সংবাদ শিরোনাম ::
অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে সর্বোচ্চ দুর্নীতি হয়েছে: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টেকনিক্যাল ত্রুটি ও কয়লা সংকটে ৩০০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন কমেছে ঝালকাঠিতে পৌর কবরস্থান-৫ এর উদ্বোধন বাজেট নয়, এটি প্রচারণার দলিল এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসির উদ্দিন পাটোয়ারীর জুড়ী-বড়লেখা সফর, ১১ দলীয় নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় আয়াতুল্লাহ খামেনির জানাজা ও দাফনে অংশ নেবে ২ কোটি মানুষ এআই প্রযুক্তির পোষ্টার প্রদর্শনী ৩১ দফা বাস্তবায়নে বিশেষ ভূমিকা রাখবে : আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম অতিরিক্ত আইজিপিসহ পুলিশের ২১ কর্মকর্তাকে বদলি মৌলভীবাজার সীমান্তে পুশইনের চেষ্টা,কঠোর অবস্থানে বিজিবি নওগাঁয় এক মাদ্রাসা ছাত্রের মরদেহ উদ্ধার

মিঠাপুকুরে টিসিবির কার্ড বিতরনে লাখ টাকা চাঁদা আদায়

রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলা চেংমারী ইউনিয়নে ট্রেডিং কর্পোরেনশন অফ বাংলাদেশ টিসিবির কার্ড বিতরনে ভুক্তভোগীদের নিকট থেকে লক্ষাধিক টাকা চাঁদা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে, সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত প্রশাসক ও ইউনিয়ন পরিষদের সচিব, অফিস সহকারী কমম্পিটার অপারেটর রজ্জব আলীর বিরুদ্ধে।
সরেজমিন পরিদর্শনে দেখা যায, , উপজেলার চেংমারী ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত প্রশাসকের নির্দেশে ইউনিয়ন পরিষদের অফিস সহকারী কমম্পিউটার অপারেটর রজ্জব আলী ,সরকারী ভাবে বিনা মুল্যে বিতরনের জন্য টিসিবির পন্য ন্যায্য মুল্যে ক্রয়ের কার্ড বিতরনে প্রতিটি কার্ডের বিপরীতে ভুক্তভোগীদের নিকট ১৭৫ টাকা করে রশিদ মূল্য গ্রহন করেন। এতে প্রায় কয়েক লাখ রশিদের মাধ্যমে রশিদের মাধ্যমে ভুক্তভোগী দের নিকটে থেকে উৎকোচ আদায় করেন এতে করে প্রায় কয়েক লাখ লাখ টাকা আদায় করেন বলে ভুক্তভোগী এলাকাবাসী জানান। টিসিবির কার্ড ধারী ভুক্তভোগী, গিলাঝুকি গ্রামের সোহরাব হোসেনের পুত্র বুলু মিয়া রশিদ নং ৭৪২১, একই আরিফুর, কার্ড নং ৭৪২০ ধোপাকোল গ্রামের আজিজার রহমানের পুত্র মনোয়ার রশিদ নং ৭৪২০, রামনাথপুর গ্রামের আব্দুল হাকিমের কন্যা সালমা বেগম রশিদ নং ৭৪২৪, সহ আরো অনেক ভুক্ত ভোগী জানান, আমাদের প্রত্যেকের নিকট থেকে টিসিবির কার্ড দেয়ার নামে সরকারী ফির নামে ১৭৫ টাকা করে রশিদ মূল্য চাঁদা আদায় করেন। আমরা এর প্রতিবাদ করতে গেলে কার্ড না দেয়ার হুমকি দেন সংশ্লিষ্ট প্রশাসক ও সহকারী হিসাব রক্ষক। ফলে আমরা নিরুপায় হয়ে প্রত্যেকে ১৭৫ চাঁদা দিয়ে কার্ডগুলি গ্রহন করি । এ বিষয়ে জানতে চাইলে, ভারপ্রাপ্ত ইউনিয়ন পরিষদ প্রশাসক ও পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা মমিনুল করিম জানান,  আমি প্রথমে রশিদ মূল্য  টাকা গ্রহন করতে বলি এবং পরবর্তীতে নিষেধ করি তাও তারা উঠিয়েছে। এ বিষয়ে ওই ইউনিয়ন পরিষদের সহকারী হিসাব রক্ষক  কমম্পিউটার অপারেটর  রজ্জব আলী জানান আমি যা করেছি তা প্রশাসকের নির্দেশেই করেছি। তার বাইরে আমি কিছুই করিনি, এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: পারভেজ মোবাইল ফোন রিসিভ করেন নি, রংপুরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ এনামুল আহসান কে ফোনে পাওয়া যায়নি

