সংবাদ শিরোনাম ::
সানভিউ টাওয়ার্সের দখলবাজি: শতকোটি টাকার সরকারি জমি বেহাত মীর শাহে আলমের হাত ধরে বদলে যাচ্ছে শিবগঞ্জের সমাজ ও শিক্ষার মানচিত্র অ্যাভিয়েশন খাতে বিনিয়োগের আগ্রহ ব্রিটিশ সরকারের ১৫ বছরের কম বয়সীদের জন্য সামাজিক মাধ্যম নিষিদ্ধ করলো আমিরাত বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে পাকিস্তানের হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ বর্তমান সংসদের কোনো সদস্য ঋণখেলাপি নন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ নীলফামারীতে পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত, সম্মাননা দেয়া হলো তিনটি স্কুলকে আত্রাইয়ে ৫০ জাতের দেশীয় ফলের প্রদর্শনী নিয়ে ব্যতিক্রমী ফল উৎসব অনুষ্ঠিত নি’হ’ত নন্দিনীর বাড়িতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ছুটে গেলেন ত্রাণমন্ত্রী

নাটোরে সরকারি প্রাইমারি শিক্ষা ব্যবস্থা বেহাল দশা, শিক্ষক ব্যক্তিগত ব্যবসা নিয়ে ব্যস্ত

নাটোর জেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষা ব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙ্গে পরেছে। শিক্ষকরা তাদের বেতনের উপর ব্যাংক থেকে মোটা অংকের ২০/৩০ লক্ষ টাকা লোন নিয়ে স্কুলের  পড়ানো মনোযোগ  না দিয়  মনোহারির দোকান, কেহ বিকাশ, রকেট এজেন্ট, মাইক্রো গাড়ির ব্যবসা, সুদের ব্যবসা, অনলাইন ক্যাসিনো, জুয়া খেলা শুরু করেছে, অনেক শিক্ষক সর্বশান্ত হয়ে পথে বসেছে। মহিলা শিক্ষিকারা স্কুল টাইম স্মাটফোনে গেম খেলা নিয়ে ব্যস্ত, তাদের সন্তানদের কাপড় শুকানো, রান্নার রসুন পেয়াজ পরিস্কার সহ বিভিন্ন অকাজে সময় নষ্ট করে। নাটোর জেলার ৫২টি ইউনিয়ন ৮টি পৌরসভার জেলা উপজেলা শহরগুলোর একই চিত্র। সরকার জনগনের  টাকায় তাদের বেতন, বোনাস, পেনশন, প্রতি বছর বেতন বৃদ্ধি করছে, তাঁর পরেও তারা বিভিন্ন কাজে সময় অতিবাহিত করছে, মধ্যবৃত্ত ও নিম্নবৃত্ত দরিদ্র, হত দরিদ্র পরিবারের সন্তানরা প্রাইমারি স্কুলে পরাশোনা করে।
প্রতিটি প্রাইমারি স্কুল টিও, এটিওদের দায়িত্ব প্রতিমাসে পরিদর্শন করে শিক্ষার মান যাচাই, বাছাই করা, কিন্তু তারা প্রধান শিক্ষকদের মোবাইল ফোনে উপজেলা অফিসে ডেকে এনে পরিদর্শন খাতায় সহি স্বাক্ষর করে। স্থানীয় পকেট কমিটির মাধ্যমে স্কুল পরিচালনা করে। একই স্কুলে বছরের পর বছর চাকুরী
