দ্বীপরাষ্ট্র সামোয়া চলতি বছর জেরুজালেমে একটি দূতাবাস খুলবে। ইসরায়েলে অবস্থিত অধিকাংশ দেশের কূটনৈতিক মিশন যেখানে তেল আবিবে অবস্থিত, সেখানে এটি একটি বিরল পদক্ষেপ।
জেরুজালেমে দূতাবাস খোলা অষ্টম দেশ হবে সামোয়া। এ ছাড়া প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল থেকে তৃতীয় দেশ তারা।
এর আগে ফিজি ও পাপুয়া নিউ গিনি সেখানে তাদের মিশন খুলেছে। এক্সে দেওয়া এক পোস্টে সা’র লেখেন, ‘এইমাত্র সামোয়ার প্রধানমন্ত্রী লা’আউলি লেউয়াতেয়া শ্মিটের সঙ্গে কথা বলেছি। ২০২৬ সালে জেরুজালেমে দূতাবাস খোলার নৈতিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য তাকে ধন্যবাদ জানিয়েছি।’
তিনি আরো লেখেন, ‘বহুপক্ষীয় অঙ্গনে ইসরায়েলের প্রতি সামোয়ার ধারাবাহিক সমর্থনের জন্যও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছি। তিনি আরো জানান, সামোয়ার প্রধানমন্ত্রীকে ইসরায়েল সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন তিনি। ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংঘাতের অন্যতম জটিল ইস্যু জেরুজালেমের মর্যাদা।
১৯৬৭ সালের আরব-ইসরায়েল যুদ্ধের পর ইসরায়েল পূর্ব জেরুজালেমকে তাদের মানচিত্রে সংযুক্ত ক্রে। যদিও এ পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় স্বীকৃতি দেয়নি।
জেরুজালেমে দূতাবাস খুলতে ইচ্ছুক দেশগুলোকে উৎসাহিত করতে ইসরায়েল সরকারের একটি আনুষ্ঠানিক নীতি রয়েছে। এর মধ্যে স্থানান্তর ও স্থাপনা ব্যয়ের জন্য আর্থিক সহায়তাসহ বিভিন্ন প্রণোদনা অন্তর্ভুক্ত।
চলতি সপ্তাহের শুরুতে সামোয়া সরকারের ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক বক্তব্যে শ্মিট জানান, বছরের শেষ নাগাদ দূতাবাস খোলার প্রস্তুতি শুরু করতে তিনি সামোয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দিয়েছেন।
সামোয়ার মতো ছোট রাষ্ট্রগুলোর ক্ষেত্রে, ইসরায়েলের মতো বৈশ্বিকভাবে সংযুক্ত একটি দেশের কূটনৈতিক সমর্থন উন্নয়ন সহায়তা, বাণিজ্য সুযোগ, প্রশিক্ষণ কর্মসূচি এবং কারিগরি সহযোগিতার মতো ক্ষেত্রে সহায়ক হতে পারে।
জেরুজালেমে কূটনৈতিক মিশন থাকা অন্য দেশগুলো হলো যুক্তরাষ্ট্র, গুয়াতেমালা, হন্ডুরাস, কসোভো, পাপুয়া নিউ গিনি ও প্যারাগুয়ে।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক 

























