সংবাদ শিরোনাম ::
আগস্টে ঢাকা-পাবনা সরাসরি ট্রেন চালু হচ্ছে: রেলমন্ত্রী কুলির চরিত্রে পর্দায় ফিরছেন ওমর সানী প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফর নিয়ে উসকানির আভাস পাচ্ছি : রিজভী গ্যালারিতে বসে দেশসেরা খুদে ফুটবলারদের খেলা দেখছেন প্রধানমন্ত্রী নওগাঁ টেলিভিশন জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাচন কমিশন গঠন সভা অনুষ্ঠিত মুকসুদপুরে জাল নোট প্রচলন প্রতিরোধে জন সচেতনতা বৃদ্ধিমুলক ওয়ার্কসপ কিশোর নিবিরের প্রেমের বিয়ে, ৮ মাস পর রহস্যজনক মৃত্যু  কোটালীপাড়ায় নিবন্ধিত জেলেদের মাঝে বকনা বাছুর বিতরণ দৈনিক আমাদের মাতৃভূমির চট্টগ্রাম ব্যুরো চিফ মুরাদকে অব্যাহতি তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের দাবিতে গঙ্গাচড়ায় হাজারো মানুষের মানববন্ধন

চুনারুঘাটে সড়কের উপর ধান-খড় শুকানোর মহোৎসব,দুর্ঘটনার ঝুঁকিতে চালক ও পথচারী

হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার সতং রোডে সড়কের উপর ধান মাড়াই, খড় শুকানো এবং ধানের বস্তা স্তূপ করে রাখার কারণে জনদুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। রাস্তার অর্ধেকের বেশি অংশ দখল করে কৃষকদের এই ‘ধানী উৎসবে’র ফলে যান চলাচল ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি প্রতিনিয়ত ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা। ​সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ এই সতং রোডের বিভিন্ন অংশে রাস্তার মাঝখানে মাড়াই কল বসিয়ে ধান ভাঙ্গানো। কোথাও ধান শুকানোর জন্য বিছিয়ে রাখা হয়েছে, আবার কোথাও বড় বড় ধানের বস্তা ও খড়ের স্তূপ করে রাখা হয়েছে। ফলে সরু এই রাস্তায় দুটি গাড়ি একে অপরকে পাশ কাটানো অসম্ভব হয়ে পড়েছে। অনেক ক্ষেত্রে গাড়ি থামিয়ে অপেক্ষা করতে হচ্ছে দীর্ঘক্ষণ। ​স্থানীয় পথচারী ও চালকদের অভিযোগ, রোদ থাকলে ধুলোবালি আর খড়ের ওড়াউড়ি চোখে পড়ে, কিন্তু বিপত্তি বাড়ে সামান্য বৃষ্টি হলেই। বৃষ্টির পানিতে রাস্তায় পড়ে থাকা খড় ও ধানের কুঁড়া পচে এক ধরনের পিচ্ছিল আস্তরণ তৈরি হয়। এর ফলে,​মোটরসাইকেল ও অটোরিকশা চাকা পিছলে প্রায়ই খাদে পড়ে যাচ্ছে। ​ব্রেক ধরলে চাকা স্কিড করে বড় ধরনের বাইক দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন চালকরা। ​রাস্তা পিচ্ছিল হওয়ায় বয়স্ক ও শিশুদের হেঁটে চলাচলেও চরম অসুবিধা হচ্ছে। রাস্তায় খড় বিছিয়ে রাখায় আমরা ঠিকমতো গাড়ি চালাতে পারছি না। তার উপর ধান পচে রাস্তা এমন পিচ্ছিল হয় যে, সামান্য ব্রেক করলেই বাইক নিয়ে ছিটকে পড়তে হয়। বাড়িতে নেয়ার তাড়া নেই কারো, সবাই রাস্তাকেই উঠান বানিয়ে ফেলেছে। একজন ভুক্তভোগী মোটরসাইকেল চালক
​প্রতিকারের দাবি ​এলাকাবাসীর মতে, কৃষকরা বাড়িতে জায়গা থাকা সত্ত্বেও আলসেমি করে বা খড় পচানোর উদ্দেশ্যে রাস্তার উপর ফেলে রাখছেন। সরকারি রাস্তায় এভাবে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা আইনত দণ্ডনীয় হলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তেমন কোনো নজরদারি দেখা যাচ্ছে না।
​সতং রোডের এই ভয়াবহ অবস্থা থেকে মুক্তি পেতে এবং নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান দাবি করছেন সাধারণ মানুষ ও যানবাহন চালকরা।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আগস্টে ঢাকা-পাবনা সরাসরি ট্রেন চালু হচ্ছে: রেলমন্ত্রী