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস, নাটোর করার সুবাদে তারা কাউকে মানে না, শুধু হাজিরা খাতাতে স্বাক্ষর করে তারা ব্যক্তিগত কাজে ব্যস্ত হয়ে যায়। স্থানীয় ছাত্র/ছাত্রী অভিভাবকদর দাবি প্রতিটি স্কুলের শিক্ষকদের অন্য উপজেলায় বদলী করা হোক। টিও, এটিওর মাধ্যমে জেলা প্রাইমারি শিক্ষা অফিসার ডিপিও মোটার অংকের টাকা গ্রহণ করে কোন শিক্ষকদের বদলী করেনা। এমপি মন্ত্রীর তদবিরের মাধ্যমে বদলীর কাজ হয়। উ”চবৃত্তশালী-রা তাদের সন্তানদের বেসরকারি কেজি স্কুলে পরালেখা করাচ্ছে। টাকার অভাবে নিম্নবৃত্ত দরিদ্র ছেলেমেয়ে সরকারি প্রাইমারিতে পরাশোনা করে।
নিজ এলাকায় পোষ্টিং এর কারণে প্রাইমারি শিক্ষকরা ব্যক্তিগত ব্যবসা নিয়ে ব্যস্ত, শিক্ষাদানের নামে পুকুরচুরি হ”েছ নাটোরে। নিরবে নাকে শরিষার তেল দিয়ে ঘুমাচ্ছে নাটোর জেলা শিক্ষা অফিসার, টিও, এটিও। নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার জোয়াড়ী প্রাইমারি স্কুল, তিরাইল প্রাইমারি স্কুল, আহমেদপুর প্রাইমারি স্কুল, কামারদহ প্রাইমারি স্কুল, নোটাবাড়িয়া প্রাইমারি স্কুল, চাপিলা প্রাইমারি স্কুল, কৈডিমা প্রাইমারি স্কুল, কুমরুল প্রাইমারি স্কুল, রয়নাভরট প্রাইমারি স্কুল, বড়বাড়িয়া প্রাইমারি স্কুল, পার আটঘড়িয়া প্রাইমারি স্কুল, কানাইখালি জেলেপাড়া প্রাইমারি স্কুল, বড় হরিশপুর প্রাইমারি স্কুল, সিংড়া বিলদহর প্রাইমারি স্কুল, নলডাঙ্গা প্রাইমারি স্কুল, লালপুর প্রাইমারি স্কুল, বাগাতিপাড়া মালঞ্চি প্রাইমারি স্কুল, লালপুর ওয়ালিয়া প্রাইমারি স্কুল। প্রতিটি ব্যাংকে খোজ খবর নিরে জানা যায় প্রতিটি শিক্ষক ব্যাংকের কিছু অসৎ কর্মকর্তার যোগসাজসে ব্যাংক হতে লক্ষ লক্ষ টাকা লোন নিয়ে ব্যক্তিগত ব্যবসা করছে যার কারণে নিয়মিত স্কুলে যাচ্ছেনা দুর্নীতিবাজ শিক্ষকরা। বিগত সময় যেসকল শিক্ষক স্কুল জাতিয়করণ হয়েছে সেকল স্কুলের শিক্ষকরা বেপরোয়া
Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সানভিউ টাওয়ার্সের দখলবাজি: শতকোটি টাকার সরকারি জমি বেহাত

নাটোরে সরকারি প্রাইমারি শিক্ষা ব্যবস্থা বেহাল দশা, শিক্ষক ব্যক্তিগত ব্যবসা নিয়ে ব্যস্ত

আপডেট সময় ০২:১৯:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২৬
নাটোর জেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষা ব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙ্গে পরেছে। শিক্ষকরা তাদের বেতনের উপর ব্যাংক থেকে মোটা অংকের ২০/৩০ লক্ষ টাকা লোন নিয়ে স্কুলের  পড়ানো মনোযোগ  না দিয়  মনোহারির দোকান, কেহ বিকাশ, রকেট এজেন্ট, মাইক্রো গাড়ির ব্যবসা, সুদের ব্যবসা, অনলাইন ক্যাসিনো, জুয়া খেলা শুরু করেছে, অনেক শিক্ষক সর্বশান্ত হয়ে পথে বসেছে। মহিলা শিক্ষিকারা স্কুল টাইম স্মাটফোনে গেম খেলা নিয়ে ব্যস্ত, তাদের সন্তানদের কাপড় শুকানো, রান্নার রসুন পেয়াজ পরিস্কার সহ বিভিন্ন অকাজে সময় নষ্ট করে। নাটোর জেলার ৫২টি ইউনিয়ন ৮টি পৌরসভার জেলা উপজেলা শহরগুলোর একই চিত্র। সরকার জনগনের  টাকায় তাদের বেতন, বোনাস, পেনশন, প্রতি বছর বেতন বৃদ্ধি করছে, তাঁর পরেও তারা বিভিন্ন কাজে সময় অতিবাহিত করছে, মধ্যবৃত্ত ও নিম্নবৃত্ত দরিদ্র, হত দরিদ্র পরিবারের সন্তানরা প্রাইমারি স্কুলে পরাশোনা করে।
