ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার বাসিন্দা আজিজুর রহমানের মরদেহ দীর্ঘ ১১ মাস পর দেশে ফিরেছে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) বিকেলে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলার বাংলাবান্ধা ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শেষে মরদেহটি পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
নিহত আজিজুর রহমান উপজেলার শাহানাবাদ গ্রামের বাসিন্দা এবং মো. মোতুজ্জারের ছেলে। স্থানীয় সূত্র জানায়, ২০২৫ সালের ১৩ মে জীবিকার তাগিদে সীমান্ত এলাকায় ঘাস কাটতে গিয়ে অসাবধানতাবশত তিনি শূন্যরেখা অতিক্রম করে ভারতের অভ্যন্তরে প্রবেশ করেন। এ সময় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) তাকে আটক করে শিলিগুড়ির একটি কারাগারে পাঠায়।
পরিবারের অভিযোগ, আটক অবস্থায় তার ওপর শারীরিক নির্যাতন চালানো হয়। দীর্ঘদিন কারাভোগের পর তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে গত ২২ মার্চ তাকে ভারতের একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় একই দিন বিকেলে তার মৃত্যু হয়।
দীর্ঘসূত্রতা ও জটিল আইনি প্রক্রিয়া শেষে প্রায় ১১ মাস পর মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে। নিহতের পরিবার আর্থিকভাবে অসচ্ছল হওয়ায় সরকারি সহায়তায় মরদেহটি দেশে আনা হয়। কলকাতাস্থ বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশনের উদ্যোগে সরকারি ব্যয়ে মরদেহ প্রত্যাবাসন সম্পন্ন হয়।
সব ধরনের আনুষ্ঠানিকতা শেষে মরদেহটি নিহতের মেয়ে জামাই মো. দুলাল হোসেন ও ভাতিজা মো. সোহেল রানার কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়।
তেঁতুলিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রাশেদুল ইসলাম জানান, দুই দেশের বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সকল আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
ফজলুর রহমান, ঠাকুরগাঁও: 



















