ঢাকা ১১:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দেড় বিলিয়ন ডলার আকুর বিল পরিশোধ, কমলো রিজার্ভ শেষ হচ্ছে অপেক্ষা, বৃহস্পতিবার প্রাথমিকের বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ চিকিৎসা শিক্ষার বিকাশে আট দশক ধরে অবদান রেখে চলেছে ঢামেক : প্রধানমন্ত্রী ১০ নম্বর জার্সি কোনোদিনই পেতেন না মেসি, কী ঘটেছিল তখন? ভূমি দখল ও আর্থিক প্রতারণার অভিযোগে অভিযুক্ত আলী আফজাল রোনালদোর বিদায়ের মধ্যেই মেসির স্ত্রীকে জর্জিনার উপহার সরকারি চাকরিতে ৫ লাখ পদে নিয়োগ নিয়ে সুখবর প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা পেয়ে যা বললেন ভোক্তা অধিকারের জব্বার মণ্ডল সংবাদ প্রকাশের পর কালুখালীর অসহায় রাসেল মণ্ডলের পাশে উপজেলা প্রশাসন গণতন্ত্র শক্তিশালী করতে সহযোগিতার আশ্বাস যুক্তরাজ্যের

দেবীগঞ্জে অতিরিক্ত দামে পেট্রোল বিক্রির দায়ে মোটরসাইকেল মেকানিককে ৭ দিনের কারাদণ্ড

পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে অবৈধভাবে জ্বালানি তেল মজুত করে খোলা বাজারে প্রতি লিটার ৩০০ টাকায় বিক্রি করার দায়ে কেশব রায় নামে এক মোটরসাইকেল মেকানিককে ৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুপুর ১২টার দিকে পৌরশহরের জগবন্ধু ঠাকুরবাড়ি সংলগ্ন এশিয়ান মহাসড়কের পাশে অভিযান পরিচালনা করা হয়।

দণ্ডপ্রাপ্ত কেশব রায় দেবীগঞ্জ উপজেলার সোনাহার মল্লিকাদহ ইউনিয়নের কুমারগাড়ী এলাকার সুভাষ রায়ের ছেলে।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার সকালে তিনি খোলা বাজারে লিটারপ্রতি ৩০০ টাকা দরে পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি করছিলেন। খোকন ও কাশেম নামে দুই ব্যক্তি তেল কিনতে গেলে অতিরিক্ত দামের বিষয়টি প্রকাশ পায়। স্থানীয়রা তাকে আটক করে থানায় খবর দেন। খবর পেয়ে দেবীগঞ্জ থানা পুলিশের এসআই নাছিম ও তার সঙ্গীয় ফোর্স ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে হেফাজতে নেন।
পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সবুজ কুমার বসাক এবং দেবীগঞ্জ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেলিম মালিক ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। এ সময় ৬০ লিটার ধারণক্ষমতার একটি ড্রামে ২৭ লিটার পেট্রোল জব্দ করা হয়।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক ও ইউএনও সবুজ কুমার বসাক ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯-এর ৪০ ধারায় কেশব রায়কে ৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন। একই সঙ্গে জব্দকৃত তেল বাজারমূল্যে বিক্রি করে ৩ হাজার ১৩২ টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়।

অভিযুক্ত কেশব রায় জানান, তার নিজস্ব তিনটি মোটরসাইকেল রয়েছে এবং বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে লাইনে দাঁড়িয়ে অল্প অল্প করে তেল সংগ্রহ করতেন। গত তিন দিন ধরে তিনি বাড়তি দামে তেল বিক্রি শুরু করেন। তেল সহজলভ্য থাকাকালে স্বাভাবিক দামে বিক্রি করতেন বলেও জানান তিনি। তিনি আরও বলেন, তেল সংকটের কারণে মোটরসাইকেল আসা কমে যাওয়ায় ব্যবসায় মন্দা দেখা দেয়। এজন্য বাধ্য হয়ে বেশি দামে বিক্রি করতে হয়েছে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দেড় বিলিয়ন ডলার আকুর বিল পরিশোধ, কমলো রিজার্ভ

দেবীগঞ্জে অতিরিক্ত দামে পেট্রোল বিক্রির দায়ে মোটরসাইকেল মেকানিককে ৭ দিনের কারাদণ্ড

আপডেট সময় ০৬:৪৬:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬

পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে অবৈধভাবে জ্বালানি তেল মজুত করে খোলা বাজারে প্রতি লিটার ৩০০ টাকায় বিক্রি করার দায়ে কেশব রায় নামে এক মোটরসাইকেল মেকানিককে ৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুপুর ১২টার দিকে পৌরশহরের জগবন্ধু ঠাকুরবাড়ি সংলগ্ন এশিয়ান মহাসড়কের পাশে অভিযান পরিচালনা করা হয়।

দণ্ডপ্রাপ্ত কেশব রায় দেবীগঞ্জ উপজেলার সোনাহার মল্লিকাদহ ইউনিয়নের কুমারগাড়ী এলাকার সুভাষ রায়ের ছেলে।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার সকালে তিনি খোলা বাজারে লিটারপ্রতি ৩০০ টাকা দরে পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি করছিলেন। খোকন ও কাশেম নামে দুই ব্যক্তি তেল কিনতে গেলে অতিরিক্ত দামের বিষয়টি প্রকাশ পায়। স্থানীয়রা তাকে আটক করে থানায় খবর দেন। খবর পেয়ে দেবীগঞ্জ থানা পুলিশের এসআই নাছিম ও তার সঙ্গীয় ফোর্স ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে হেফাজতে নেন।
পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সবুজ কুমার বসাক এবং দেবীগঞ্জ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেলিম মালিক ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। এ সময় ৬০ লিটার ধারণক্ষমতার একটি ড্রামে ২৭ লিটার পেট্রোল জব্দ করা হয়।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক ও ইউএনও সবুজ কুমার বসাক ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯-এর ৪০ ধারায় কেশব রায়কে ৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন। একই সঙ্গে জব্দকৃত তেল বাজারমূল্যে বিক্রি করে ৩ হাজার ১৩২ টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়।

অভিযুক্ত কেশব রায় জানান, তার নিজস্ব তিনটি মোটরসাইকেল রয়েছে এবং বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে লাইনে দাঁড়িয়ে অল্প অল্প করে তেল সংগ্রহ করতেন। গত তিন দিন ধরে তিনি বাড়তি দামে তেল বিক্রি শুরু করেন। তেল সহজলভ্য থাকাকালে স্বাভাবিক দামে বিক্রি করতেন বলেও জানান তিনি। তিনি আরও বলেন, তেল সংকটের কারণে মোটরসাইকেল আসা কমে যাওয়ায় ব্যবসায় মন্দা দেখা দেয়। এজন্য বাধ্য হয়ে বেশি দামে বিক্রি করতে হয়েছে।