকি দেওয়া হয়। এছাড়া বিভিন্ন মাধ্যমে পরিবারের সদস্যদের প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে আমি জানতে পারি। কাজী নুরুল ইসলাম ও তার সহযোগীদের এই ধরনের আচরণের কারণে আমিও আমার পরিবার বর্তমানে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। এবং কি প্রাণনাসের আশঙ্কায়ও রয়েছি। আমি ও আমার পরিবার জান মালের নিরাপত্তার স্বার্থে গত ২০ -০৬- ২০২৬ ইং তারিখে কুমিল্লা জেলা দেবিদ্বার থানাধীন একটি সাধারণ ডায়েরী করি। এই ধরনের কাজির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য প্রশাসনের দৃষ্টি কামনা করছি।