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে সর্বোচ্চ দুর্নীতি হয়েছে: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মিঠাপুকুরে টিসিবির কার্ড বিতরনে লাখ টাকা চাঁদা আদায়

আপডেট সময় ০৪:৩৪:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫

রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলা চেংমারী ইউনিয়নে ট্রেডিং কর্পোরেনশন অফ বাংলাদেশ টিসিবির কার্ড বিতরনে ভুক্তভোগীদের নিকট থেকে লক্ষাধিক টাকা চাঁদা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে, সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত প্রশাসক ও ইউনিয়ন পরিষদের সচিব, অফিস সহকারী কমম্পিটার অপারেটর রজ্জব আলীর বিরুদ্ধে।
সরেজমিন পরিদর্শনে দেখা যায, , উপজেলার চেংমারী ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত প্রশাসকের নির্দেশে ইউনিয়ন পরিষদের অফিস সহকারী কমম্পিউটার অপারেটর রজ্জব আলী ,সরকারী ভাবে বিনা মুল্যে বিতরনের জন্য টিসিবির পন্য ন্যায্য মুল্যে ক্রয়ের কার্ড বিতরনে প্রতিটি কার্ডের বিপরীতে ভুক্তভোগীদের নিকট ১৭৫ টাকা করে রশিদ মূল্য গ্রহন করেন। এতে প্রায় কয়েক লাখ রশিদের মাধ্যমে রশিদের মাধ্যমে ভুক্তভোগী দের নিকটে থেকে উৎকোচ আদায় করেন এতে করে প্রায় কয়েক লাখ লাখ টাকা আদায় করেন বলে ভুক্তভোগী এলাকাবাসী জানান। টিসিবির কার্ড ধারী ভুক্তভোগী, গিলাঝুকি গ্রামের সোহরাব হোসেনের পুত্র বুলু মিয়া রশিদ নং ৭৪২১, একই আরিফুর, কার্ড নং ৭৪২০ ধোপাকোল গ্রামের আজিজার রহমানের পুত্র মনোয়ার রশিদ নং ৭৪২০, রামনাথপুর গ্রামের আব্দুল হাকিমের কন্যা সালমা বেগম রশিদ নং ৭৪২৪, সহ আরো অনেক ভুক্ত ভোগী জানান, আমাদের প্রত্যেকের নিকট থেকে টিসিবির কার্ড দেয়ার নামে সরকারী ফির নামে ১৭৫ টাকা করে রশিদ মূল্য চাঁদা আদায় করেন। আমরা এর প্রতিবাদ করতে গেলে কার্ড না দেয়ার হুমকি দেন সংশ্লিষ্ট প্রশাসক ও সহকারী হিসাব রক্ষক। ফলে আমরা নিরুপায় হয়ে প্রত্যেকে ১৭৫ চাঁদা দিয়ে কার্ডগুলি গ্রহন করি । এ বিষয়ে জানতে চাইলে, ভারপ্রাপ্ত ইউনিয়ন পরিষদ প্রশাসক ও পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা মমিনুল করিম জানান,  আমি প্রথমে রশিদ মূল্য  টাকা গ্রহন করতে বলি এবং পরবর্তীতে নিষেধ করি তাও তারা উঠিয়েছে। এ বিষয়ে ওই ইউনিয়ন পরিষদের সহকারী হিসাব রক্ষক  কমম্পিউটার অপারেটর  রজ্জব আলী জানান আমি যা করেছি তা প্রশাসকের নির্দেশেই করেছি। তার বাইরে আমি কিছুই করিনি, এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: পারভেজ মোবাইল ফোন রিসিভ করেন নি, রংপুরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ এনামুল আহসান কে ফোনে পাওয়া যায়নি