ঢাকা ০৫:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রূপপুরে বালিশ-কাণ্ডের চেয়েও বড় দুর্নীতির তথ্য ফাঁস ৮০০ কোটি টাকায় বেঙ্গল গ্রুপের ২৬ তলা ‘সুইস টাওয়ার’ কিনছে পূবালী ব্যাংক ৫০ হাজার টাকার বেতনে কোটি টাকার সম্পদ-শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশলীকে ঘিরে অনুসন্ধান কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের হিসাবরক্ষক মাসুম রেজার বিরুদ্ধে ঘুষ গ্রহণের অভিযোগে স্ত্রী-সন্তানসহ জালিয়াতি, হাজার কোটি টাকার কর ফাঁকি ও দুর্নীতির অভিযোগ নারায়ণগঞ্জ গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী হারুনের বিরুদ্ধে কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ নোয়াখালী মেডিকেল কলেজ প্রকল্পে ২৫৪ কোটি টাকার টেন্ডার জালিয়াতির অভিযোগ ঢামেকে কোটি টাকার অর্থ লোপাটের অভিযোগে তোলপাড়, অভিযুক্ত ৩ কর্মকর্তা থার্ড টার্মিনালে অনুমোদন ছাড়াই ৩ হাজার ২০০ কোটি টাকা ব্যয় অবৈধ সম্পদের পাহাড় গড়েছেন রাজউকের পলাশ

‘নগ্ন হয়ে চাঁদে চলে গেলেই পারতেন’

  • বিনোদন ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৭:৪২:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৬৪৩ বার পড়া হয়েছে

প্রকৃতির কোলে আত্মানুসন্ধানের দাবি করে সম্প্রতি এক বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন অভিনেতা বিদ্যুৎ জামওয়াল। কিছুদিন আগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তিনি একটি ভিডিও শেয়ার করেন, যেখানে দেখা যায়—নগ্ন অবস্থায় গাছে গাছে লাফিয়ে বেড়াচ্ছেন তিনি।

বিদ্যুতের ভাষ্য, নিজের আত্মাকে খুঁজে পেতেই তিনি এভাবে প্রকৃতির মধ্যে বিলীন হয়েছেন।

তবে বিদ্যুতের এই ভাবনা বা উপস্থাপন একেবারেই ভালোভাবে নেননি অভিনেত্রী রোজলিন খান।

প্রকাশ্যে কড়া ভাষায় বিদ্যুতের সমালোচনা করেছেন তিনি।
রোজলিনের দাবি, নগ্নতা কখনোই সাহসিকতার প্রতীক হতে পারে না।

রোজলিন বলেন, ‘বিদ্যুৎ জামওয়াল, আমার ভাই—নগ্ন হওয়ার মধ্যে কোনো সাহসিকতা নেই। কেউ কেউ টাকার জন্য নগ্ন হয়, কিন্তু আপনি রোমাঞ্চের জন্য নগ্ন হয়েছেন।

অসাধারণ! আপনাকে তো ভারতরত্ন দেওয়া উচিত।’
এখানেই থামেননি তিনি। বিদ্রুপের সুরে রোজলিন আরো বলেন,
‘এখানেই বা থামলেন কেন? নগ্ন হয়ে তো চাঁদেই চলে যেতে পারতেন! কী মূর্খামি। উনি বোঝাতে চাইছেন, তিনি কিছুই ভয় পান না।

পোশাক না পরে সেই বার্তা দিতে চান। সত্যিই বলিউডে কি নগ্নতা আর বিতর্ক ছাড়া আর কিছু নেই?’
প্রসঙ্গত, বিদ্যুৎ জামওয়াল আগেও একাধিকবার দাবি করেছেন, প্রতিবছর একটি নির্দিষ্ট সময়ে শহরের বিলাসবহুল জীবন থেকে নিজেকে সরিয়ে নিয়ে তিনি প্রকৃতির কাছে ফিরে যান।

তার মতে, প্রকৃতির মধ্যেই নিজেকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নতুন করে গড়ে তোলা সম্ভব।

এই ভিডিও শেয়ার করার সময় বিদ্যুৎ লিখেছিলেন, “একজন কালারিপায়াত্তুর ছাত্র হিসেবে বছরে একটি সময় আমি প্রকৃতির মধ্যে নিজেকে মেলে ধরি। একে বলা হয় ‘সহজা’।