চুনারুঘাটে সড়কের উপর ধান-খড় শুকানোর মহোৎসব,দুর্ঘটনার ঝুঁকিতে চালক ও পথচারী

আপডেট সময় ০৭:২৫:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬

হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার সতং রোডে সড়কের উপর ধান মাড়াই, খড় শুকানো এবং ধানের বস্তা স্তূপ করে রাখার কারণে জনদুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। রাস্তার অর্ধেকের বেশি অংশ দখল করে কৃষকদের এই ‘ধানী উৎসবে’র ফলে যান চলাচল ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি প্রতিনিয়ত ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা। ​সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ এই সতং রোডের বিভিন্ন অংশে রাস্তার মাঝখানে মাড়াই কল বসিয়ে ধান ভাঙ্গানো। কোথাও ধান শুকানোর জন্য বিছিয়ে রাখা হয়েছে, আবার কোথাও বড় বড় ধানের বস্তা ও খড়ের স্তূপ করে রাখা হয়েছে। ফলে সরু এই রাস্তায় দুটি গাড়ি একে অপরকে পাশ কাটানো অসম্ভব হয়ে পড়েছে। অনেক ক্ষেত্রে গাড়ি থামিয়ে অপেক্ষা করতে হচ্ছে দীর্ঘক্ষণ। ​স্থানীয় পথচারী ও চালকদের অভিযোগ, রোদ থাকলে ধুলোবালি আর খড়ের ওড়াউড়ি চোখে পড়ে, কিন্তু বিপত্তি বাড়ে সামান্য বৃষ্টি হলেই। বৃষ্টির পানিতে রাস্তায় পড়ে থাকা খড় ও ধানের কুঁড়া পচে এক ধরনের পিচ্ছিল আস্তরণ তৈরি হয়। এর ফলে,​মোটরসাইকেল ও অটোরিকশা চাকা পিছলে প্রায়ই খাদে পড়ে যাচ্ছে। ​ব্রেক ধরলে চাকা স্কিড করে বড় ধরনের বাইক দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন চালকরা। ​রাস্তা পিচ্ছিল হওয়ায় বয়স্ক ও শিশুদের হেঁটে চলাচলেও চরম অসুবিধা হচ্ছে। রাস্তায় খড় বিছিয়ে রাখায় আমরা ঠিকমতো গাড়ি চালাতে পারছি না। তার উপর ধান পচে রাস্তা এমন পিচ্ছিল হয় যে, সামান্য ব্রেক করলেই বাইক নিয়ে ছিটকে পড়তে হয়। বাড়িতে নেয়ার তাড়া নেই কারো, সবাই রাস্তাকেই উঠান বানিয়ে ফেলেছে। একজন ভুক্তভোগী মোটরসাইকেল চালক
​প্রতিকারের দাবি ​এলাকাবাসীর মতে, কৃষকরা বাড়িতে জায়গা থাকা সত্ত্বেও আলসেমি করে বা খড় পচানোর উদ্দেশ্যে রাস্তার উপর ফেলে রাখছেন। সরকারি রাস্তায় এভাবে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা আইনত দণ্ডনীয় হলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তেমন কোনো নজরদারি দেখা যাচ্ছে না।
​সতং রোডের এই ভয়াবহ অবস্থা থেকে মুক্তি পেতে এবং নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান দাবি করছেন সাধারণ মানুষ ও যানবাহন চালকরা।