ঢাকা ০৯:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
শেষ হচ্ছে অপেক্ষা, বৃহস্পতিবার প্রাথমিকের বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ চিকিৎসা শিক্ষার বিকাশে আট দশক ধরে অবদান রেখে চলেছে ঢামেক : প্রধানমন্ত্রী ১০ নম্বর জার্সি কোনোদিনই পেতেন না মেসি, কী ঘটেছিল তখন? ভূমি দখল ও আর্থিক প্রতারণার অভিযোগে অভিযুক্ত আলী আফজাল রোনালদোর বিদায়ের মধ্যেই মেসির স্ত্রীকে জর্জিনার উপহার সরকারি চাকরিতে ৫ লাখ পদে নিয়োগ নিয়ে সুখবর প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা পেয়ে যা বললেন ভোক্তা অধিকারের জব্বার মণ্ডল সংবাদ প্রকাশের পর কালুখালীর অসহায় রাসেল মণ্ডলের পাশে উপজেলা প্রশাসন গণতন্ত্র শক্তিশালী করতে সহযোগিতার আশ্বাস যুক্তরাজ্যের মানবতার স্বীকৃতি: মুন্নু শেখের পাশে দাঁড়াল কালুখালী উপজেলা প্রশাসন

রাজৈরে গোবিন্দ পুর নিহত রুমির বড় বোনের পিতৃলয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছে 

মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলায় নিহত রুমির স্বামীর পরিবারের বিরুদ্ধে  হত্যার অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেছে ।
নিহতের পরিবারের দাবি, দীর্ঘদিনের পারিবারিকভাবে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের জেরে পরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যা করে ঘটনাটিকে আত্মহত্যা বলে চালানোর চেষ্টা করা হয়েছে ।
নিহত রুমি বেগমের বড় বোন সুমি বেগম সাংবাদিকদের  নিয়ে আজ মঙ্গলবার বিকাল  ৫ টায় নিজ বাড়ী গোবিন্দপুর মাতুব্বর বাড়ি নিজ পিতার বাড়িতে এ সংবাদ সম্মেলন করে  জানান, ২০১২ সালে রাজৈর উপজেলার ইশিবপুর ইউনিয়নের গাংকান্দী শাখারপাড় গ্রামের বাসিন্দা হালিম মোল্লার বড় ছেলে শিপন মোল্লার সঙ্গে পারিবারিকভাবে তার ছোট বোন রুমি বেগমের বিয়ে হয়। বিয়ের কয়েক মাস পর থেকেই রুমির ওপর মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন শুরু হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি। তিনি বলেন, এক পর্যায়ে নিহত রুমির পরিবারের পক্ষ থেকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল রুমি বেগমকে আর শ্বশুরবাড়িতে পাঠানো হবে না। পরে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের  শালিস এর মাধ্যমে  ভবিষ্যতে এরকম ঘটনার পুনরাবৃত্তি হবে না বলে মীমাংসা করে , এমন আশ্বাসের ভিত্তিতে তাকে আবার শ্বশুরবাড়িতে পাঠানো হয়। পরবর্তীতে তাদের সংসারে তিনটি সন্তান জন্ম নেয়। নিহতের পরিবারের দাবি, তাদের বড় মেয়ে বর্তমানে ক্যান্সারে আক্রান্ত। সুমি বেগম আরও জানান, প্রায় দুই বছর আগে নিহত রুমির পরিবারের উদ্যোগে টাকা দিয়ে শিপন মোল্লাকে মালয়েশিয়ায় পাঠানো হয়। স্বামী বিদেশে যাওয়ার পর থেকেই তার ছোট ভাই রিপন, রিপনের স্ত্রী সাথী আক্তার এবং শিপনের বোন লাকি ও লিপি আমার বোন রুমি বেগমের ওপর নির্যাতন শুরু করে। বিদেশ থেকে পাঠানো টাকা নিয়েও প্রায়ই ঝগড়া-বিবাদ হতো বলে অভিযোগ করেন তিনি। পরিবারের দাবি, গত ২৭ তারিখ সন্ধ্যায় রুমি বেগমের সঙ্গে তার বোনের ফোনে কথা হয় , তখন রুমি বেগম নির্যাতনের বিষয়টি জানান। পরে রাতে ঝগড়ার একপর্যায়ে তাকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করে হত্যা করা হয়েছে বলে সন্দেহ করছেন স্বজনরা। তাদের অভিযোগ, হত্যার পর ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস লাগিয়ে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলিয়ে রেখেছিল বলে জানান, যাতে ঘটনাটি আত্মহত্যা বলে মনে হয়। নিহতের পরিবারের প্রশ্ন, যদি এটি আত্মহত্যা হতো তাহলে ঘটনার পর স্বামীর পরিবারের সদস্যরা কেন বাড়ি থেকে পালিয়ে যাবে। এ ঘটনায় নিহতের পরিবার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে। নিহত রুমি বেগমের দুই মেয়ে এক ছেলে  ২ মেয়ে শিমলা (১২ বছর), সাবিয়া (৩ বছর) ছেলে সালাউদ্দিন নুর (৬ বছর)।  নিহত রুমি  বেগমের  ১২ বছরে মেয়ে শিমলা বলেন আমার চাচা চাচি ফুফুরা আমার মাকে প্রতিনিয়ত নির্যাতন  করতেন বলে সাংবাদিকদের জানান ।
Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শেষ হচ্ছে অপেক্ষা, বৃহস্পতিবার প্রাথমিকের বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ

রাজৈরে গোবিন্দ পুর নিহত রুমির বড় বোনের পিতৃলয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছে 

আপডেট সময় ০৩:১৮:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬
মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলায় নিহত রুমির স্বামীর পরিবারের বিরুদ্ধে  হত্যার অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেছে ।
নিহতের পরিবারের দাবি, দীর্ঘদিনের পারিবারিকভাবে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের জেরে পরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যা করে ঘটনাটিকে আত্মহত্যা বলে চালানোর চেষ্টা করা হয়েছে ।
নিহত রুমি বেগমের বড় বোন সুমি বেগম সাংবাদিকদের  নিয়ে আজ মঙ্গলবার বিকাল  ৫ টায় নিজ বাড়ী গোবিন্দপুর মাতুব্বর বাড়ি নিজ পিতার বাড়িতে এ সংবাদ সম্মেলন করে  জানান, ২০১২ সালে রাজৈর উপজেলার ইশিবপুর ইউনিয়নের গাংকান্দী শাখারপাড় গ্রামের বাসিন্দা হালিম মোল্লার বড় ছেলে শিপন মোল্লার সঙ্গে পারিবারিকভাবে তার ছোট বোন রুমি বেগমের বিয়ে হয়। বিয়ের কয়েক মাস পর থেকেই রুমির ওপর মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন শুরু হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি। তিনি বলেন, এক পর্যায়ে নিহত রুমির পরিবারের পক্ষ থেকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল রুমি বেগমকে আর শ্বশুরবাড়িতে পাঠানো হবে না। পরে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের  শালিস এর মাধ্যমে  ভবিষ্যতে এরকম ঘটনার পুনরাবৃত্তি হবে না বলে মীমাংসা করে , এমন আশ্বাসের ভিত্তিতে তাকে আবার শ্বশুরবাড়িতে পাঠানো হয়। পরবর্তীতে তাদের সংসারে তিনটি সন্তান জন্ম নেয়। নিহতের পরিবারের দাবি, তাদের বড় মেয়ে বর্তমানে ক্যান্সারে আক্রান্ত। সুমি বেগম আরও জানান, প্রায় দুই বছর আগে নিহত রুমির পরিবারের উদ্যোগে টাকা দিয়ে শিপন মোল্লাকে মালয়েশিয়ায় পাঠানো হয়। স্বামী বিদেশে যাওয়ার পর থেকেই তার ছোট ভাই রিপন, রিপনের স্ত্রী সাথী আক্তার এবং শিপনের বোন লাকি ও লিপি আমার বোন রুমি বেগমের ওপর নির্যাতন শুরু করে। বিদেশ থেকে পাঠানো টাকা নিয়েও প্রায়ই ঝগড়া-বিবাদ হতো বলে অভিযোগ করেন তিনি। পরিবারের দাবি, গত ২৭ তারিখ সন্ধ্যায় রুমি বেগমের সঙ্গে তার বোনের ফোনে কথা হয় , তখন রুমি বেগম নির্যাতনের বিষয়টি জানান। পরে রাতে ঝগড়ার একপর্যায়ে তাকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করে হত্যা করা হয়েছে বলে সন্দেহ করছেন স্বজনরা। তাদের অভিযোগ, হত্যার পর ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস লাগিয়ে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলিয়ে রেখেছিল বলে জানান, যাতে ঘটনাটি আত্মহত্যা বলে মনে হয়। নিহতের পরিবারের প্রশ্ন, যদি এটি আত্মহত্যা হতো তাহলে ঘটনার পর স্বামীর পরিবারের সদস্যরা কেন বাড়ি থেকে পালিয়ে যাবে। এ ঘটনায় নিহতের পরিবার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে। নিহত রুমি বেগমের দুই মেয়ে এক ছেলে  ২ মেয়ে শিমলা (১২ বছর), সাবিয়া (৩ বছর) ছেলে সালাউদ্দিন নুর (৬ বছর)।  নিহত রুমি  বেগমের  ১২ বছরে মেয়ে শিমলা বলেন আমার চাচা চাচি ফুফুরা আমার মাকে প্রতিনিয়ত নির্যাতন  করতেন বলে সাংবাদিকদের জানান ।