ঢাকা ১২:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সাবেক ভূমিমন্ত্রীর ভাইসহ ১১৫ জনের বিরুদ্ধে দুদকের ৮ মামলা

নিজেদের কর্মচারীদের ব্যবহার করে ভুয়া প্রতিষ্ঠানের নামে ঋণ তুলে ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের (ইউসিবিএল) চারটি শাখা থেকে ৫৬ কোটি ১৫ লাখ টাকা আত্মসাতের প্রমাণ পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এই ভয়াবহ জালিয়াতির ঘটনায় ব্যাংকের সাবেক পরিচালক ও ইসি কমিটির চেয়ারম্যান আনিসুজ্জামান চৌধুরী রনিসহ মোট ১১৫ জনের বিরুদ্ধে ৮টি মামলা দায়েরের অনুমোদন দিয়েছে সংস্থাটি।

বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আকতারুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

দুদকের অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, অভিযুক্তরা ব্যাংকের ভেতরে একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছিলেন। সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরীর প্রতিষ্ঠানের সাবেক পরিচালক আনিসুজ্জামান চৌধুরী রনি এবং সাবেক পরিচালক ও ইসি কমিটির সদস্য বশির আহম্মেদ নিজেদের ক্ষমতার অপব্যবহার করে এই জালিয়াতির মূল কলকাঠি নেড়েছেন। তারা নিজেদের অধীনস্থ কর্মচারীদের বিভিন্ন ভুয়া প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী সাজিয়ে ঋণের নামে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেন।

দুদক জানায়, যেসব নামসর্বস্ব প্রতিষ্ঠানের নামে এই বিপুল অর্থ বের করে নেওয়া হয়েছে সেগুলো হলো—এশিয়া এন্টারপ্রাইজ, মুন এন্টারপ্রাইজ, ইসলাম এন্টারপ্রাইজ, সান-সাইন এন্টারপ্রাইজ, আলম এন্টারপ্রাইজ, জুপিটার এন্টারপ্রাইজ, নাজিম অ্যান্ড সন্স এবং আল রাজি এন্টারপ্রাইজ।

মূলত কাগজ-কলমে অস্তিত্বহীন বা দুর্বল এসব প্রতিষ্ঠানের নামে ঋণ মঞ্জুর করিয়ে তা আত্মসাৎ করা হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে জড়িত ১১৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা করার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

সাবেক ভূমিমন্ত্রীর ভাইসহ ১১৫ জনের বিরুদ্ধে দুদকের ৮ মামলা

আপডেট সময় ০৪:৫৮:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫

নিজেদের কর্মচারীদের ব্যবহার করে ভুয়া প্রতিষ্ঠানের নামে ঋণ তুলে ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের (ইউসিবিএল) চারটি শাখা থেকে ৫৬ কোটি ১৫ লাখ টাকা আত্মসাতের প্রমাণ পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এই ভয়াবহ জালিয়াতির ঘটনায় ব্যাংকের সাবেক পরিচালক ও ইসি কমিটির চেয়ারম্যান আনিসুজ্জামান চৌধুরী রনিসহ মোট ১১৫ জনের বিরুদ্ধে ৮টি মামলা দায়েরের অনুমোদন দিয়েছে সংস্থাটি।

বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আকতারুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

দুদকের অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, অভিযুক্তরা ব্যাংকের ভেতরে একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছিলেন। সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরীর প্রতিষ্ঠানের সাবেক পরিচালক আনিসুজ্জামান চৌধুরী রনি এবং সাবেক পরিচালক ও ইসি কমিটির সদস্য বশির আহম্মেদ নিজেদের ক্ষমতার অপব্যবহার করে এই জালিয়াতির মূল কলকাঠি নেড়েছেন। তারা নিজেদের অধীনস্থ কর্মচারীদের বিভিন্ন ভুয়া প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী সাজিয়ে ঋণের নামে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেন।

দুদক জানায়, যেসব নামসর্বস্ব প্রতিষ্ঠানের নামে এই বিপুল অর্থ বের করে নেওয়া হয়েছে সেগুলো হলো—এশিয়া এন্টারপ্রাইজ, মুন এন্টারপ্রাইজ, ইসলাম এন্টারপ্রাইজ, সান-সাইন এন্টারপ্রাইজ, আলম এন্টারপ্রাইজ, জুপিটার এন্টারপ্রাইজ, নাজিম অ্যান্ড সন্স এবং আল রাজি এন্টারপ্রাইজ।

মূলত কাগজ-কলমে অস্তিত্বহীন বা দুর্বল এসব প্রতিষ্ঠানের নামে ঋণ মঞ্জুর করিয়ে তা আত্মসাৎ করা হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে জড়িত ১১৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা করার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন।