ঢাকা ০২:২০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ও প্রতিবাদলিপি প্রাইভেটকারে পরীক্ষা নিয়ে বাস-ট্রাকের লাইসেন্স দেন আবু পলাশ প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনী ওয়াদাগুলো একটি একটি পূরণ করছেন: মঈন খান নেপালে ভয়াবহ পাহাড়ি ঢলে নিহত বেড়ে ৯৫, নিখোঁজ ৪০৩ পল্লবীতে পিস্তল ঠেকিয়ে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, রাসেলসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা ব্রাহ্মণপাড়া​ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে স্বর্ণের চেইন চুরি, নারী চোরচক্রের ৫ সদস্য গ্রেফতার মুরাদনগরে নিষিদ্ধ সংগঠনের ৬ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার ‘পাশে আছি’, বালেন্দ্র শাহকে ফোন মোদির, দিলেন সাহায্যের আশ্বাস মালয়েশিয়ায় কর্মী নিয়োগে মানতে হবে যেসব নির্দেশনা আত্রাইয়ে মাদকবিরোধী অভিযানে ৫ জনের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড

পোর্ট অফিসার নেওয়াজ মোহাম্মদের বিরুদ্ধে দুই শিক্ষার্থীকে মারধর করার অভিযোগ

  • স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট সময় ১২:৫৬:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৬১৭ বার পড়া হয়েছে

মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার শিমুলিয়া নদীবন্দরের বন্দর কর্মকর্তা (পোর্ট অফিসার) নেওয়াজ মোহাম্মদের বিরুদ্ধে দুই স্কুল শিক্ষার্থীকে মারধর, মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়া এবং গালাগাল করার অভিযোগ উঠেছে। এতে শিক্ষার্থীরা মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছে এবং আতঙ্কিত রয়েছে বলে ভুক্তভোগীর অভিভাবক লৌহজং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে রোববার লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। তারা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তবে জায়গাটিকে কেন্দ্র করে বন্দর কর্মকর্তার যোগসাজশে স্থানীয় বালুদস্যু সিন্ডিকেট কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার পাঁয়তারা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগকারী অভিভাবক নূর ইসলাম তাইয়ানী জানান, শিমুলিয়া ঘাট সংলগ্ন আমাদের পৈতৃক সম্পতিতে সীমানা পিলার বসানো ও গাছপালা লাগানো হয়েছিল। ঘটনার দিন গত বৃহস্পতিবার আমার ছেলে ও ভাতিজা ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখে, শিমুলিয়া নদীবন্দরের বন্দর কর্মকর্তা নেওয়াজ মোহাম্মদ ওরফে শাহ নেওয়াজ আমাদের পৈতৃক সম্পত্তির সীমানা পিলার উপড়ে ফেলছেন এবং গাছপালা ভাঙচুর করছেন। এ দৃশ্য তারা মোবাইলে ধারণ করতে গেলে তার ছেলে ও স্থানীয় আরেক শিক্ষার্থীকে পোর্ট অফিসার আটকে রেখে মোবাইলে ভিডিও ধারণ করেছে কি না, তা জানতে চান। এরপর কোনো কারণ ছাড়াই তাদের মারধর শুরু করেন এবং একজনের মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। অভিভাবক নূর ইসলাম আরও জানান, একজন দায়িত্বশীল সরকারি কর্মকর্তা এভাবে অপ্রাপ্তবয়স্ক শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করবেন, এটি খুবই দুঃখজনক ও অনাকাঙ্ক্ষিত। তিনি ঘটনাটির সুষ্ঠু তদন্ত, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং অভিযুক্ত পোর্ট অফিসারের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। শিমুলিয়া ঘাটের বন্দর কর্মকর্তা (পোর্ট অফিসার) নেওয়াজ মোহাম্মদ মারধরের বিষয়টি অস্বীকার করলেও মোবাইল জব্দ করার বিষয়টি স্বীকার করেছেন। তবে কোনো বালুদস্যু সিন্ডিকেট চক্রের সঙ্গে তিনি জড়িত নন বলে জানান। এ বিষয়ে লৌহজং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা ববি মিতু বলেন, একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নয়।
অভিভাবক নূর ইসলাম আরও জানান, একজন দায়িত্বশীল সরকারি কর্মকর্তা এভাবে অপ্রাপ্তবয়স্ক শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করবেন, এটি খুবই দুঃখজনক ও অনাকাঙ্ক্ষিত। তিনি ঘটনাটির সুষ্ঠু তদন্ত, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং অভিযুক্ত পোর্ট অফিসারের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ও প্রতিবাদলিপি

