ঢাকা ০৪:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
যুক্তরাষ্ট্রে ৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্প শিক্ষা-স্বাস্থ্য ও জ্বালানি খাতকে স্বনির্ভর করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে : প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের এক সিদ্ধান্তে মহাবিপদে ভারত তরুণীর পেট থেকে বের হলো ৪ হাজার ১০০ পিস ইয়াবা গণঅভ্যুত্থান ছিল ১৭ বছরের ধারাবাহিক আন্দোলনের ফসল : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জুলাই বিপ্লবের স্মরণে একমঞ্চে জামায়াত ও তরুণ নেতৃবৃন্দ: জাতীয় ঐক্যের বার্তা কসবায় ২৬৪ কেজি গাঁজা উদ্ধার, আটক ১ টুঙ্গিপাড়ায় জলাবদ্ধতায় এক গ্রামের শতাধিক পরিবার পানিবন্দী ১৫ দিনের ছুটি নিয়ে ২২ দিন পর কর্মস্থলে ফিরলেন প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা শেয়ারবাজারে বন্ধ কোম্পানির সংখ্যা বেড়ে ৩৫

ঢাকা কলেজের কর্মচারী মনিরের বিপুল সম্পদ

ঢাকা কলেজের কর্মচারী মনিরুজ্জামান মনিরের বিরুদ্ধে তার পরিচিত আয়-উৎসের তুলনায় বিপুল পরিমাণ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা ও অভিযোগকারীদের দাবি, তিনি এবং তার পরিবারের সদস্যদের নামে বিভিন্ন স্থানে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ রয়েছে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি এবং এ বিষয়ে এখনো কোনো সরকারি তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়নি।

অভিযোগকারীদের ভাষ্য অনুযায়ী, রাজধানীর কালশী এলাকায় একটি বহুতল ভবনে একাধিক ফ্ল্যাটের সঙ্গে মনির বা তার পরিবারের সম্পৃক্ততা রয়েছে বলে দাবি করা হয়। এছাড়া মোহাম্মদপুরের শিয়া মসজিদ-সংলগ্ন এলাকায় প্রায় ১,৭৮০ বর্গফুট আয়তনের একটি ফ্ল্যাটের মালিকানা নিয়েও স্থানীয়ভাবে আলোচনা রয়েছে। তবে এসব সম্পত্তির মালিকানা-সংক্রান্ত নথি প্রতিবেদকের পক্ষে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

অভিযোগকারীদের আরও দাবি, ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় তার বা তার পরিবারের সদস্যদের নামে কিংবা বেনামে আরও সম্পদ থাকতে পারে। তবে এ বিষয়ে কোনো সরকারি তথ্য বা নথি পাওয়া যায়নি। ব্যাংক হিসাব সম্পর্কেও বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগকারীদের ভাষ্য অনুযায়ী, তার প্রথম স্ত্রীর নামে বিভিন্ন ব্যাংকে সঞ্চয়পত্র, এফডিআর ও অন্যান্য আমানত হিসেবে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থ রয়েছে। তবে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য পাওয়া যায়নি।

নিজ জেলা চুয়াডাঙ্গাতেও তার সম্পদ থাকার অভিযোগ করেছেন কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা। তাদের দাবি, শহরের মুসলিমপাড়ায় প্রায় ১৪ কাঠা জমির ওপর একটি বাগানবাড়ি রয়েছে। এছাড়া লিনার মোড় এলাকায় উল্লেখযোগ্য মূল্যের একটি সম্পত্তির সঙ্গেও তার নাম জড়িত বলে অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয়দের একটি অংশের দাবি, তার দ্বিতীয় স্ত্রীর নামে শহরে একটি চারতলা ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। তবে এসব তথ্যও স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

এদিকে মনিরুজ্জামান মনিরের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং ব্যক্তিগত আচরণসংক্রান্ত আরও কিছু অভিযোগ স্থানীয়ভাবে প্রচলিত রয়েছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে কোনো আদালতের রায়, সরকারি তদন্ত প্রতিবেদন বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত পাওয়া যায়নি।

