সংবাদ শিরোনাম ::
স্পেনের প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রীর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা, পাসপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ অর্থনৈতিক সংকট সমাধানে দুই বছর লাগবে: অর্থমন্ত্রী ইরানের সঙ্গে চুক্তি করায় ইসরায়েলের তোপের মুখে ট্রাম্প বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে সুইডেন রাষ্ট্রদূতের বৈঠক দুদকের মামলায় মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী চার দিনের রিমান্ড বিকেলে মালয়েশিয়ার উদ্দেশে রওনা হবেন প্রধানমন্ত্রী চলতি বছরের শেষে শাহজালালের থার্ড টার্মিনাল উদ্বোধন : বিমানমন্ত্রী জামিন পেলেন অগ্রযাত্রা প্রতিদিনের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক রেজানুর সেই ২০ জনকে আবারও পুশ-ইনের চেষ্টা, এবার লাঠি নিয়ে পাহারায় জনগণ নাফরিজা শ্যামার সিদ্ধান্তে কাজ ছাড়াই ১০০ কোটি টাকা উত্তোলন

ঘুষ -দুর্নীতির মাফিয়া রানী চট্টগ্রাম রেজিস্ট্রেশন কমপ্লেক্সের অঞ্জনা সেন

চট্টগ্রাম রেজিস্ট্রেশন কমপ্লেক্সে সদর রেকর্ড রুমে ঘুষ – দুর্নীতির সমারহ হয়ে উঠেছে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে সাধারণ জনগণ যে কোনো নকলের দলিল আনতে গেলে গুনতে হচ্ছে মোটা অংকের ঘুষ যা দিতে বাধ্য করছেন সদর রেকর্ড রুমের রেকর্ড কিপার
অঞ্জনা সেন।

অঞ্জনা সেন বিগত বিশ বছর ধরে একই জায়গায় একই টেবিলের রয়েছেন তার নেই কোন পরিবর্তন যেখানে ৩ বছরে পর বদলি হওয়ার কথা থাকলেও বদলি হননি অঞ্জনা সেন। এই রহস্য মূল কারন উঠে আছে তার বিরুদ্ধে হওয়া( দুর্নীতি দমন কমিশন-দুদকের) অভিযোগ হওয়ার সূএ থেকে।

এই অঞ্জনা সেন বিগত ১৭ বছর স্বৈরাচার সরকার আওয়ামী লীগ একজন কর্মী হিসেবে কাজ করেছেন। সেই দাপটে চট্টগ্রাম রেজিষ্ট্রেশন কমপ্লেক্সকে একক ভাবে জিম্মি করে প্রতিদিন হাতিয়ে নিচ্ছেন লক্ষ লক্ষ ঘুষের টাকা।

ঘুষের টাকা হাতিয়ে নেওয়ার জন্য এমন কোন অপরাধ ছাড় দেননি তিনি চট্টগ্রাম রেজিস্ট্রেশন কমপ্লেক্সের রেকর্ড কিপার হিসেবে থেকে বালামে ঘষামাজা ও পৃষ্ঠা ছিড়ে ফেলার মত অবৈধ অপকর্ম করেছেন অঞ্জনা সেন যা আইনের দৃষ্টিতে জঘন্য অপরাধে লিপ্ত রয়েছেন তিনি।

তার এই ঘুষ – দুর্নীতি অবৈধ পন্থে কালো টাকা দিয়ে ইসকনের মত সন্ত্রাসী সংহঠন ও ৫ই আগস্ট বাংলাদেশে যে ছাএ হত্যা করেছে স্বৈরাচার সরকার আওয়ামী লীগ তাদের অর্থের যোগান দিয়েছেন এই অঞ্জনা সেন। সেই সাথে গড়ে তুলেছেন অবৈধ সম্পদের পাহাড় ভারতে সল্ট লেকে রাজপ্রসাধের মত বাড়ি, কলকাতায় নিউমার্কেটে রয়েছে তার কয়েকটি দোকান যা অবৈধ কালো টাকা পাচার করে গড়ে তোলা। সেই সাথে বাংলাদেশে চট্টগ্রামের প্রাণ কেন্দ্র চকবাজারে রয়েছে বিলাশ বহুল বাড়ি, ফ্ল্যাট এবং অর্ধ কোটি টাকা দামের বিলাশ বহুল গাড়ি যা সম্পূর্ণ তার পরিবারের সদস্যরা ব্যবহার করে থাকেন।

এ অভিযোগ পএ সূত্রে আরও জানা যায় এ দুর্নীতিবাজ অঞ্জনা সেনের কবলে পড়ে প্রতিদিন নকল প্রতি সাধারণ জনগনকে দিতে হচ্ছে ৫ থেকে শুরু করে ৩০ হাজার টাকা। কোন কোন নকল প্রতি দিতে হয় ২/৩ লক্ষ টাকা। এ টাকা না দিলে বলেন বালাম বই খুজে পাওয়া যাচ্ছে না।

এ সকল বিষয়ে অঞ্জনা সেনের মুঠো ফোনে ফোন করলে তিনি বলে এ সব বিষয় মিথ্যা কিন্তুু বিগত বিশ বছর একই অফিসের থাকার কথা জানতে চাইলে অঞ্জনা সেন বলে সে খুব অসুস্থ সেই জন্য তিনি একই অফিসে রয়েছেন। এখন প্রশ্ন হচ্ছে সরকারি দপ্তরে চাকরি করাকালীন কোন কেরানী কি অসুস্থতার সার্টিফিকেট দিয়ে এত বছর একই জায়গায় কর্মরত থাকতে পারেন?

