রংপুরের গংগাচড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চত্বরে দীর্ঘ দিন ধরে যত্রতত্র পড়ে আছে প্রায় ৩-৪ হাজার ব্যবহৃত ইট। সরকারি এই সম্পদগুলো এভাবে খোলা আকাশের নিচে পড়ে থেকে নষ্ট হতে চললেও এগুলো সংরক্ষণে বা সঠিক ব্যবহারে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কোনো কার্যকর উদ্যোগ লক্ষ করা যাচ্ছে না।
সরেজমিনে দেখা যায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মসজিদের পাশে স্তূপ করে রাখা হয়েছে এই ইটগুলো। দীর্ঘ সময় ধরে রোদ-বৃষ্টিতে ভিজে ইটের গায়ে শ্যাওলা জমেছে এবং অনেক ইট ক্রমান্বয়ে মাটির নিচে দেবে যাচ্ছে। পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে থাকা এই ইটগুলো মূলত বিভিন্ন পুরাতন স্থাপনা সংস্কার বা ভাঙার সময় সংগৃহীত হয়েছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।
স্থানীয়দের উদ্বেগ হাসপাতালে সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষ ও স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, সরকারি অর্থায়নে কেনা এসব ইট এভাবে নষ্ট হওয়া মানে রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপচয়। সঠিক তদারকি থাকলে এগুলো হাসপাতালের ছোটখাটো সংস্কার কাজ বা সৌন্দর্য বর্ধনে ব্যবহার করা যেত।
এ বিষয়ে জানতে গংগাচড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর দায়িত্বরত অফিসার মোঃ আলেমুল বাসার কে what’s আ্যপস একাধিক বার ফোন ও টেক্সট করেও তার সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয় নি।
জনসাধারণের দাবি যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে রাষ্ট্রীয় এই সম্পদ যেন চুরির কবলে না পড়ে বা পুরোপুরি নষ্ট না হয়ে যায়, সেজন্য দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন সচেতন এলাকাবাসী। তারা মনে করেন, উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপেই কেবল এই অব্যবস্থাপনার অবসান ঘটতে পারে।
মোহাম্মদ মেহেদী হাসান (হৃদয়) গংগাচড়া, রংপুর। 