প্রতিটি প্রাইমারি স্কুল টিও, এটিওদের দায়িত্ব প্রতিমাসে পরিদর্শন করে শিক্ষার মান যাচাই, বাছাই করা, কিন্তু তারা প্রধান শিক্ষকদের মোবাইল ফোনে উপজেলা অফিসে ডেকে এনে পরিদর্শন খাতায় সহি স্বাক্ষর করে। স্থানীয় পকেট কমিটির মাধ্যমে স্কুল পরিচালনা করে। একই স্কুলে বছরের পর বছর চাকুরী
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস, নাটোর করার সুবাদে তারা কাউকে মানে না, শুধু হাজিরা খাতাতে স্বাক্ষর করে তারা ব্যক্তিগত কাজে ব্যস্ত হয়ে যায়। স্থানীয় ছাত্র/ছাত্রী অভিভাবকদর দাবি প্রতিটি স্কুলের শিক্ষকদের অন্য উপজেলায় বদলী করা হোক। টিও, এটিওর মাধ্যমে জেলা প্রাইমারি শিক্ষা অফিসার ডিপিও মোটার অংকের টাকা গ্রহণ করে কোন শিক্ষকদের বদলী করেনা। এমপি মন্ত্রীর তদবিরের মাধ্যমে বদলীর কাজ হয়। উ”চবৃত্তশালী-রা তাদের সন্তানদের বেসরকারি কেজি স্কুলে পরালেখা করাচ্ছে। টাকার অভাবে নিম্নবৃত্ত দরিদ্র ছেলেমেয়ে সরকারি প্রাইমারিতে পরাশোনা করে।
নিজ এলাকায় পোষ্টিং এর কারণে প্রাইমারি শিক্ষকরা ব্যক্তিগত ব্যবসা নিয়ে ব্যস্ত, শিক্ষাদানের নামে পুকুরচুরি হ”েছ নাটোরে। নিরবে নাকে শরিষার তেল দিয়ে ঘুমাচ্ছে নাটোর জেলা শিক্ষা অফিসার, টিও, এটিও। নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার জোয়াড়ী প্রাইমারি স্কুল, তিরাইল প্রাইমারি স্কুল, আহমেদপুর প্রাইমারি স্কুল, কামারদহ প্রাইমারি স্কুল, নোটাবাড়িয়া প্রাইমারি স্কুল, চাপিলা প্রাইমারি স্কুল, কৈডিমা প্রাইমারি স্কুল, কুমরুল প্রাইমারি স্কুল, রয়নাভরট প্রাইমারি স্কুল, বড়বাড়িয়া প্রাইমারি স্কুল, পার আটঘড়িয়া প্রাইমারি স্কুল, কানাইখালি জেলেপাড়া প্রাইমারি স্কুল, বড় হরিশপুর প্রাইমারি স্কুল, সিংড়া বিলদহর প্রাইমারি স্কুল, নলডাঙ্গা প্রাইমারি স্কুল, লালপুর প্রাইমারি স্কুল, বাগাতিপাড়া মালঞ্চি প্রাইমারি স্কুল, লালপুর ওয়ালিয়া প্রাইমারি স্কুল। প্রতিটি ব্যাংকে খোজ খবর নিরে জানা যায় প্রতিটি শিক্ষক ব্যাংকের কিছু অসৎ কর্মকর্তার যোগসাজসে ব্যাংক হতে লক্ষ লক্ষ টাকা লোন নিয়ে ব্যক্তিগত ব্যবসা করছে যার কারণে নিয়মিত স্কুলে যাচ্ছেনা দুর্নীতিবাজ শিক্ষকরা। বিগত সময় যেসকল শিক্ষক স্কুল জাতিয়করণ হয়েছে সেকল স্কুলের শিক্ষকরা বেপরোয়া