সংবাদ শিরোনাম ::
সিলেটের ডিসি সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার দেশভাগ নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য মোদির মালয়েশিয়ার উদ্দেশে ঢাকা ছাড়লেন প্রধানমন্ত্রী তিস্তার স্রোতে ধসে গেল ১৪ লাখ টাকার বাঁশের পাইলিং, ঝুঁকিতে দ্বিতীয় তিস্তা সেতু “চাঁপাইনবাবগঞ্জে টাস্কফোর্সের অভিযান: ওয়ারড্রব থেকে হেরোইন-ইয়াবা-গাঁজাসহ নারী মাদক কারবারি আটক অনিয়মের বেড়াজালে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়: মন্ত্রী-সচিবের নির্দেশেও ঘুষ ছাড়া নড়ে না ফাইল স্পেনের প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রীর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা, পাসপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ অর্থনৈতিক সংকট সমাধানে দুই বছর লাগবে: অর্থমন্ত্রী ইরানের সঙ্গে চুক্তি করায় ইসরায়েলের তোপের মুখে ট্রাম্প বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে সুইডেন রাষ্ট্রদূতের বৈঠক

জামিন পেলেন অগ্রযাত্রা প্রতিদিনের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক রেজানুর

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচারের অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলায় গ্রেপ্তার ‘দৈনিক অগ্রযাত্রা প্রতিদিন’ পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক রেজানুর ইসলাম (৪০) জামিন পেয়েছেন।

রবিবার (২১ জুন) বেলা পৌনে ১২টায় বগুড়ার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টের সদর আমলি আদালতের বিচারক মেহেদী হাসান তার জামিন মঞ্জুর করেন।

আসামিপক্ষের আইনজীবী তানজিম আল মিসবাহ জামিনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, মূলত একটি ভুল বোঝাবুঝির জেরে এই মামলাটি দায়ের হয়েছিল। উভয় পক্ষই বিষয়টি বুঝতে পেরেছেন এবং খুব শীঘ্রই হয়তো বিষয়টি নিজেদের মধ্যে আপস-মীমাংসার মাধ্যমে নিষ্পত্তি হয়ে যাবে।

গত বৃহস্পতিবার রাতে গাজীপুরের গাছা থানার বোর্ডবাজার এলাকা থেকে বগুড়া জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ রেজানুর ইসলামকে গ্রেপ্তার করে।

পরদিন শুক্রবার (১৯ জুন) আদালতের মাধ্যমে তাকে বগুড়া জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছিল।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য ও প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমকে নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনকে কেন্দ্র করে গত ১৭ জুন বগুড়া সদর থানায় মামলাটি দায়ের করেন বগুড়া প্রেসক্লাবের কোষাধ্যক্ষ তানভীর আলম রিমন। মামলায় পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশকসহ ছয়জনকে আসামি করা হয়। পরে সদর থানা মামলাটি সাইবার সুরক্ষা আইন, ২০২৬-এর বিভিন্ন ধারায় রেকর্ড করে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয় ডিবি পুলিশকে।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন—দৈনিক অগ্রযাত্রা প্রতিদিনের প্রকাশক ও সম্পাদক মেহেদী হাসান, বার্তা সম্পাদক আশরাফ আলী ফারুকী, প্রতিবেদক সালেহ কায়সার, বগুড়া প্রতিনিধি মো. শামস ও জেলা প্রতিনিধি সাব্বির হাসান।

মামলায় বাদী উল্লেখ করেন, গত ১২ জুন বগুড়া প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্যকে বিকৃতভাবে উপস্থাপন করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্ট দেওয়া হয়। এ ছাড়া গত ১৩ জুন প্রধানমন্ত্রীর জেলা সফরকে কেন্দ্র করে প্রতিমন্ত্রীকে জড়িয়ে উস্কানিমূলক ও মানহানিকর মন্তব্য ছড়ানো হয়। কোনো নির্ভরযোগ্য তথ্য-প্রমাণ ছাড়াই উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এসব তথ্য প্রচার করে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সামাজিক ও রাজনৈতিক সুনাম ক্ষুণ্ন করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সিলেটের ডিসি সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার

জামিন পেলেন অগ্রযাত্রা প্রতিদিনের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক রেজানুর

আপডেট সময় ০১:০৪:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচারের অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলায় গ্রেপ্তার ‘দৈনিক অগ্রযাত্রা প্রতিদিন’ পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক রেজানুর ইসলাম (৪০) জামিন পেয়েছেন।

রবিবার (২১ জুন) বেলা পৌনে ১২টায় বগুড়ার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টের সদর আমলি আদালতের বিচারক মেহেদী হাসান তার জামিন মঞ্জুর করেন।

আসামিপক্ষের আইনজীবী তানজিম আল মিসবাহ জামিনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, মূলত একটি ভুল বোঝাবুঝির জেরে এই মামলাটি দায়ের হয়েছিল। উভয় পক্ষই বিষয়টি বুঝতে পেরেছেন এবং খুব শীঘ্রই হয়তো বিষয়টি নিজেদের মধ্যে আপস-মীমাংসার মাধ্যমে নিষ্পত্তি হয়ে যাবে।

গত বৃহস্পতিবার রাতে গাজীপুরের গাছা থানার বোর্ডবাজার এলাকা থেকে বগুড়া জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ রেজানুর ইসলামকে গ্রেপ্তার করে।

পরদিন শুক্রবার (১৯ জুন) আদালতের মাধ্যমে তাকে বগুড়া জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছিল।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য ও প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমকে নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনকে কেন্দ্র করে গত ১৭ জুন বগুড়া সদর থানায় মামলাটি দায়ের করেন বগুড়া প্রেসক্লাবের কোষাধ্যক্ষ তানভীর আলম রিমন। মামলায় পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশকসহ ছয়জনকে আসামি করা হয়। পরে সদর থানা মামলাটি সাইবার সুরক্ষা আইন, ২০২৬-এর বিভিন্ন ধারায় রেকর্ড করে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয় ডিবি পুলিশকে।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন—দৈনিক অগ্রযাত্রা প্রতিদিনের প্রকাশক ও সম্পাদক মেহেদী হাসান, বার্তা সম্পাদক আশরাফ আলী ফারুকী, প্রতিবেদক সালেহ কায়সার, বগুড়া প্রতিনিধি মো. শামস ও জেলা প্রতিনিধি সাব্বির হাসান।

মামলায় বাদী উল্লেখ করেন, গত ১২ জুন বগুড়া প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্যকে বিকৃতভাবে উপস্থাপন করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্ট দেওয়া হয়। এ ছাড়া গত ১৩ জুন প্রধানমন্ত্রীর জেলা সফরকে কেন্দ্র করে প্রতিমন্ত্রীকে জড়িয়ে উস্কানিমূলক ও মানহানিকর মন্তব্য ছড়ানো হয়। কোনো নির্ভরযোগ্য তথ্য-প্রমাণ ছাড়াই উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এসব তথ্য প্রচার করে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সামাজিক ও রাজনৈতিক সুনাম ক্ষুণ্ন করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়।