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

স্পেনের প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রীর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা, পাসপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ

ঘুষ -দুর্নীতির মাফিয়া রানী চট্টগ্রাম রেজিস্ট্রেশন কমপ্লেক্সের অঞ্জনা সেন

আপডেট সময় ০৫:২২:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

চট্টগ্রাম রেজিস্ট্রেশন কমপ্লেক্সে সদর রেকর্ড রুমে ঘুষ – দুর্নীতির সমারহ হয়ে উঠেছে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে সাধারণ জনগণ যে কোনো নকলের দলিল আনতে গেলে গুনতে হচ্ছে মোটা অংকের ঘুষ যা দিতে বাধ্য করছেন সদর রেকর্ড রুমের রেকর্ড কিপার
অঞ্জনা সেন।

অঞ্জনা সেন বিগত বিশ বছর ধরে একই জায়গায় একই টেবিলের রয়েছেন তার নেই কোন পরিবর্তন যেখানে ৩ বছরে পর বদলি হওয়ার কথা থাকলেও বদলি হননি অঞ্জনা সেন। এই রহস্য মূল কারন উঠে আছে তার বিরুদ্ধে হওয়া( দুর্নীতি দমন কমিশন-দুদকের) অভিযোগ হওয়ার সূএ থেকে।

এই অঞ্জনা সেন বিগত ১৭ বছর স্বৈরাচার সরকার আওয়ামী লীগ একজন কর্মী হিসেবে কাজ করেছেন। সেই দাপটে চট্টগ্রাম রেজিষ্ট্রেশন কমপ্লেক্সকে একক ভাবে জিম্মি করে প্রতিদিন হাতিয়ে নিচ্ছেন লক্ষ লক্ষ ঘুষের টাকা।

ঘুষের টাকা হাতিয়ে নেওয়ার জন্য এমন কোন অপরাধ ছাড় দেননি তিনি চট্টগ্রাম রেজিস্ট্রেশন কমপ্লেক্সের রেকর্ড কিপার হিসেবে থেকে বালামে ঘষামাজা ও পৃষ্ঠা ছিড়ে ফেলার মত অবৈধ অপকর্ম করেছেন অঞ্জনা সেন যা আইনের দৃষ্টিতে জঘন্য অপরাধে লিপ্ত রয়েছেন তিনি।

তার এই ঘুষ – দুর্নীতি অবৈধ পন্থে কালো টাকা দিয়ে ইসকনের মত সন্ত্রাসী সংহঠন ও ৫ই আগস্ট বাংলাদেশে যে ছাএ হত্যা করেছে স্বৈরাচার সরকার আওয়ামী লীগ তাদের অর্থের যোগান দিয়েছেন এই অঞ্জনা সেন। সেই সাথে গড়ে তুলেছেন অবৈধ সম্পদের পাহাড় ভারতে সল্ট লেকে রাজপ্রসাধের মত বাড়ি, কলকাতায় নিউমার্কেটে রয়েছে তার কয়েকটি দোকান যা অবৈধ কালো টাকা পাচার করে গড়ে তোলা। সেই সাথে বাংলাদেশে চট্টগ্রামের প্রাণ কেন্দ্র চকবাজারে রয়েছে বিলাশ বহুল বাড়ি, ফ্ল্যাট এবং অর্ধ কোটি টাকা দামের বিলাশ বহুল গাড়ি যা সম্পূর্ণ তার পরিবারের সদস্যরা ব্যবহার করে থাকেন।

এ অভিযোগ পএ সূত্রে আরও জানা যায় এ দুর্নীতিবাজ অঞ্জনা সেনের কবলে পড়ে প্রতিদিন নকল প্রতি সাধারণ জনগনকে দিতে হচ্ছে ৫ থেকে শুরু করে ৩০ হাজার টাকা। কোন কোন নকল প্রতি দিতে হয় ২/৩ লক্ষ টাকা। এ টাকা না দিলে বলেন বালাম বই খুজে পাওয়া যাচ্ছে না।

এ সকল বিষয়ে অঞ্জনা সেনের মুঠো ফোনে ফোন করলে তিনি বলে এ সব বিষয় মিথ্যা কিন্তুু বিগত বিশ বছর একই অফিসের থাকার কথা জানতে চাইলে অঞ্জনা সেন বলে সে খুব অসুস্থ সেই জন্য তিনি একই অফিসে রয়েছেন। এখন প্রশ্ন হচ্ছে সরকারি দপ্তরে চাকরি করাকালীন কোন কেরানী কি অসুস্থতার সার্টিফিকেট দিয়ে এত বছর একই জায়গায় কর্মরত থাকতে পারেন?