ঢাকা ০২:১৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
প্রধানমন্ত্রীকে অনুসরণ করে সরকারি গাড়ি নেননি ১৫ প্রতিমন্ত্রী-উপদেষ্টা রাষ্ট্রপতি পদে অলি আহমদের মনোনয়ন দুটি কেন? গোয়াইনঘাটে বিএনপি নেতা স্বপন-মান্নানের থাবায় তছনছ পিয়াইন নদী ধামরাইয়ে ‘ফ্যামিলি কার্ডের নামে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ মহিলা দল সভাপতির বিরুদ্ধে রাজশাহী বিভাগের নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী কালিহাতীতে জসিম খানের নিজ অর্থায়নে গাছের চারা বিতরণ নওগাঁয় মেয়েকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে বাবা গ্রেপ্তার, কারাগারে প্রেরণ প্রেসক্লাব গংগাচড়ার সাংবাদিকদের সঙ্গে এমপির মতবিনিময়  ফরিদপুরে ছেঁড়া-ফাটা ও অতি পুরাতন টাকায় চরম ভোগান্তি  শাহরাস্তিতে দিনব্যাপী সাংবাদিকতা প্রশিক্ষণ কর্মশালা সম্পন্ন

ভাতের মাড়ে’ দিন কাটানো পরিবারে মানবিক সহায়তা, পাশে প্রতিমন্ত্রী পুতুল

নাটোরের লালপুর উপজেলার নবীনগর গ্রামের এক অসহায় পরিবারের করুণ জীবনসংগ্রামের খবর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর মানবিক সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ও স্থানীয় সংসদ সদস্য ফারজানা শারমিন পুতুল।

চরম অভাব-অনটনের মধ্যে দিন কাটছে ভ্যানচালক রেজাউল করিমের পরিবারের। পরিবারটিতে বাবা-মাসহ সদস্য সংখ্যা আটজন। প্রথমে এক কন্যা সন্তানের জন্মের পর তাদের ঘর আলো করে আসে আরও তিন জমজ কন্যা সন্তান। সীমিত আয়ের কারণে পরিবারের সদস্যদের ন্যূনতম খাবারের চাহিদা পূরণ করাও হয়ে পড়ে কঠিন। এমন পরিস্থিতিতে সন্তানদের ক্ষুধা নিবারণে “ভাতের মাড়” খাওয়ানোর হৃদয়বিদারক ঘটনা প্রকাশ্যে এলে তা এলাকায় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয় এবং নাড়া দেয় মানুষের হৃদয়কে।

ঘটনাটি প্রতিমন্ত্রী পুতুলের নজরে আসার পর তিনি তাৎক্ষণিকভাবে পরিবারটির পাশে দাঁড়ানোর নির্দেশ দেন। শনিবার (২৩ মে) রাত সাড়ে ৮টার দিকে প্রতিমন্ত্রীর পক্ষ থেকে তার এপিএস আব্দুস সালাম অসহায় পরিবারটির হাতে নগদ অর্থ সহায়তা তুলে দেন এবং ভবিষ্যতেও পাশে থাকার আশ্বাস প্রদান করেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, তাৎক্ষণিক সহায়তার পাশাপাশি পরিবারটির দীর্ঘমেয়াদি পুনর্বাসনের বিষয়েও খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে, যাতে তারা স্থায়ীভাবে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারে এবং শিশু সন্তানদের সুষ্ঠু জীবনযাপন নিশ্চিত হয়।

প্রতিমন্ত্রীর এপিএস আব্দুস সালাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, পরিবারের দুর্দশার কথা জানতে পেরে প্রতিমন্ত্রী দ্রুত সহযোগিতার নির্দেশ দেন। তার নির্দেশনায় নগদ অর্থ সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হয়েছে এবং পরিবারটির পাশে থাকার বার্তাও পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।

এ সময় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও এলাকাবাসী প্রতিমন্ত্রীর এমন মানবিক উদ্যোগের প্রশংসা করেন। তারা বলেন, একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে সাধারণ মানুষের দুঃখ-দুর্দশায় পাশে দাঁড়িয়ে প্রতিমন্ত্রী পুতুল মানবিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।

সহযোগিতা পেয়ে আবেগাপ্লুত পরিবারটির সদস্যরা প্রতিমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, “আমাদের কষ্টের কথা শুনে দ্রুত সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। এই সহমর্মিতা আমরা কখনো ভুলবো না। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, সমাজের বিত্তবান ও সচেতন মানুষও এ ধরনের অসহায় পরিবারের পাশে এগিয়ে এসে মানবিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করবেন।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রধানমন্ত্রীকে অনুসরণ করে সরকারি গাড়ি নেননি ১৫ প্রতিমন্ত্রী-উপদেষ্টা

ভাতের মাড়ে’ দিন কাটানো পরিবারে মানবিক সহায়তা, পাশে প্রতিমন্ত্রী পুতুল

আপডেট সময় ০৮:১৩:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ মে ২০২৬

নাটোরের লালপুর উপজেলার নবীনগর গ্রামের এক অসহায় পরিবারের করুণ জীবনসংগ্রামের খবর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর মানবিক সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ও স্থানীয় সংসদ সদস্য ফারজানা শারমিন পুতুল।

চরম অভাব-অনটনের মধ্যে দিন কাটছে ভ্যানচালক রেজাউল করিমের পরিবারের। পরিবারটিতে বাবা-মাসহ সদস্য সংখ্যা আটজন। প্রথমে এক কন্যা সন্তানের জন্মের পর তাদের ঘর আলো করে আসে আরও তিন জমজ কন্যা সন্তান। সীমিত আয়ের কারণে পরিবারের সদস্যদের ন্যূনতম খাবারের চাহিদা পূরণ করাও হয়ে পড়ে কঠিন। এমন পরিস্থিতিতে সন্তানদের ক্ষুধা নিবারণে “ভাতের মাড়” খাওয়ানোর হৃদয়বিদারক ঘটনা প্রকাশ্যে এলে তা এলাকায় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয় এবং নাড়া দেয় মানুষের হৃদয়কে।

ঘটনাটি প্রতিমন্ত্রী পুতুলের নজরে আসার পর তিনি তাৎক্ষণিকভাবে পরিবারটির পাশে দাঁড়ানোর নির্দেশ দেন। শনিবার (২৩ মে) রাত সাড়ে ৮টার দিকে প্রতিমন্ত্রীর পক্ষ থেকে তার এপিএস আব্দুস সালাম অসহায় পরিবারটির হাতে নগদ অর্থ সহায়তা তুলে দেন এবং ভবিষ্যতেও পাশে থাকার আশ্বাস প্রদান করেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, তাৎক্ষণিক সহায়তার পাশাপাশি পরিবারটির দীর্ঘমেয়াদি পুনর্বাসনের বিষয়েও খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে, যাতে তারা স্থায়ীভাবে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারে এবং শিশু সন্তানদের সুষ্ঠু জীবনযাপন নিশ্চিত হয়।

প্রতিমন্ত্রীর এপিএস আব্দুস সালাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, পরিবারের দুর্দশার কথা জানতে পেরে প্রতিমন্ত্রী দ্রুত সহযোগিতার নির্দেশ দেন। তার নির্দেশনায় নগদ অর্থ সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হয়েছে এবং পরিবারটির পাশে থাকার বার্তাও পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।

এ সময় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও এলাকাবাসী প্রতিমন্ত্রীর এমন মানবিক উদ্যোগের প্রশংসা করেন। তারা বলেন, একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে সাধারণ মানুষের দুঃখ-দুর্দশায় পাশে দাঁড়িয়ে প্রতিমন্ত্রী পুতুল মানবিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।

সহযোগিতা পেয়ে আবেগাপ্লুত পরিবারটির সদস্যরা প্রতিমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, “আমাদের কষ্টের কথা শুনে দ্রুত সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। এই সহমর্মিতা আমরা কখনো ভুলবো না। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, সমাজের বিত্তবান ও সচেতন মানুষও এ ধরনের অসহায় পরিবারের পাশে এগিয়ে এসে মানবিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করবেন।