‘সহজা’ মানে প্রাকৃতিক স্বাচ্ছন্দ্য, সহজাত প্রবৃত্তির অবস্থায় ফিরে যাওয়া এবং প্রকৃতির সঙ্গে গভীর সংযোগ ও অন্তর্গত সচেতনতার মধ্যে জীবনযাপন।”
সব মিলিয়ে, আত্মানুসন্ধানের নামে বিদ্যুতের এই উদ্যোগ যেমন একাংশের কাছে সাহসী ও ব্যতিক্রমী বলে মনে হয়েছে, তেমনই রোজলিন খানের মতো অনেকেই একে অপ্রয়োজনীয় বিতর্ক ও দৃষ্টিকটু বলেই দেখছেন।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রূপপুরে বালিশ-কাণ্ডের চেয়েও বড় দুর্নীতির তথ্য ফাঁস

‘নগ্ন হয়ে চাঁদে চলে গেলেই পারতেন’

আপডেট সময় ০৭:৪২:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬

প্রকৃতির কোলে আত্মানুসন্ধানের দাবি করে সম্প্রতি এক বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন অভিনেতা বিদ্যুৎ জামওয়াল। কিছুদিন আগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তিনি একটি ভিডিও শেয়ার করেন, যেখানে দেখা যায়—নগ্ন অবস্থায় গাছে গাছে লাফিয়ে বেড়াচ্ছেন তিনি।

বিদ্যুতের ভাষ্য, নিজের আত্মাকে খুঁজে পেতেই তিনি এভাবে প্রকৃতির মধ্যে বিলীন হয়েছেন।

তবে বিদ্যুতের এই ভাবনা বা উপস্থাপন একেবারেই ভালোভাবে নেননি অভিনেত্রী রোজলিন খান।

প্রকাশ্যে কড়া ভাষায় বিদ্যুতের সমালোচনা করেছেন তিনি।
রোজলিনের দাবি, নগ্নতা কখনোই সাহসিকতার প্রতীক হতে পারে না।

রোজলিন বলেন, ‘বিদ্যুৎ জামওয়াল, আমার ভাই—নগ্ন হওয়ার মধ্যে কোনো সাহসিকতা নেই। কেউ কেউ টাকার জন্য নগ্ন হয়, কিন্তু আপনি রোমাঞ্চের জন্য নগ্ন হয়েছেন।

অসাধারণ! আপনাকে তো ভারতরত্ন দেওয়া উচিত।’
এখানেই থামেননি তিনি। বিদ্রুপের সুরে রোজলিন আরো বলেন,
‘এখানেই বা থামলেন কেন? নগ্ন হয়ে তো চাঁদেই চলে যেতে পারতেন! কী মূর্খামি। উনি বোঝাতে চাইছেন, তিনি কিছুই ভয় পান না।

পোশাক না পরে সেই বার্তা দিতে চান। সত্যিই বলিউডে কি নগ্নতা আর বিতর্ক ছাড়া আর কিছু নেই?’
প্রসঙ্গত, বিদ্যুৎ জামওয়াল আগেও একাধিকবার দাবি করেছেন, প্রতিবছর একটি নির্দিষ্ট সময়ে শহরের বিলাসবহুল জীবন থেকে নিজেকে সরিয়ে নিয়ে তিনি প্রকৃতির কাছে ফিরে যান।

তার মতে, প্রকৃতির মধ্যেই নিজেকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নতুন করে গড়ে তোলা সম্ভব।

এই ভিডিও শেয়ার করার সময় বিদ্যুৎ লিখেছিলেন, “একজন কালারিপায়াত্তুর ছাত্র হিসেবে বছরে একটি সময় আমি প্রকৃতির মধ্যে নিজেকে মেলে ধরি। একে বলা হয় ‘সহজা’।

‘সহজা’ মানে প্রাকৃতিক স্বাচ্ছন্দ্য, সহজাত প্রবৃত্তির অবস্থায় ফিরে যাওয়া এবং প্রকৃতির সঙ্গে গভীর সংযোগ ও অন্তর্গত সচেতনতার মধ্যে জীবনযাপন।”
সব মিলিয়ে, আত্মানুসন্ধানের নামে বিদ্যুতের এই উদ্যোগ যেমন একাংশের কাছে সাহসী ও ব্যতিক্রমী বলে মনে হয়েছে, তেমনই রোজলিন খানের মতো অনেকেই একে অপ্রয়োজনীয় বিতর্ক ও দৃষ্টিকটু বলেই দেখছেন।