সংবাদ শিরোনাম ::
সানভিউ টাওয়ার্সের দখলবাজি: শতকোটি টাকার সরকারি জমি বেহাত মীর শাহে আলমের হাত ধরে বদলে যাচ্ছে শিবগঞ্জের সমাজ ও শিক্ষার মানচিত্র অ্যাভিয়েশন খাতে বিনিয়োগের আগ্রহ ব্রিটিশ সরকারের ১৫ বছরের কম বয়সীদের জন্য সামাজিক মাধ্যম নিষিদ্ধ করলো আমিরাত বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে পাকিস্তানের হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ বর্তমান সংসদের কোনো সদস্য ঋণখেলাপি নন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ নীলফামারীতে পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত, সম্মাননা দেয়া হলো তিনটি স্কুলকে আত্রাইয়ে ৫০ জাতের দেশীয় ফলের প্রদর্শনী নিয়ে ব্যতিক্রমী ফল উৎসব অনুষ্ঠিত নি’হ’ত নন্দিনীর বাড়িতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ছুটে গেলেন ত্রাণমন্ত্রী
বিএলআরআইয়ে দুর্নীতিতে

অভিযুক্ত ড. নাসরিন আবারও দায়িত্বে

ঢাকার সাভারে বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটে (বিএলআরআই) নিয়োগ বাণিজ্য, প্রশাসনিক অনিয়ম ও গবেষণা বাজেট ব্যবস্থাপনা নিয়ে দীর্ঘদিনের অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও সাবেক পরিচালক (গবেষণা) (রুটিন দায়িত্ব) ও বাঘাবাড়ী সিরাজগঞ্জের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. নাসরিন সুলতানার সাময়িক বরখাস্ত আদেশ প্রত্যাহার করা হয়েছে। ফলে তিনি পুনরায় দায়িত্বে ফিরেছেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
বাউল জানা গেছে, গত ২২ জানুয়ারি প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। পরে ২৪ ফেব্রুয়ারি এক অফিস আদেশে পুনঃতদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়। এরপর ২ মার্চ আরেক আদেশে তার সাময়িক বরখাস্ত প্রত্যাহার করা হয়।
সংশ্লিষ্টরা জানান, ওই দিনটি মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু তাহের মুহাম্মদ জাবেরের চাকরিজীবনের শেষ কর্মদিবস ছিল। তবে ড. নাসরিন সুলতানার সাময়িক বরখাস্ত প্রত্যাহারের পেছনে কোটি কোটি টাকার বাণিজ্যের অভিযোগ রয়েছে। বিএলআরআইয়ের সিএসও ড. নাসরিন সুলতানা বিগত ২০০২ সালে বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা হিসেবে বিএলআরআইয়ে যোগদান করেন।
একই সময়ে বিএলআরআইয়ের আরও অনেকেই বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করলেও ড. নাসরিন সুলতানা তার স্বামী আওয়ামী ফ্যাসিস্ট সরকারের সময় নিয়োগপ্রাপ্ত বিএলআরআইয়ের সাবেক মহাপরিচালক ড. এস এম জাহাঙ্গীর হোসেনের প্রভাব খাটিয়ে এবং ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সমর্থক হিসেবে ২০২১ সালেই সিএসও হিসেবে পদোন্নতি পান।
শুধু তাই নয়, ড. নাসরিন সুলতানা, পরিচালক (গবেষণা) (রুটিন দায়িত্ব) হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে প্রতিবছর গবেষণা প্রকল্পের নাম দিয়ে প্রতিষ্ঠানের গবেষণা বাজেটের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ নিজের নামে নিয়ে লুটপাট করেছেন, যা বিগত বছরগুলোতে বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে। এ ছাড়া, বিএলআরআইয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগের ক্ষেত্রে কোটি কোটি টাকা অর্থ লেনদেনের সাথেও জড়িত বলে বিগত সময়ে বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত হলেও আওয়ামী সমর্থক হওয়ায় ড. নাসরিন সুলতানার বিষয়ে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগে বিভিন্ন সময়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, ইনস্টিটিউটের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা নিয়োগে লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের কাছ থেকে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ উঠেছিল। এদিকে, প্রশাসনিক মন্ত্রণালয় কর্তৃক তদন্তে ড. নাসরিন সুলতানার বিরুদ্ধে চাকরিতে অসদাচরণ, নিয়োগ বাণিজ্য, ইনস্টিটিউটের বিরুদ্ধে মিথ্যাচারের অভিযোগ প্রতীয়মান বলে দাবি করা হলেও পূর্ণাঙ্গ তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়নি।
তৎকালীন মহাপরিচালক ড. এস এম জাহাঙ্গীর হোসেনের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনে মামলা প্রক্রিয়াধীন বলে জানা গেছে। অভিযোগ রয়েছে, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় নিয়োগপ্রাপ্ত মহাপরিচালক (ডিজি) ড. এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন ও তার স্ত্রী ড. নাসরিন সুলতানা বিএলআরআইকে নিজের নানা অপকর্মের আখড়া হিসেবে গড়ে তুলেছিলেন। সিন্ডিকেটের এরূপ একটি অডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘুরপাক খাচ্ছে। তাতে দেখা যায়, প্রতিষ্ঠানের ছাগল উন্নয়ন গবেষণা বিভাগের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা লিপি রানী সরকার তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন ও একই নম্বরের হোয়াটস অ্যাপ ব্যবহার করে একাধিক চাকরিপ্রার্থীর সঙ্গে ঘুষ লেনদেনের আলাপ করেন। আলাপকালে তিনি প্রার্থীদের একজনকে বলেন, বিএলআরআইয়ের মহাপরিচালক ড. জাহাঙ্গীর হোসেনের স্ত্রী নাসরিন সুলতানা এবং তৎকালীন অতিরিক্ত পরিচালক জিল্লুর রহমান নিয়োগ প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করবেন। চাহিদামতো ঘুষের অঙ্ক নিশ্চিত হলে মহাপরিচালকের স্ত্রী নিজেই এ বিষয়ে কথা বলবেন।
এ ব্যাপারে ড. নাসরিন সুলতানার বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
বিএলআরআইয়ের মহাপরিচালক ড. শাকিলা ফারুক বলেন, অভিযুক্ত ড. নাসরীন সুলতানার বিষয়ে মন্ত্রণালয় তদন্ত করে তাকে শোকজ করার পর বরখাস্ত করেছিল। তবে পরবর্তী সময়ে পুনরায় কোনো তদন্ত ছাড়াই তাকে আবার দায়িত্বে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে আমরাও প্রশ্নবিদ্ধ।
তিনি বলেন, তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলাও করা হয়েছে এবং মামলাটি প্রসিকিউটরের তত্ত্বাবধানে প্রক্রিয়াধীন। যেহেতু তার বিরুদ্ধে অপরাধের অভিযোগ রয়েছে, তাই মন্ত্রণালয় থেকে যথাযথ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে-এটাই আমরা প্রত্যাশা করি। এ বিষয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ
মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, বিগত সরকার অনেক দুর্নীতি করেছে বলে এই দেশ ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে। দুর্নীতির ব্যাপারে সরকার জিরো টলারেন্সে। দুর্নীতির কোনো বিষয় সামনে এলে সে ব্যাপারে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সানভিউ টাওয়ার্সের দখলবাজি: শতকোটি টাকার সরকারি জমি বেহাত

