ঢাকা ০৯:২১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬, ২৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দেড় বিলিয়ন ডলার আকুর বিল পরিশোধ, কমলো রিজার্ভ শেষ হচ্ছে অপেক্ষা, বৃহস্পতিবার প্রাথমিকের বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ চিকিৎসা শিক্ষার বিকাশে আট দশক ধরে অবদান রেখে চলেছে ঢামেক : প্রধানমন্ত্রী ১০ নম্বর জার্সি কোনোদিনই পেতেন না মেসি, কী ঘটেছিল তখন? ভূমি দখল ও আর্থিক প্রতারণার অভিযোগে অভিযুক্ত আলী আফজাল রোনালদোর বিদায়ের মধ্যেই মেসির স্ত্রীকে জর্জিনার উপহার সরকারি চাকরিতে ৫ লাখ পদে নিয়োগ নিয়ে সুখবর প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা পেয়ে যা বললেন ভোক্তা অধিকারের জব্বার মণ্ডল সংবাদ প্রকাশের পর কালুখালীর অসহায় রাসেল মণ্ডলের পাশে উপজেলা প্রশাসন গণতন্ত্র শক্তিশালী করতে সহযোগিতার আশ্বাস যুক্তরাজ্যের

মৌলভীবাজারে শেষ সময়ে জমে উঠেছে ঈদের কেনাকাটা

মৌলভীবাজারের বাজারগুলোতে পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে শেষ মুহূর্তে জমে উঠেছে কেনাকাটা। জেলা শহরসহ বিভিন্ন উপজেলার মার্কেটগুলোতে বাড়ছে সকল ধরনের ক্রেতাদের ভিড়। তবে চাহিদা অনুযায়ী কাপড়ের দাম বেশি বলে ক্রেতারা অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

মৌলভীবাজারে জেলা সদরসহ সাতটি উপজেলার গ্রামের বাজার থেকে শুরু করে প্রায় প্রতিটি কাপড়, কসমেটিক ও জুতার দোকানে এখন ক্রেতাদের পদচারণায় মুখর। রমজানের মাঝামাঝি সময়ে বাজারে ক্রেতাদের উপস্থিতি কম থাকলেও ২০ রোজার পর থেকেই জমে উঠেছে কেনাবেচা। সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত মার্কেটগুলোতে ভিড় করছেন ক্রেতারা। রং-বেরঙের পোশাক কিনতেই বেশি ব্যস্ত নারী-পুরুষ ও তরুণ-তরুণীরা।

ক্রেতাদের সঙ্গে আলাপ করে জানা যায়, এ বছর কাপড়ের দাম বেশি। চাহিদার তুলনায় কাপড় কম তবে দাম বেশি। বিশেষ করে মেয়েদের ও বাচ্চাদের কাপড়ে অনেক দাম। তারপরও সবাই সাধ্যমতো কাপড় ক্রয় করছেন। কেউ মার্কেট থেকে কিনছেন আবার কেউ ফুটপাত থেকে।

সরেজমিনে জেলার সবচেয়ে বৃহৎ শ্রীমঙ্গলের পাইকারী মার্কেটসহ বিভিন্ন শপিং মলে দেখা যায়, ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে শেষ সময়ে বিপণি-বিতানগুলোতে কেনাকাটা জমে উঠেছে কেনাবেচা। স্থানীয় দোকানগুলোতে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে। দেশীয় পোশাকের পাশাপাশি বড়বড় শপিংমল থেকে ভারতীয় ও পাকিস্তানি পোশাক কিনছেন অনেকেই।

মৌলভীবাজার একটি শপিংমলে কাপড় কিনতে আসা শাম্মি আক্তার বলেন, পরিবারের সদস্যদের জন্য কাপড় কিনেছি। তবে কাপড়ে অনেক দাম। ছোটছোট মেয়ে বাচ্চাদের কাপড় কিনতে ৪-৫ হাজার টাকা চলে যায়। মেয়েদের থ্রি-পিছেও অনেক দাম। গত বছরের তুলনায় কাপের অনেক দাম বেড়েছে। যত সময় যাচ্ছে ততই দাম বাড়ছে।

শাকিল আহমেদ নামে একজন ক্রেতা বলেন, আমি নিম্ন আয়ের মানুষ। বাচ্চাদের জন্য কাপড় কিনতে এসেছি। যে টাকা বাজেট করে এসেছি, তার চেয়ে কাপড়ের দাম বেশি।

এদিকে ঈদকে সামনে রেখে অফলাইনের পাশাপাশি অনেকেই অনলাইনেও কেনাকাটা করছেন। অনলাইনে কেনাকাটা এ অঞ্চলে অনেক জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে অনেকেই ডেলিভারি সুবিধা পাওয়ার কারণে দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে কেনাকাটা করছেন।

শ্রীমঙ্গলের কাপড়ের ব্যবসায়ী সাইদুল হাসান বলেন, একেবারে কম দানে কাপড় বিক্রি করছি। কেনা দাম পাওয়ায় অনেক কষ্ট হয়ে যাচ্ছে। গার্মেন্টস বা আমরা যেসব জায়গা থেকে পাইকারী কাপড় কিনে আনি, এগুলো থেকে বেশি দামে কিনে এনেছি। এখন বিক্রি করতে হিমশিম খাচ্ছি। গতবছর বা একবছর আগে মেয়েদের যে কাপড় ৩ হাজার টাকা ছিল, এখন তা ৪ থেকে সাড়ে ৪ হাজার টাকা দিয়ে পাইকারী কিনতে হয়। এগুলো কাস্টমারকে বুঝিয়ে বলা অনেক কঠিন।