স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা ও অভিযোগকারী বিষয়গুলো তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। তাদের মতে, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ প্রয়োজন মনে করলে সম্পদের উৎস, ব্যাংক হিসাব, জমি ও ফ্ল্যাটের মালিকানা এবং অন্যান্য অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে পারে। প্রতিবেদন প্রকাশ পর্যন্ত মনিরুজ্জামান মনিরের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করা হবে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

যুক্তরাষ্ট্রে ৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্প

ঢাকা কলেজের কর্মচারী মনিরের বিপুল সম্পদ

আপডেট সময় ১২:২১:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ জুন ২০২৬

ঢাকা কলেজের কর্মচারী মনিরুজ্জামান মনিরের বিরুদ্ধে তার পরিচিত আয়-উৎসের তুলনায় বিপুল পরিমাণ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা ও অভিযোগকারীদের দাবি, তিনি এবং তার পরিবারের সদস্যদের নামে বিভিন্ন স্থানে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ রয়েছে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি এবং এ বিষয়ে এখনো কোনো সরকারি তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়নি।

অভিযোগকারীদের ভাষ্য অনুযায়ী, রাজধানীর কালশী এলাকায় একটি বহুতল ভবনে একাধিক ফ্ল্যাটের সঙ্গে মনির বা তার পরিবারের সম্পৃক্ততা রয়েছে বলে দাবি করা হয়। এছাড়া মোহাম্মদপুরের শিয়া মসজিদ-সংলগ্ন এলাকায় প্রায় ১,৭৮০ বর্গফুট আয়তনের একটি ফ্ল্যাটের মালিকানা নিয়েও স্থানীয়ভাবে আলোচনা রয়েছে। তবে এসব সম্পত্তির মালিকানা-সংক্রান্ত নথি প্রতিবেদকের পক্ষে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

অভিযোগকারীদের আরও দাবি, ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় তার বা তার পরিবারের সদস্যদের নামে কিংবা বেনামে আরও সম্পদ থাকতে পারে। তবে এ বিষয়ে কোনো সরকারি তথ্য বা নথি পাওয়া যায়নি। ব্যাংক হিসাব সম্পর্কেও বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগকারীদের ভাষ্য অনুযায়ী, তার প্রথম স্ত্রীর নামে বিভিন্ন ব্যাংকে সঞ্চয়পত্র, এফডিআর ও অন্যান্য আমানত হিসেবে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থ রয়েছে। তবে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য পাওয়া যায়নি।

নিজ জেলা চুয়াডাঙ্গাতেও তার সম্পদ থাকার অভিযোগ করেছেন কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা। তাদের দাবি, শহরের মুসলিমপাড়ায় প্রায় ১৪ কাঠা জমির ওপর একটি বাগানবাড়ি রয়েছে। এছাড়া লিনার মোড় এলাকায় উল্লেখযোগ্য মূল্যের একটি সম্পত্তির সঙ্গেও তার নাম জড়িত বলে অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয়দের একটি অংশের দাবি, তার দ্বিতীয় স্ত্রীর নামে শহরে একটি চারতলা ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। তবে এসব তথ্যও স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

এদিকে মনিরুজ্জামান মনিরের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং ব্যক্তিগত আচরণসংক্রান্ত আরও কিছু অভিযোগ স্থানীয়ভাবে প্রচলিত রয়েছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে কোনো আদালতের রায়, সরকারি তদন্ত প্রতিবেদন বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত পাওয়া যায়নি।

স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা ও অভিযোগকারী বিষয়গুলো তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। তাদের মতে, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ প্রয়োজন মনে করলে সম্পদের উৎস, ব্যাংক হিসাব, জমি ও ফ্ল্যাটের মালিকানা এবং অন্যান্য অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে পারে। প্রতিবেদন প্রকাশ পর্যন্ত মনিরুজ্জামান মনিরের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করা হবে।