পোর্ট অফিসার নেওয়াজ মোহাম্মদের বিরুদ্ধে দুই শিক্ষার্থীকে মারধর করার অভিযোগ

আপডেট সময় ১২:৫৬:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২৫

মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার শিমুলিয়া নদীবন্দরের বন্দর কর্মকর্তা (পোর্ট অফিসার) নেওয়াজ মোহাম্মদের বিরুদ্ধে দুই স্কুল শিক্ষার্থীকে মারধর, মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়া এবং গালাগাল করার অভিযোগ উঠেছে। এতে শিক্ষার্থীরা মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছে এবং আতঙ্কিত রয়েছে বলে ভুক্তভোগীর অভিভাবক লৌহজং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে রোববার লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। তারা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তবে জায়গাটিকে কেন্দ্র করে বন্দর কর্মকর্তার যোগসাজশে স্থানীয় বালুদস্যু সিন্ডিকেট কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার পাঁয়তারা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগকারী অভিভাবক নূর ইসলাম তাইয়ানী জানান, শিমুলিয়া ঘাট সংলগ্ন আমাদের পৈতৃক সম্পতিতে সীমানা পিলার বসানো ও গাছপালা লাগানো হয়েছিল। ঘটনার দিন গত বৃহস্পতিবার আমার ছেলে ও ভাতিজা ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখে, শিমুলিয়া নদীবন্দরের বন্দর কর্মকর্তা নেওয়াজ মোহাম্মদ ওরফে শাহ নেওয়াজ আমাদের পৈতৃক সম্পত্তির সীমানা পিলার উপড়ে ফেলছেন এবং গাছপালা ভাঙচুর করছেন। এ দৃশ্য তারা মোবাইলে ধারণ করতে গেলে তার ছেলে ও স্থানীয় আরেক শিক্ষার্থীকে পোর্ট অফিসার আটকে রেখে মোবাইলে ভিডিও ধারণ করেছে কি না, তা জানতে চান। এরপর কোনো কারণ ছাড়াই তাদের মারধর শুরু করেন এবং একজনের মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। অভিভাবক নূর ইসলাম আরও জানান, একজন দায়িত্বশীল সরকারি কর্মকর্তা এভাবে অপ্রাপ্তবয়স্ক শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করবেন, এটি খুবই দুঃখজনক ও অনাকাঙ্ক্ষিত। তিনি ঘটনাটির সুষ্ঠু তদন্ত, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং অভিযুক্ত পোর্ট অফিসারের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। শিমুলিয়া ঘাটের বন্দর কর্মকর্তা (পোর্ট অফিসার) নেওয়াজ মোহাম্মদ মারধরের বিষয়টি অস্বীকার করলেও মোবাইল জব্দ করার বিষয়টি স্বীকার করেছেন। তবে কোনো বালুদস্যু সিন্ডিকেট চক্রের সঙ্গে তিনি জড়িত নন বলে জানান। এ বিষয়ে লৌহজং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা ববি মিতু বলেন, একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নয়।
অভিভাবক নূর ইসলাম আরও জানান, একজন দায়িত্বশীল সরকারি কর্মকর্তা এভাবে অপ্রাপ্তবয়স্ক শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করবেন, এটি খুবই দুঃখজনক ও অনাকাঙ্ক্ষিত। তিনি ঘটনাটির সুষ্ঠু তদন্ত, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং অভিযুক্ত পোর্ট অফিসারের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।