নজমুল ইসলাম নামে এক কাপড়ের ব্যবসায়ী বলেন, আমাদের দোকান গ্রামের বাজারে। ঈদকে সামনে রেখে জমে উঠেছে বাজার। তবে একেবারে সস্তায় বিক্রি করছি কাপড়। আসলে কাপড়ের দাম বেড়ে যাওয়ায় ক্রেতা এবং বিক্রেতা উভয় বাজেট নিয়ে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দেড় বিলিয়ন ডলার আকুর বিল পরিশোধ, কমলো রিজার্ভ

মৌলভীবাজারে শেষ সময়ে জমে উঠেছে ঈদের কেনাকাটা

আপডেট সময় ০৬:৫১:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬

মৌলভীবাজারের বাজারগুলোতে পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে শেষ মুহূর্তে জমে উঠেছে কেনাকাটা। জেলা শহরসহ বিভিন্ন উপজেলার মার্কেটগুলোতে বাড়ছে সকল ধরনের ক্রেতাদের ভিড়। তবে চাহিদা অনুযায়ী কাপড়ের দাম বেশি বলে ক্রেতারা অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

মৌলভীবাজারে জেলা সদরসহ সাতটি উপজেলার গ্রামের বাজার থেকে শুরু করে প্রায় প্রতিটি কাপড়, কসমেটিক ও জুতার দোকানে এখন ক্রেতাদের পদচারণায় মুখর। রমজানের মাঝামাঝি সময়ে বাজারে ক্রেতাদের উপস্থিতি কম থাকলেও ২০ রোজার পর থেকেই জমে উঠেছে কেনাবেচা। সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত মার্কেটগুলোতে ভিড় করছেন ক্রেতারা। রং-বেরঙের পোশাক কিনতেই বেশি ব্যস্ত নারী-পুরুষ ও তরুণ-তরুণীরা।

ক্রেতাদের সঙ্গে আলাপ করে জানা যায়, এ বছর কাপড়ের দাম বেশি। চাহিদার তুলনায় কাপড় কম তবে দাম বেশি। বিশেষ করে মেয়েদের ও বাচ্চাদের কাপড়ে অনেক দাম। তারপরও সবাই সাধ্যমতো কাপড় ক্রয় করছেন। কেউ মার্কেট থেকে কিনছেন আবার কেউ ফুটপাত থেকে।

সরেজমিনে জেলার সবচেয়ে বৃহৎ শ্রীমঙ্গলের পাইকারী মার্কেটসহ বিভিন্ন শপিং মলে দেখা যায়, ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে শেষ সময়ে বিপণি-বিতানগুলোতে কেনাকাটা জমে উঠেছে কেনাবেচা। স্থানীয় দোকানগুলোতে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে। দেশীয় পোশাকের পাশাপাশি বড়বড় শপিংমল থেকে ভারতীয় ও পাকিস্তানি পোশাক কিনছেন অনেকেই।

মৌলভীবাজার একটি শপিংমলে কাপড় কিনতে আসা শাম্মি আক্তার বলেন, পরিবারের সদস্যদের জন্য কাপড় কিনেছি। তবে কাপড়ে অনেক দাম। ছোটছোট মেয়ে বাচ্চাদের কাপড় কিনতে ৪-৫ হাজার টাকা চলে যায়। মেয়েদের থ্রি-পিছেও অনেক দাম। গত বছরের তুলনায় কাপের অনেক দাম বেড়েছে। যত সময় যাচ্ছে ততই দাম বাড়ছে।

শাকিল আহমেদ নামে একজন ক্রেতা বলেন, আমি নিম্ন আয়ের মানুষ। বাচ্চাদের জন্য কাপড় কিনতে এসেছি। যে টাকা বাজেট করে এসেছি, তার চেয়ে কাপড়ের দাম বেশি।

এদিকে ঈদকে সামনে রেখে অফলাইনের পাশাপাশি অনেকেই অনলাইনেও কেনাকাটা করছেন। অনলাইনে কেনাকাটা এ অঞ্চলে অনেক জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে অনেকেই ডেলিভারি সুবিধা পাওয়ার কারণে দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে কেনাকাটা করছেন।

শ্রীমঙ্গলের কাপড়ের ব্যবসায়ী সাইদুল হাসান বলেন, একেবারে কম দানে কাপড় বিক্রি করছি। কেনা দাম পাওয়ায় অনেক কষ্ট হয়ে যাচ্ছে। গার্মেন্টস বা আমরা যেসব জায়গা থেকে পাইকারী কাপড় কিনে আনি, এগুলো থেকে বেশি দামে কিনে এনেছি। এখন বিক্রি করতে হিমশিম খাচ্ছি। গতবছর বা একবছর আগে মেয়েদের যে কাপড় ৩ হাজার টাকা ছিল, এখন তা ৪ থেকে সাড়ে ৪ হাজার টাকা দিয়ে পাইকারী কিনতে হয়। এগুলো কাস্টমারকে বুঝিয়ে বলা অনেক কঠিন।

নজমুল ইসলাম নামে এক কাপড়ের ব্যবসায়ী বলেন, আমাদের দোকান গ্রামের বাজারে। ঈদকে সামনে রেখে জমে উঠেছে বাজার। তবে একেবারে সস্তায় বিক্রি করছি কাপড়। আসলে কাপড়ের দাম বেড়ে যাওয়ায় ক্রেতা এবং বিক্রেতা উভয় বাজেট নিয়ে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে।