পুলিশ ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়, নাটোর সদর উপজেলার হাশেমপুর গ্রামের ওই দম্পতি মঙ্গলবার বিকেলে প্রতিদিনের মতো ট্রেনে পপকর্ণ বিক্রির উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হন। তাঁরা রাতে ঢাকা থেকে চাঁপাইনবাবগঞ্জগামী ‘ঢাকা মেইল’ ট্রেনে বিক্রি শেষে রাত প্রায় ১টার দিকে সরদহ স্টেশনে নামেন। পরে স্টেশনসংলগ্ন একটি চায়ের দোকানে বসে খাবার খাচ্ছিলেন, তখন এক ব্যক্তি লাঠি ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে তাদের ওপর হামলা চালায়।
অভিযুক্ত ব্যক্তি প্রথমে স্বামীকে বেধড়ক মারধর করে গুরুতর আহত করে এবং তাকে একটি পরিত্যক্ত দোকানের পাশে বেঁধে রেখে দেয়। এরপর দম্পতির কাছ থেকে পপকর্ণ বিক্রির টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয়। অভিযোগ উঠেছে যে, পরে জোরপূর্বক স্ত্রীকে স্টেশনসংলগ্ন জঙ্গলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করা হয়।
ভুক্তভোগী স্বামী জানান, তিনি চিৎকার শুরু করলে প্রায় ৪৫ মিনিট পর আশপাশের লোকজন এসে তাকে উদ্ধার করে। পরবর্তীতে তিনি নিজেই জঙ্গলে গিয়ে স্ত্রীকে উদ্ধার করেন। স্থানীয়দের মাধ্যমে তিনি জানতে পারেন অভিযুক্ত ব্যক্তি আশরাফুল ইসলাম, যিনি উপজেলার হলিদাগাছী জাগিরপাড়া গ্রামে বাস করেন।
সরদহ স্টেশনের স্টেশন মাস্টার ইকবাল কবির জানান, ঘটনার সময় স্টেশনে মাত্র তিনজন কর্মী দায়িত্বে ছিলেন। তারা তখন বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে জানতে পারেননি। পরে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ ফোন করা হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত শুরু করে।
চারঘাট মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল মালেক বলেন, এ ঘটনায় মামলা গ্রহণ করা হয়েছে। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চলছে এবং বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে।
এস এম আয়নুল হক রাজশাহী ব্যুরো 



















