বিধানসভা নির্বাচনে ভরাডুবি হলেও মুক্ত পাখি হয়ে মানুষের সেবায় কাজ করার কথা জানিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের মমতা ব্যানার্জি। একই সঙ্গে ভারতের জাতীয় রাজনীতিতে যোগ দিয়ে ইন্ডিয়া জোটে আরও সক্রিয়ভাবে যুক্ত হওয়ার কথাও জানিয়েছেন মমতা।
মঙ্গলবার (৫ মে) কলকাতার কালীঘাটের নিজের বাসভবনে গণমাধ্যম কর্মীদের মুখোমুখি হয়ে এমন মন্তব্য করেন তৃণমূল কংগ্রেস প্রধান মমতা ব্যানার্জি। এসময় মমতার ভাতিজা অভিষেক ব্যানার্জি ও কলকাতা মেয়র ফিরহাদ হাকিম উপস্থিত ছিলেন।
সাংবাদিকদের মমতা ব্যানার্জি বলেন, আমরা হারিনি। অত্যন্ত ১০০ টি আসন গায়ের জোরে লুট করে নেওয়া হয়েছে। এই নির্বাচনে নির্বাচন কমিশনই আসল ভিলেন (খলনায়ক)। ভোটের ঠিক দু’দিন আগে ষড়যন্ত্র করে দলের একাধিক সক্রিয় কর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এমনকি নির্বাচনের প্রাক্কালে প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের বদল করে তৃণমূলকে আটকানোর চেষ্টা করা হয়েছে। রাজনৈতিক জীবনে দীর্ঘ লড়াই দেখলেও এমন নজিরবিহীন নির্বাচন আগে কখনো দেখিনি।
মমতা ব্যানার্জি অভিযোগ করে বলেন, আমার সমস্ত ইলেকশন এজেন্টেদের মারধর করা হয়েছে। আমি এ বিষয়ে অভিযোগ জানিয়েছি। কিন্তু কাকে অভিযোগ জানাবো, সে তো পুরোপুরি বিক্রি হয়ে গেছে। এই হয়েছে বাংলায়। বাংলার আসল চেহারা অন্যরকম। যে চেহারাটা বেরিয়ে এসেছে সেটা কেন্দ্রীয় সরকার, নির্বাচন কমিশনার, এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর ও বিজেপির মিলিত চেহারা।
২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ নির্বাচনে টানা চতুর্থ মেয়াদের জন্য চেষ্টা করলেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ১৫ বছরের শাসনের অবসান ঘটেছে। এই নির্বাচনে বিজেপি ২০৬ আসন পেয়েছে যেখানে তৃণমূল কংগ্রেস পেয়েছে মাত্র ৮১ আসন। ২০২১ সালের পশ্চিমবঙ্গ নির্বাচনে বিজেপি ২৯৪ আসনের মধ্যে মাত্র ৭৭টি আসন পেয়েছিল।
পশ্চিমবঙ্গ প্রতিনিধি 
























