ঢাকা ০৮:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ভোলাহাটে সাংবাদিক রনি রজবের পরিবারের ওপর হামলার অভিযোগ বান্দরবান কৃষক দলের শীর্ষ পদে ‘হাইব্রিড’ নেতা অহিদুর! দেশের সব বন্দর ২৪ ঘণ্টা চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর কেরালায় ‘যমজ’ বিয়ের আয়োজন, বর-কনে-পুরোহিত সবাই যমজ সমাজকে আলোকিত করতে যুব সমাজের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ: ড. মোস্তাফিজুর রহমান ফয়সাল লেখাপড়ার পাশাপাশি দক্ষতা অর্জনেও গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: প্রতিমন্ত্রী টুকু তুরাগে ৮০০ পিস ইয়াবাসহ তারার টেকের চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী হৃদয় গ্রেপ্তার ফেনীতে জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ, হামলায় নারীসহ আহত ২; মামলা না নেওয়ার অভিযোগ লালদিয়া টার্মিনাল বন্দরের সক্ষমতা ২৩% বাড়ানোর পরিকল্পনা এপিএম টার্মিনালসের আজ গার্লফ্রেন্ড দিবস, শেষ মুহূর্তেও চমকে দিন এই ৬ উপহারে

 ১৬ ডিসেম্বর স্বপ্নের বিজয় প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি

  • মুস্তাফা মুহিত
  • আপডেট সময় ১২:১০:৫৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৬৭৭ বার পড়া হয়েছে

সকালের আলো ফুটতেই গ্রামের মেঠোপথ, শহরের অলিগলি রাস্তায় লাল-সবুজের পতাকা। স্কুলশিক্ষার্থীদের মুখে বিজয়ের গান। শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা জানাতে মানুষের অপেক্ষা। হৃদয় প্রসারিত করে এক বুক প্রশান্তি-রনি শ্বাস খোলা আকাশে। বছরের অন্য দিনগুলোতে ব্যস্ততার যে চাপ, ১৬ ডিসেম্বর সেদিন এক ধরনের নিরবচ্ছিন্ন অনুরণন থাকে এ দেশের জয়ের স্মৃতি।
১৯৭১ সালের এই দিনে বাঙালি পেয়েছিল স্বাধীনতার ঘোষিত স্বীকৃতি। রেসকোর্স ময়দানে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর আত্মসমর্পণ শুধু যুদ্ধের সমাপ্তি নয়। এটি ছিল বহু পুরোনো বঞ্চনা, লাঞ্ছনা ও জুলুম ভাঙার বিজয়। একটি ভাষার, একটি জাতিসত্তার, একটি স্বপ্নের জয়ের দিন।
আমাদের স্বপ্নের শুরু : স্বাধীনতার প্রথম প্রভাতে মানুষের চোখে ছিল কেবল আশার ছাপ। স্বপ্ন ছিল-ভোটের অধিকার ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, রাষ্ট্রের জবাবদিহি, দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন, বৈষম্যহীন অর্থনীতি, দারিদ্র্যমুক্ত দেশ, মানবিক সমাজ ও নিরাপদ নাগরিক জীবনের নিশ্চয়তা। সবাই চেয়েছিল এমন এক বাংলাদেশ, যেখানে কোনো মানুষ পিছিয়ে থাকবে না, কোনো কণ্ঠ রুদ্ধ হবে না আর।
অগ্রগতির পথচলা : অর্ধশতাব্দী পেরিয়ে বাংলাদেশে বহু ক্ষেত্রে বড় রকমের পরিবর্তন এসেছে। বদলেছে অর্থনীতির অবস্থান, অবকাঠামোর নতুন মানচিত্র, সামাজিক সূচকে এগিয়ে থাকা ও ডিজিটাল অগ্রগতি।
একসময় যাকে তলাবিহীন ঝুড়ি বলা হতো, সেই বাংলাদেশ এখন বহু দেশের জন্য শেখার উদাহরণ। রপ্তানি আয়ের বিস্তার, কৃষিতে উৎপাদন-সব মিলিয়ে দেশ এখন দক্ষিণ এশিয়ার উদীয়মান অর্থনীতির একটি প্রতিযোগী নাম।
