রমজান হলো মুমিনদের জন্য একটি আধ্যাত্মিক কর্মশালা। নির্দিষ্ট এক মাস বাইরের দুনিয়া থেকে কিছুটা বিচ্ছিন্ন হয়ে আমরা যে আধ্যাত্মিক অনুশীলন করেছি, তার মূল উদ্দেশ্য হলো বাকি ১১ মাস যেন সেই শিক্ষা আমাদের দৈনন্দিন জীবনে কাজে লাগাতে পারি। জীবনের নানা চড়াই-উতরাই আর পরিবর্তনশীল পরিবেশে যেন আমাদের ইমানি শক্তি অটুট থাকে, সেজন্যই আল্লাহ তায়ালা ভিন্ন ভিন্ন ঋতুতে রমজানকে আমাদের মাঝে পাঠিয়েছেন। এর মাধ্যমে রোজাদাররা সব ধরনের প্রতিকূলতায় ধৈর্য ও আত্মসংযমের পাঠ নিতে পারেন।
এখনই সময় একটু নিভৃতে বসে আত্মসমালোচনা করার। আমাদের ভাবা উচিত, এবারের রমজানে আমরা কি এর হক আদায় করতে পেরেছি? আল্লাহ তায়ালা রোজার যে উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য নির্ধারণ করে দিয়েছেন, তা কি আমরা অর্জন করতে পেরেছি? মৃত্যুর ফেরেশতা দরজায় কড়া নাড়ার আগেই আমাদের ত্রুটি-বিচ্যুতিগুলো চিহ্নিত করে তা সংশোধনের চেষ্টা করা উচিত।
রমজান শেষে বাকি ১১ মাস শুরুর মুহূর্তে নিজেদের সাথে অঙ্গীকার করা উচিত যে, রমজান পরবর্তী বাকি জীবনও যেন আমরা শরীয়তের বিধান মেনে অতিবাহিত করতে পারি। আমাদের আচার-আচরণ ও চরিত্রেও যেন ইতিবাচক পরিবর্তন দৃশ্যমান হয়। রমজানের শেষে কায়মনোবাক্যে দোয়া করা উচিত, আল্লাহ তায়ালা যেন মুসলিম উম্মাহকে ঐক্যবদ্ধ করেন এবং ইসলাম ও মুসলমানদের বিজয় দান করেন। আমিন।
ধর্ম ডেস্ক 

