বিএলআরআইয়ে দুর্নীতিতে

অভিযুক্ত ড. নাসরিন আবারও দায়িত্বে

আপডেট সময় ১২:২৯:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬

ঢাকার সাভারে বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটে (বিএলআরআই) নিয়োগ বাণিজ্য, প্রশাসনিক অনিয়ম ও গবেষণা বাজেট ব্যবস্থাপনা নিয়ে দীর্ঘদিনের অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও সাবেক পরিচালক (গবেষণা) (রুটিন দায়িত্ব) ও বাঘাবাড়ী সিরাজগঞ্জের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. নাসরিন সুলতানার সাময়িক বরখাস্ত আদেশ প্রত্যাহার করা হয়েছে। ফলে তিনি পুনরায় দায়িত্বে ফিরেছেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
বাউল জানা গেছে, গত ২২ জানুয়ারি প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। পরে ২৪ ফেব্রুয়ারি এক অফিস আদেশে পুনঃতদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়। এরপর ২ মার্চ আরেক আদেশে তার সাময়িক বরখাস্ত প্রত্যাহার করা হয়।
সংশ্লিষ্টরা জানান, ওই দিনটি মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু তাহের মুহাম্মদ জাবেরের চাকরিজীবনের শেষ কর্মদিবস ছিল। তবে ড. নাসরিন সুলতানার সাময়িক বরখাস্ত প্রত্যাহারের পেছনে কোটি কোটি টাকার বাণিজ্যের অভিযোগ রয়েছে। বিএলআরআইয়ের সিএসও ড. নাসরিন সুলতানা বিগত ২০০২ সালে বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা হিসেবে বিএলআরআইয়ে যোগদান করেন।
একই সময়ে বিএলআরআইয়ের আরও অনেকেই বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করলেও ড. নাসরিন সুলতানা তার স্বামী আওয়ামী ফ্যাসিস্ট সরকারের সময় নিয়োগপ্রাপ্ত বিএলআরআইয়ের সাবেক মহাপরিচালক ড. এস এম জাহাঙ্গীর হোসেনের প্রভাব খাটিয়ে এবং ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সমর্থক হিসেবে ২০২১ সালেই সিএসও হিসেবে পদোন্নতি পান।
শুধু তাই নয়, ড. নাসরিন সুলতানা, পরিচালক (গবেষণা) (রুটিন দায়িত্ব) হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে প্রতিবছর গবেষণা প্রকল্পের নাম দিয়ে প্রতিষ্ঠানের গবেষণা বাজেটের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ নিজের নামে নিয়ে লুটপাট করেছেন, যা বিগত বছরগুলোতে বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে। এ ছাড়া, বিএলআরআইয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগের ক্ষেত্রে কোটি কোটি টাকা অর্থ লেনদেনের সাথেও জড়িত বলে বিগত সময়ে বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত হলেও আওয়ামী সমর্থক হওয়ায় ড. নাসরিন সুলতানার বিষয়ে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগে বিভিন্ন সময়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, ইনস্টিটিউটের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা নিয়োগে লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের কাছ থেকে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ উঠেছিল। এদিকে, প্রশাসনিক মন্ত্রণালয় কর্তৃক তদন্তে ড. নাসরিন সুলতানার বিরুদ্ধে চাকরিতে অসদাচরণ, নিয়োগ বাণিজ্য, ইনস্টিটিউটের বিরুদ্ধে মিথ্যাচারের অভিযোগ প্রতীয়মান বলে দাবি করা হলেও পূর্ণাঙ্গ তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়নি।
তৎকালীন মহাপরিচালক ড. এস এম জাহাঙ্গীর হোসেনের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনে মামলা প্রক্রিয়াধীন বলে জানা গেছে। অভিযোগ রয়েছে, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় নিয়োগপ্রাপ্ত মহাপরিচালক (ডিজি) ড. এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন ও তার স্ত্রী ড. নাসরিন সুলতানা বিএলআরআইকে নিজের নানা অপকর্মের আখড়া হিসেবে গড়ে তুলেছিলেন। সিন্ডিকেটের এরূপ একটি অডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘুরপাক খাচ্ছে। তাতে দেখা যায়, প্রতিষ্ঠানের ছাগল উন্নয়ন গবেষণা বিভাগের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা লিপি রানী সরকার তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন ও একই নম্বরের হোয়াটস অ্যাপ ব্যবহার করে একাধিক চাকরিপ্রার্থীর সঙ্গে ঘুষ লেনদেনের আলাপ করেন। আলাপকালে তিনি প্রার্থীদের একজনকে বলেন, বিএলআরআইয়ের মহাপরিচালক ড. জাহাঙ্গীর হোসেনের স্ত্রী নাসরিন সুলতানা এবং তৎকালীন অতিরিক্ত পরিচালক জিল্লুর রহমান নিয়োগ প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করবেন। চাহিদামতো ঘুষের অঙ্ক নিশ্চিত হলে মহাপরিচালকের স্ত্রী নিজেই এ বিষয়ে কথা বলবেন।
এ ব্যাপারে ড. নাসরিন সুলতানার বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
বিএলআরআইয়ের মহাপরিচালক ড. শাকিলা ফারুক বলেন, অভিযুক্ত ড. নাসরীন সুলতানার বিষয়ে মন্ত্রণালয় তদন্ত করে তাকে শোকজ করার পর বরখাস্ত করেছিল। তবে পরবর্তী সময়ে পুনরায় কোনো তদন্ত ছাড়াই তাকে আবার দায়িত্বে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে আমরাও প্রশ্নবিদ্ধ।
তিনি বলেন, তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলাও করা হয়েছে এবং মামলাটি প্রসিকিউটরের তত্ত্বাবধানে প্রক্রিয়াধীন। যেহেতু তার বিরুদ্ধে অপরাধের অভিযোগ রয়েছে, তাই মন্ত্রণালয় থেকে যথাযথ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে-এটাই আমরা প্রত্যাশা করি। এ বিষয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ
মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, বিগত সরকার অনেক দুর্নীতি করেছে বলে এই দেশ ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে। দুর্নীতির ব্যাপারে সরকার জিরো টলারেন্সে। দুর্নীতির কোনো বিষয় সামনে এলে সে ব্যাপারে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।