পৃথিবীর দীর্ঘতম পদ্মা সেতু এখন শুধু যোগাযোগের নয়, আত্মবিশ্বাসের প্রতীক। মেট্রোরেল, টানেল, এক্সপ্রেসওয়ে-রাজধানী থেকে উপকূল পর্যন্ত উন্নয়নের নতুন সংযোগ তৈরি হচ্ছে।
নারীর কর্মসংস্থান, শিশুমৃত্যুহার কমে যাওয়া, টিকাদান-এসব ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সাফল্য বিশ্বব্যাপী আলোচিত।
ফেসবুক লাইভে খবর আসে, মোবাইলে ব্যাংকিং হয়, অনলাইনে সরকারি সেবা পাওয়া যায়। তরুণ উদ্যোক্তাদের উদ্যোগে তৈরি হচ্ছে নতুন কর্মক্ষেত্র; দেশের কাজের ধরন পাল্টে যাচ্ছে।
প্রত্যাশা ও প্রাপ্তির ফারাক : আমাদের অর্থনীতি বেড়েছে, বড় প্রকল্প হয়েছে, শহরে জন্ম নিয়েছে নব্য সম্ভ্রান্ত শ্রেণি। বড় বড় সেতু, এক্সপ্রেসওয়ে, মেট্রোরেল-সবই দৃশ্যমান বাস্তবতা। তবে সুশাসন ও স্বচ্ছ তদারকির অভাবে প্রকল্পে লুট হয়েছে কোটি কোটি টাকা। সাধারণ মানুষের জীবনে ব্যয়ের চাপ বেড়েছে। শিক্ষার মানের অবনতি, চিকিৎসাখাতে বাণিজ্যিকীকরণ, সামাজিক নিরাপত্তাহীনতা-সব মিলিয়ে মানুষের প্রশ্ন: অর্জনের সিংহভাগ কি হাতে গোনা কিছু গোষ্ঠীর মধ্যেই সীমাবদ্ধ নাগরিক উন্নয়ন হয়েছে, কিন্তু কতটা টেকসই-এর জবাব পাওয়া কঠিন।
চব্বিশের তরুণদের প্রত্যাশা : চব্বিশের তরুণরা ফ্যাসিবাদের কবল থেকে দেশ ও জাতিকে মুক্তির স্বাদ এনে দিয়েছে ফের। তাদের প্রত্যাশাগুলোতেই আলোকপাত প্রয়োজন বোধ করছি। আমাদের তরুণ প্রজন্মের প্রত্যাশা এখন আর আবেগী স্লোগানে সীমাবদ্ধ নেই; তা পরিণত হয়েছে স্পষ্ট রাজনৈতিক ও সামাজিক দাবিতে। তারা প্রথমেই চায় অর্থবহ ভোটাধিকার, যেখানে ভোট দেওয়া মানে হবে প্রকৃত মতপ্রকাশ-আনুষ্ঠানিকতা নয়। নির্বাচন যেন রাষ্ট্রের উৎসব হয়, নাটক নয়-এটাই তরুণদের মৌলিক প্রত্যাশা।
কর্মসংস্থানের প্রশ্নে তরুণরা আর সংখ্যার বয়ানে সন্তুষ্ট নয়। তারা চায় সম্মানজনক, মেধাভিত্তিক ও নিরাপদ কাজ। বিসিএসনির্ভরতা কমিয়ে দক্ষতা ও উদ্যোগকে উৎসাহ দেওয়ার রাষ্ট্রীয় নীতি এখন সময়ের দাবি। সনদধারী বেকার তৈরির কারখানা হিসেবে শিক্ষাব্যবস্থার পরিচয় বদলাতে হবে।
শিক্ষাক্ষেত্রে তরুণদের প্রত্যাশা স্পষ্ট-মুখস্থ নির্ভরতা নয়, চিন্তার স্বাধীনতা। ক্যাম্পাস হবে জ্ঞানচর্চার জায়গা, দলীয় বলয়ের নয়। প্রশ্ন করার অধিকার, ভিন্নমতের নিরাপত্তা ও গবেষণার সুযোগ ছাড়া কোনো শিক্ষাব্যবস্থা ভবিষ্যৎ নির্মাণ করতে পারে না।
তরুণরা এমন রাষ্ট্র চায়, যার সঙ্গে সম্পর্ক ভয়ভিত্তিক নয়, আস্থাভিত্তিক। সমালোচনার জবাবে মামলা বা গ্রেপ্তার নয়, বরং যুক্তি ও সংস্কার-এই মানসিকতাই চব্বিশ-পরবর্তী রাষ্ট্রের পরিচয় হওয়া উচিত।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, তরুণরা রাজনীতিতে ব্যবহৃত হতে নয়, যুক্ত হতে চায়। তারা পোস্টার বা মিছিলের সংখ্যা নয়, সিদ্ধান্ত গ্রহণের অংশ হতে চায়। এই প্রত্যাশা উপেক্ষা করলে তরুণরা নয়-রাষ্ট্রই ভবিষ্যৎ হারাবে।
শেষকথা : বিজয়ের ৫৩ বছর পর দাঁড়িয়ে দেখলে বোঝা যায়, দেশ অনেক এগিয়েছে, কিন্তু পথ এখনো দীর্ঘ। শহীদের রক্তে রচিত স্বপ্নের বাংলাদেশ হতে হলে প্রয়োজন সম্মিলিত প্রয়াস, দায়িত্ববোধ ও মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি। ১৬ ডিসেম্বর আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয়-বিজয় শুধুই ইতিহাসের পাতা নয়; এটি সামনে এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ভোলাহাটে সাংবাদিক রনি রজবের পরিবারের ওপর হামলার অভিযোগ

 ১৬ ডিসেম্বর স্বপ্নের বিজয় প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি

আপডেট সময় ১২:১০:৫৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫

সকালের আলো ফুটতেই গ্রামের মেঠোপথ, শহরের অলিগলি রাস্তায় লাল-সবুজের পতাকা। স্কুলশিক্ষার্থীদের মুখে বিজয়ের গান। শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা জানাতে মানুষের অপেক্ষা। হৃদয় প্রসারিত করে এক বুক প্রশান্তি-রনি শ্বাস খোলা আকাশে। বছরের অন্য দিনগুলোতে ব্যস্ততার যে চাপ, ১৬ ডিসেম্বর সেদিন এক ধরনের নিরবচ্ছিন্ন অনুরণন থাকে এ দেশের জয়ের স্মৃতি।
১৯৭১ সালের এই দিনে বাঙালি পেয়েছিল স্বাধীনতার ঘোষিত স্বীকৃতি। রেসকোর্স ময়দানে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর আত্মসমর্পণ শুধু যুদ্ধের সমাপ্তি নয়। এটি ছিল বহু পুরোনো বঞ্চনা, লাঞ্ছনা ও জুলুম ভাঙার বিজয়। একটি ভাষার, একটি জাতিসত্তার, একটি স্বপ্নের জয়ের দিন।
আমাদের স্বপ্নের শুরু : স্বাধীনতার প্রথম প্রভাতে মানুষের চোখে ছিল কেবল আশার ছাপ। স্বপ্ন ছিল-ভোটের অধিকার ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, রাষ্ট্রের জবাবদিহি, দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন, বৈষম্যহীন অর্থনীতি, দারিদ্র্যমুক্ত দেশ, মানবিক সমাজ ও নিরাপদ নাগরিক জীবনের নিশ্চয়তা। সবাই চেয়েছিল এমন এক বাংলাদেশ, যেখানে কোনো মানুষ পিছিয়ে থাকবে না, কোনো কণ্ঠ রুদ্ধ হবে না আর।
অগ্রগতির পথচলা : অর্ধশতাব্দী পেরিয়ে বাংলাদেশে বহু ক্ষেত্রে বড় রকমের পরিবর্তন এসেছে। বদলেছে অর্থনীতির অবস্থান, অবকাঠামোর নতুন মানচিত্র, সামাজিক সূচকে এগিয়ে থাকা ও ডিজিটাল অগ্রগতি।
একসময় যাকে তলাবিহীন ঝুড়ি বলা হতো, সেই বাংলাদেশ এখন বহু দেশের জন্য শেখার উদাহরণ। রপ্তানি আয়ের বিস্তার, কৃষিতে উৎপাদন-সব মিলিয়ে দেশ এখন দক্ষিণ এশিয়ার উদীয়মান অর্থনীতির একটি প্রতিযোগী নাম।
পৃথিবীর দীর্ঘতম পদ্মা সেতু এখন শুধু যোগাযোগের নয়, আত্মবিশ্বাসের প্রতীক। মেট্রোরেল, টানেল, এক্সপ্রেসওয়ে-রাজধানী থেকে উপকূল পর্যন্ত উন্নয়নের নতুন সংযোগ তৈরি হচ্ছে।
নারীর কর্মসংস্থান, শিশুমৃত্যুহার কমে যাওয়া, টিকাদান-এসব ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সাফল্য বিশ্বব্যাপী আলোচিত।
