ঢাকা ০৮:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬, ১৬ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মুরাদনগরের জিলানী সৌদি আরবে নিহত,দ্রুত লাশ পেতে পরিবারের আকুতি।

স্ত্রী, তিন মেয়ে ও বাবা মায়ের ভরনপোষণের তাগিদে
ভাগ্যোর চাকা ঘুরাইতে প্রায় পাঁচ বছর আগে সৌদি আরবে পাড়ি জমান জিলানী (৪৩) ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে হৃদ রোগে আক্রান্ত হয়ে পরপারে চলে গেলেন তিনি।
নিহত জিলানী রামচন্দ্রপুর উত্তর ইউনিয়ন এর সাহেব নগর গ্রামের আব্দুল হাকিম এর ছেলে।
আব্দুল হাকিম এর ৪ ছেলের মধ্যে বড় ছেলে মারা গেছেন অনেক আগে, মেঝো ছেলে মোহাম্মদ আলী প্রায় ১৫ বছর পূর্বে প্রবাসে (মালদ্বীপে) মারা যান, ৩য় ছেলে সৌদি আরবে আছেন, ছোট ছেলে ছিলেন নিহত জিলানী।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় যে, মা, বাবা, স্ত্রী সন্তান ও স্বজনদের কান্নায় আকাশ বাতাস ভারী হয়ে আছে,মা রোকেয়া বেগম কিছুক্ষন পর পর মূর্ছা যাচ্ছেন,
তিনি বলেন আমার ছেলেকে এনে দাও আমি আমার ছেলেকে দেখব।
নিহতের বাবা বলেন প্রায় পাঁচ বছর পূর্বে আমার ছেলে সৌদি আরবের আল-জোফ মাকাকা এলাকায় একটি রেস্টুরেন্টে চাকরি করত, গত কাল সকালে খবর আসে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে আমার ছেলে মারা গেছে, টাকা খরচ করে আমার ছেলের লাশ আনা সম্ভব নয় তাই আমার ছেলের লাশ দ্রুত দেশে আনতে সরকারের সহযোগিতা চাই।
এ বিষয়ে মুরাদনগরের উপজেলা নির্বাহী অফিসার এ বি এম সারোয়ার রাব্বি বলেন নিহতের লাশ দেশে আনতে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সকল সহযোগিতা করা হবে।
Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মুরাদনগরের জিলানী সৌদি আরবে নিহত,দ্রুত লাশ পেতে পরিবারের আকুতি।

আপডেট সময় ০৫:২১:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬
স্ত্রী, তিন মেয়ে ও বাবা মায়ের ভরনপোষণের তাগিদে
ভাগ্যোর চাকা ঘুরাইতে প্রায় পাঁচ বছর আগে সৌদি আরবে পাড়ি জমান জিলানী (৪৩) ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে হৃদ রোগে আক্রান্ত হয়ে পরপারে চলে গেলেন তিনি।
নিহত জিলানী রামচন্দ্রপুর উত্তর ইউনিয়ন এর সাহেব নগর গ্রামের আব্দুল হাকিম এর ছেলে।
আব্দুল হাকিম এর ৪ ছেলের মধ্যে বড় ছেলে মারা গেছেন অনেক আগে, মেঝো ছেলে মোহাম্মদ আলী প্রায় ১৫ বছর পূর্বে প্রবাসে (মালদ্বীপে) মারা যান, ৩য় ছেলে সৌদি আরবে আছেন, ছোট ছেলে ছিলেন নিহত জিলানী।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় যে, মা, বাবা, স্ত্রী সন্তান ও স্বজনদের কান্নায় আকাশ বাতাস ভারী হয়ে আছে,মা রোকেয়া বেগম কিছুক্ষন পর পর মূর্ছা যাচ্ছেন,
তিনি বলেন আমার ছেলেকে এনে দাও আমি আমার ছেলেকে দেখব।
নিহতের বাবা বলেন প্রায় পাঁচ বছর পূর্বে আমার ছেলে সৌদি আরবের আল-জোফ মাকাকা এলাকায় একটি রেস্টুরেন্টে চাকরি করত, গত কাল সকালে খবর আসে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে আমার ছেলে মারা গেছে, টাকা খরচ করে আমার ছেলের লাশ আনা সম্ভব নয় তাই আমার ছেলের লাশ দ্রুত দেশে আনতে সরকারের সহযোগিতা চাই।
এ বিষয়ে মুরাদনগরের উপজেলা নির্বাহী অফিসার এ বি এম সারোয়ার রাব্বি বলেন নিহতের লাশ দেশে আনতে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সকল সহযোগিতা করা হবে।