সংবাদ শিরোনাম ::
বড়লেখা হাজীগন্জ বাজার বনিক সমিতির সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দিতা করবেন ফখরুল ইসলাম পারুল প্রতিভা নয়, প্রভাবের জয়? নতুনকুঁড়ি স্পোর্টস বাছাইয়ে অনিয়মের অভিযোগ চাঁপাইনবাবগঞ্জের চৌকা সীমান্তে ২০ জনকে পুশইনের চেষ্টা ব্যর্থ ভূয়া ঠিকানায় রোহিঙ্গাদের জন্মসনদ-এনআইডি সংগ্রহের অভিযোগ, বোরহানউদ্দিনে দালালচক্রের তৎপরতায় জনমনে উদ্বেগ নীলফামারী সদর থানায় কম্পিউটার সংকট: ডিজিটাল যুগেও ভরসা বাইরের টাইপিস্ট রাণীনগর-আত্রাই আঞ্চলিক মহাসড়কে মোটরসাইকেল ডাকাতির চেষ্টায় আটক-৩ পটুয়াখালীতে ৫ বছরেও শেষ হয়নি ব্রিজের এপ্রোজ সড়ক, দুর্ভোগে ৮ গ্রামের ১০ হাজার মানুষ বাঙ্গরায় ই’য়াবাসহ ‘রূপালি’ নামের এক নারী মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার ফেনীর পরশুরামে ১১৭ বোতল ভারতীয় হুইস্কি উদ্ধার, আটক ২ ফেনীতে গলদা চিংড়িতে জেলি পুশ, আড়ৎ মালিককে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা

এআই প্রযুক্তিতে সাংবাদিক মুন্নার ছবি বিকৃত করে অপপ্রচার: চট্টগ্রামে মামলা, তদন্তে পিবিআই

কক্সবাজারে দৈনিক প্রতিদিনের কাগজের স্টাফ রিপোর্টার মনসুর আলম মুন্নার ছবি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি ব্যবহার করে বিকৃত ও কুরুচিপূর্ণভাবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে চট্টগ্রাম সাইবার ট্রাইব্যুনালে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। আদালতের মামলা নং-২০৭,
আজ মঙ্গলবার (১৩ মে) দায়ের করা মামলাটি আমলে নিয়ে আদালত ঘটনার সত্যতা ও কারিগরি দিক নিবিড়ভাবে তদন্তের জন্য কক্সবাজার পিবিআইকে সংশ্লিষ্ট ডিভাইস জব্দসহ প্রয়োজনীয় তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, সাংবাদিক মনসুর আলম মুন্না দীর্ঘ এক যুগ ধরে কক্সবাজার অঞ্চলে মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে ধারাবাহিকভাবে সংবাদ প্রকাশ করে আসছেন। এর জেরে একটি মাদকচক্র তার বিরুদ্ধে ক্ষুব্ধ হয়ে সাইবার অপরাধীদের মাধ্যমে পরিকল্পিত অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
এতে আরও বলা হয়, পরস্পর যোগসাজশে আধুনিক এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে সাংবাদিক মনসুর আলম মুন্নার বিকৃত, আপত্তিকর ও অশ্লীল ছবি তৈরি করা হয়। পরে সেসব ছবি ফেসবুকের বিভিন্ন পেজ, মোঃ আনিসুর রহমান ও মোঃ শহিদুল ইসলামের ব্যক্তিগত আইডিসহ একাধিক আইডি থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়ে তার সামাজিক ও পেশাগত সুনাম ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করা হয়।
মামলায় ১৫ জনকে আসামি করা হয়েছে। পাশাপাশি অজ্ঞাতনামা আরও ৭ থেকে ৮ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।

আসামিদের মধ্যে রয়েছেন ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা উপজেলার মহেশপুর এলাকার বাসিন্দা আনিসুর রহমান এবং ফরিদপুরের ভাঙ্গা থানা এলাকার নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতা মো. শহিদুল ইসলামসহ ১৫ জন।
বাদীপক্ষের দাবি, এ ধরনের অপপ্রচার শুধু ব্যক্তিগত মানহানিই নয়, বরং স্বাধীন সাংবাদিকতার ওপর সরাসরি হুমকি। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন তারা।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বড়লেখা হাজীগন্জ বাজার বনিক সমিতির সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দিতা করবেন ফখরুল ইসলাম পারুল

এআই প্রযুক্তিতে সাংবাদিক মুন্নার ছবি বিকৃত করে অপপ্রচার: চট্টগ্রামে মামলা, তদন্তে পিবিআই

আপডেট সময় ১১:০৯:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬

কক্সবাজারে দৈনিক প্রতিদিনের কাগজের স্টাফ রিপোর্টার মনসুর আলম মুন্নার ছবি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি ব্যবহার করে বিকৃত ও কুরুচিপূর্ণভাবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে চট্টগ্রাম সাইবার ট্রাইব্যুনালে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। আদালতের মামলা নং-২০৭,
আজ মঙ্গলবার (১৩ মে) দায়ের করা মামলাটি আমলে নিয়ে আদালত ঘটনার সত্যতা ও কারিগরি দিক নিবিড়ভাবে তদন্তের জন্য কক্সবাজার পিবিআইকে সংশ্লিষ্ট ডিভাইস জব্দসহ প্রয়োজনীয় তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, সাংবাদিক মনসুর আলম মুন্না দীর্ঘ এক যুগ ধরে কক্সবাজার অঞ্চলে মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে ধারাবাহিকভাবে সংবাদ প্রকাশ করে আসছেন। এর জেরে একটি মাদকচক্র তার বিরুদ্ধে ক্ষুব্ধ হয়ে সাইবার অপরাধীদের মাধ্যমে পরিকল্পিত অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
এতে আরও বলা হয়, পরস্পর যোগসাজশে আধুনিক এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে সাংবাদিক মনসুর আলম মুন্নার বিকৃত, আপত্তিকর ও অশ্লীল ছবি তৈরি করা হয়। পরে সেসব ছবি ফেসবুকের বিভিন্ন পেজ, মোঃ আনিসুর রহমান ও মোঃ শহিদুল ইসলামের ব্যক্তিগত আইডিসহ একাধিক আইডি থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়ে তার সামাজিক ও পেশাগত সুনাম ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করা হয়।
মামলায় ১৫ জনকে আসামি করা হয়েছে। পাশাপাশি অজ্ঞাতনামা আরও ৭ থেকে ৮ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।

আসামিদের মধ্যে রয়েছেন ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা উপজেলার মহেশপুর এলাকার বাসিন্দা আনিসুর রহমান এবং ফরিদপুরের ভাঙ্গা থানা এলাকার নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতা মো. শহিদুল ইসলামসহ ১৫ জন।
বাদীপক্ষের দাবি, এ ধরনের অপপ্রচার শুধু ব্যক্তিগত মানহানিই নয়, বরং স্বাধীন সাংবাদিকতার ওপর সরাসরি হুমকি। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন তারা।