রংপুরের গংগাচড়া উপজেলার আলমবিদিতর ইউনিয়নের পূর্ব মেছনীকুন্ডা গ্রামে জমি সংক্রান্ত জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় গৃহবধূ সহ তিন জন আহত অভিযোগ উঠেছে।
হাসপাতাল ও অভিযোগ সূত্রে জানা যায়। পূর্ব মেছনীকুন্ডা গ্রামের মৃত জহির উদ্দিনের পুত্র শহর উদ্দিন (৬৬) এর সাথে দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে মৃত জহির উদ্দিনের পুত্র নেৱকার্টু (৬৫) এর সাথে। তারা সম্পর্কে আপন ছোট ও বড় ভাই। শহর উদ্দিন অভিযোগ করে সাংবাদিক দের বলেন। ঘটনার দিন ১০ নভেম্বর সোমবার ২০২৫ তারিখ, সকাল ৭ টার দিকে মহসিন আলী ও নেৱকার্টু আমার বাড়ির সামনে এসে আমার ছেলে- আসাদুল ইসলামকে দেখে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজসহ নানা ধরণের উস্কানিমূলক কথা বলতে থাকে। আমার ছেলে প্রতিবাদ জানাইলে তারা দৌড়ে তাদের বাড়ি থেকে লাঠি-সোটা ও লোহার রড নিয়ে এসে আমার ছেলের উপর অতর্কিতভাবে হামলা চালিয়ে এলোপাতাড়িভাবে মার ডাং করে।
আমার ছেলেকে রক্ষার জন্য আমার ছেলের বউ- শিমুলী বেগম ও মেয়ে জামাই-সৈয়দ আলী ঘটনাস্থলে আসলে তাদেরকেও এলোপাতাড়িভাবে মার ডাং করে। এসময় মহসিন আলী লোহার রড দ্বারা আমার পুত্রবধূ-শিমুলী বেগমের
মাথায় ও কপালে সজোরে ডাং মারে তার মাথার উপর ডানদিকে ফেঁটে রক্তাক্ত জখম হয়। এমত অবস্থায় শিমুলীর চুলের মুঠি ধরে মাটিতে ফেলে টানাহেচড়া কিল ঘুষি ও লাথি মেরে শরীরের বিভিন্ন স্থানে ছিলা ফুলা জখম করে।
তাতেও তারা ক্ষান্ত না হয়ে আমার বসত বাড়ির টিনের বেড়া টাটি ভাঙচুর করে অনুমান (দশ হাজার) টাকার ক্ষতি করে। তখন আমাদের চিৎকার চেঁচামেচি শুনে তাজুল ইসলাম,আকিদুল ইসলাম,সহ
আরো অনেকে ঘটনা স্থলে এগিয়ে আসলে আমাদের উদ্দেশ্যে প্রকাশ্যে জীবননাশের হুমকি এবং তারা আমাদের চাষাবাদকৃত জমি জায়গা দখল করিয়া নিবে, বাড়ি-ঘর ভাঙচুর করে আমাদেরকে গ্রাম ছাড়া করিবে,বাড়াবাড়ি করিলে আমাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা মামলা দায়ের সহ বিভিন্ন প্রকার ভয়-ভীতি ও হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
এসময় শিমুলী বেগম কে উদ্ধার করে গুরুতর অবস্থায় অটো যোগে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তিনি রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মহিলা সার্জারি বিভাগের ১৬ নম্বর ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছেন। সেই সাথে আসাদুল ইসলাম ও সৈয়দ আলী কে স্থানীয় পল্লী চিকিৎসকের নিকট হইতে প্রাথমিক চিকিৎসা গ্রহণ করেন।
এ বিষয়ে অত্র ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মাহবুব মেম্বার এর সাথে কথা হলে তিনি বলেন যেহেতু তারা উভয়ে আপন ভাই তাই মামলা মোকদ্দমায় না গিয়ে আমাকে তিন দিন সময় দেন আমি বিষয়টি সুষ্ঠু মীমাংসা করে দেবো। কিন্তু ঘটনার এক সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত কোন শুরুহা করতে পারেনি ইউপি সদস্য মাহবুব মেম্বার।
মাটি মামুন রংপুর 





