ফেসবুক লাইভে খবর আসে, মোবাইলে ব্যাংকিং হয়, অনলাইনে সরকারি সেবা পাওয়া যায়। তরুণ উদ্যোক্তাদের উদ্যোগে তৈরি হচ্ছে নতুন কর্মক্ষেত্র; দেশের কাজের ধরন পাল্টে যাচ্ছে।
প্রত্যাশা ও প্রাপ্তির ফারাক : আমাদের অর্থনীতি বেড়েছে, বড় প্রকল্প হয়েছে, শহরে জন্ম নিয়েছে নব্য সম্ভ্রান্ত শ্রেণি। বড় বড় সেতু, এক্সপ্রেসওয়ে, মেট্রোরেল-সবই দৃশ্যমান বাস্তবতা। তবে সুশাসন ও স্বচ্ছ তদারকির অভাবে প্রকল্পে লুট হয়েছে কোটি কোটি টাকা। সাধারণ মানুষের জীবনে ব্যয়ের চাপ বেড়েছে। শিক্ষার মানের অবনতি, চিকিৎসাখাতে বাণিজ্যিকীকরণ, সামাজিক নিরাপত্তাহীনতা-সব মিলিয়ে মানুষের প্রশ্ন: অর্জনের সিংহভাগ কি হাতে গোনা কিছু গোষ্ঠীর মধ্যেই সীমাবদ্ধ নাগরিক উন্নয়ন হয়েছে, কিন্তু কতটা টেকসই-এর জবাব পাওয়া কঠিন।
চব্বিশের তরুণদের প্রত্যাশা : চব্বিশের তরুণরা ফ্যাসিবাদের কবল থেকে দেশ ও জাতিকে মুক্তির স্বাদ এনে দিয়েছে ফের। তাদের প্রত্যাশাগুলোতেই আলোকপাত প্রয়োজন বোধ করছি। আমাদের তরুণ প্রজন্মের প্রত্যাশা এখন আর আবেগী স্লোগানে সীমাবদ্ধ নেই; তা পরিণত হয়েছে স্পষ্ট রাজনৈতিক ও সামাজিক দাবিতে। তারা প্রথমেই চায় অর্থবহ ভোটাধিকার, যেখানে ভোট দেওয়া মানে হবে প্রকৃত মতপ্রকাশ-আনুষ্ঠানিকতা নয়। নির্বাচন যেন রাষ্ট্রের উৎসব হয়, নাটক নয়-এটাই তরুণদের মৌলিক প্রত্যাশা।
কর্মসংস্থানের প্রশ্নে তরুণরা আর সংখ্যার বয়ানে সন্তুষ্ট নয়। তারা চায় সম্মানজনক, মেধাভিত্তিক ও নিরাপদ কাজ। বিসিএসনির্ভরতা কমিয়ে দক্ষতা ও উদ্যোগকে উৎসাহ দেওয়ার রাষ্ট্রীয় নীতি এখন সময়ের দাবি। সনদধারী বেকার তৈরির কারখানা হিসেবে শিক্ষাব্যবস্থার পরিচয় বদলাতে হবে।
শিক্ষাক্ষেত্রে তরুণদের প্রত্যাশা স্পষ্ট-মুখস্থ নির্ভরতা নয়, চিন্তার স্বাধীনতা। ক্যাম্পাস হবে জ্ঞানচর্চার জায়গা, দলীয় বলয়ের নয়। প্রশ্ন করার অধিকার, ভিন্নমতের নিরাপত্তা ও গবেষণার সুযোগ ছাড়া কোনো শিক্ষাব্যবস্থা ভবিষ্যৎ নির্মাণ করতে পারে না।
তরুণরা এমন রাষ্ট্র চায়, যার সঙ্গে সম্পর্ক ভয়ভিত্তিক নয়, আস্থাভিত্তিক। সমালোচনার জবাবে মামলা বা গ্রেপ্তার নয়, বরং যুক্তি ও সংস্কার-এই মানসিকতাই চব্বিশ-পরবর্তী রাষ্ট্রের পরিচয় হওয়া উচিত।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, তরুণরা রাজনীতিতে ব্যবহৃত হতে নয়, যুক্ত হতে চায়। তারা পোস্টার বা মিছিলের সংখ্যা নয়, সিদ্ধান্ত গ্রহণের অংশ হতে চায়। এই প্রত্যাশা উপেক্ষা করলে তরুণরা নয়-রাষ্ট্রই ভবিষ্যৎ হারাবে।
শেষকথা : বিজয়ের ৫৩ বছর পর দাঁড়িয়ে দেখলে বোঝা যায়, দেশ অনেক এগিয়েছে, কিন্তু পথ এখনো দীর্ঘ। শহীদের রক্তে রচিত স্বপ্নের বাংলাদেশ হতে হলে প্রয়োজন সম্মিলিত প্রয়াস, দায়িত্ববোধ ও মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি। ১৬ ডিসেম্বর আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয়-বিজয় শুধুই ইতিহাসের পাতা নয়; এটি সামনে এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা।