ঢাকা ০৪:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
প্রধানমন্ত্রীকে অনুসরণ করে সরকারি গাড়ি নেননি ১৫ প্রতিমন্ত্রী-উপদেষ্টা রাষ্ট্রপতি পদে অলি আহমদের মনোনয়ন দুটি কেন? গোয়াইনঘাটে বিএনপি নেতা স্বপন-মান্নানের থাবায় তছনছ পিয়াইন নদী ধামরাইয়ে ‘ফ্যামিলি কার্ডের নামে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ মহিলা দল সভাপতির বিরুদ্ধে রাজশাহী বিভাগের নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী কালিহাতীতে জসিম খানের নিজ অর্থায়নে গাছের চারা বিতরণ নওগাঁয় মেয়েকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে বাবা গ্রেপ্তার, কারাগারে প্রেরণ প্রেসক্লাব গংগাচড়ার সাংবাদিকদের সঙ্গে এমপির মতবিনিময়  ফরিদপুরে ছেঁড়া-ফাটা ও অতি পুরাতন টাকায় চরম ভোগান্তি  শাহরাস্তিতে দিনব্যাপী সাংবাদিকতা প্রশিক্ষণ কর্মশালা সম্পন্ন

নওগাঁয় আদালতের গুরুত্বপূর্ণ নথি চুরি ডিবির অভিযানে উদ্ধার, কর্মচারী’সহ গ্রেফতার-৪

নওগাঁর যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ আদালত-২ থেকে রায়ের অপেক্ষমাণ একটি গুরুত্বপূর্ণ মামলার নথি চুরির ঘটনায় আদালতের কর্মচারী, মুহুরী ও উমেদারসহ চারজনকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। এসময় চুরি হওয়া মামলার নথিও উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে,গত (২১ মে) সন্ধ্যায় নওগাঁর জেলা ও দায়রা জজ বিষয়টি পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলামকে অবহিত করেন। তিনি জানান, যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ আদালত-২ এর দায়রা মামলা নং-৯০৪/২০২২ এর রায় ঘোষণার আগেই মামলার গুরুত্বপূর্ণ নথি চুরি হয়ে যায়।
একই সঙ্গে একটি অজ্ঞাত নম্বর থেকে আদালতের এক কর্মচারীর কাছে ফোন করে নথি ফেরত দেওয়ার বিনিময়ে ৩০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করা হয়।
ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনায় নিয়ে নওগাঁ জেলা পুলিশ সুপার জেলা গোয়েন্দা শাখাকে দ্রুত জড়িতদের শনাক্ত ও নথি উদ্ধারের নির্দেশ দেন। পরে ডিবির একটি চৌকস দল তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তদন্ত শুরু করে।
তদন্তের একপর্যায়ে রাজশাহীর বাগমারা ও নওগাঁ সদর উপজেলার শৈলগাছী ইউনিয়নের সিংবাচা বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে এস এম আকাশ (২৬) নামে এক যুবককে গ্রেফতার করা হয়। তিনি নওগাঁ সদর উপজেলার সিংবাচা গ্রামের আনোয়ার হোসেনের ছেলে বলে জানা গেছে।
ডিবির জিজ্ঞাসাবাদে আকাশ তার বাড়ির আঙিনায় খড়ের পালার ভেতর লুকিয়ে রাখা মামলার নথি বের করে দেয়। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে নওগাঁ সদর ও আদমদীঘি এলাকায় অভিযান চালিয়ে আরও তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন, নওগাঁ যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ আদালত-২ এর পিয়ন পলাশ, সাপাহার সাব-জজ আদালতের পিয়ন আরিফ এবং আদালতের মুহুরী সবুজ (৪০)।
পুলিশ জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে এস এম আকাশ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে এবং আরও কয়েকজন অজ্ঞাত ব্যক্তির নাম উল্লেখ করেছে।
ঘটনার সঙ্গে আর কারা জড়িত এবং এর পেছনে কী উদ্দেশ্য রয়েছে তা উদঘাটনে তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রধানমন্ত্রীকে অনুসরণ করে সরকারি গাড়ি নেননি ১৫ প্রতিমন্ত্রী-উপদেষ্টা

নওগাঁয় আদালতের গুরুত্বপূর্ণ নথি চুরি ডিবির অভিযানে উদ্ধার, কর্মচারী’সহ গ্রেফতার-৪

আপডেট সময় ০১:৩৬:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ মে ২০২৬
নওগাঁর যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ আদালত-২ থেকে রায়ের অপেক্ষমাণ একটি গুরুত্বপূর্ণ মামলার নথি চুরির ঘটনায় আদালতের কর্মচারী, মুহুরী ও উমেদারসহ চারজনকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। এসময় চুরি হওয়া মামলার নথিও উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে,গত (২১ মে) সন্ধ্যায় নওগাঁর জেলা ও দায়রা জজ বিষয়টি পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলামকে অবহিত করেন। তিনি জানান, যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ আদালত-২ এর দায়রা মামলা নং-৯০৪/২০২২ এর রায় ঘোষণার আগেই মামলার গুরুত্বপূর্ণ নথি চুরি হয়ে যায়।
একই সঙ্গে একটি অজ্ঞাত নম্বর থেকে আদালতের এক কর্মচারীর কাছে ফোন করে নথি ফেরত দেওয়ার বিনিময়ে ৩০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করা হয়।
ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনায় নিয়ে নওগাঁ জেলা পুলিশ সুপার জেলা গোয়েন্দা শাখাকে দ্রুত জড়িতদের শনাক্ত ও নথি উদ্ধারের নির্দেশ দেন। পরে ডিবির একটি চৌকস দল তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তদন্ত শুরু করে।
তদন্তের একপর্যায়ে রাজশাহীর বাগমারা ও নওগাঁ সদর উপজেলার শৈলগাছী ইউনিয়নের সিংবাচা বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে এস এম আকাশ (২৬) নামে এক যুবককে গ্রেফতার করা হয়। তিনি নওগাঁ সদর উপজেলার সিংবাচা গ্রামের আনোয়ার হোসেনের ছেলে বলে জানা গেছে।
ডিবির জিজ্ঞাসাবাদে আকাশ তার বাড়ির আঙিনায় খড়ের পালার ভেতর লুকিয়ে রাখা মামলার নথি বের করে দেয়। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে নওগাঁ সদর ও আদমদীঘি এলাকায় অভিযান চালিয়ে আরও তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন, নওগাঁ যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ আদালত-২ এর পিয়ন পলাশ, সাপাহার সাব-জজ আদালতের পিয়ন আরিফ এবং আদালতের মুহুরী সবুজ (৪০)।
পুলিশ জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে এস এম আকাশ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে এবং আরও কয়েকজন অজ্ঞাত ব্যক্তির নাম উল্লেখ করেছে।
ঘটনার সঙ্গে আর কারা জড়িত এবং এর পেছনে কী উদ্দেশ্য রয়েছে তা উদঘাটনে তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।