ঢাকা ০১:৫১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত কিছু ছবি, হাজারো স্মৃতি—আমার জুলাই পবিপ্রবি’র পিজিএস কমিটির ৭৩ তম সভা অনুষ্ঠিত প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ও ব্যাখ্যা নারায়ণগঞ্জ এলজিইডিতে ‘৩% দুলাল’ খ্যাত আহসানুজ্জামানের দুর্নীতি বসুন্দিয়া ভূমি অফিস এখন ঘুষের অভায়রণ্য! টাকা না দিলে ফাইল গায়েব চার বছরেও থেমে আছে বিচার-ভোলায় নূরে আলমকে স্মরণে বিএনপি-ছাত্রদলের শ্রদ্ধা ও বিচার দাবি ভারত থেকে ২ হাজার ৯০০ টন কাঁচামরিচ আমদানির অনুমতি ববিসাস’র আয়োজনে জুলাই গণঅভ্যুত্থান আলোকচিত্র প্রদর্শনী পাবনায় ‘মদ্যপ অবস্থায়’ ২ রাশিয়ান নাগরিকের মারামারি, নিহত ১
শেখ হাসিনা-কামাল প্রসঙ্গে প্রসিকিউটর

বিচারে অনিয়ম বলতে হলে ট্রাইব্যুনালে হাজির হতে হবে

স্টেট ডিফেন্স আইনজীবী ছাড়া পলাতক আসামির পক্ষে কোনো ব্যক্তির কথা বলার সুযোগ নেই বলে মন্তব্য করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম। বিচারে অনিয়ম ধরতে হলেও আসামিদের ট্রাইবুনালে হাজির হতে হবে।

বুধবার (১২ নভেম্বর) দুপুরে ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে প্রেস ব্রিফিংয়ে আওয়ামী লীগের পক্ষে লবিং প্রতিষ্ঠান নিয়োগ ও জাতিসংঘে অভিযোগ প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।

ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রম ঠিকভাবে পরিচালনা হচ্ছে না; জাতিসংঘে আওয়ামী লীগের অভিযোগ প্রসঙ্গে মিজানুল ইসলাম বলেন, কেন ঠিকভাবে পরিচালনা হচ্ছে না তা আমার কাছে বোধগম্য নয়। কারণ এই আইনটা তৈরি করেছিলেন মরহুম শেখ মুজিবুর রহমানের পার্লামেন্ট। ওই সময় বিখ্যাত তিনজন আইনজীবী এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ছিলেন। তাদের একজন ড. কামাল হোসেন, আরেকজন মনোরঞ্জন। পরবর্তীকালে শফিক আহমেদ যখন আইনমন্ত্রী এবং আরেকজন আইনজীবী ছিলেন সরকারদলীয় আনিসুল হক। তারা এই আইনটা এমেন্ডমেন্ট (সংশোধন) করেছিলেন ও ২০১০ সালে এই ট্রাইব্যুনাল স্থাপন করেছিলেন। যদিও আইনটা ৭৩ সালের। তাদের তৈরি করা আইন এবং অনুপস্থিতিতে কিভাবে বিচার চলবে সেই প্রক্রিয়াটা তারাই তৈরি করেছে। সেই প্রক্রিয়া অনুসরণ করে বিচার কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। এক্ষেত্রে অনিয়ম কি হচ্ছে সেটা যদি ধরাতে হয় তাহলে আসামিকে উপস্থিত হতে হবে। উপস্থিত হয়ে আবেদন করে বলতে হবে যে এখানে এখানে এই অনিয়ম হচ্ছে। এ সময় আওয়ামী লীগের স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সোহেল তাজের একটি উদ্ধৃতি টানেন তিনি।

পলাতক আসামিপক্ষে কারও কথা বলার সুযোগ নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, শুধুমাত্র স্টেট ডিফেন্স আইনজীবী ছাড়া পলাতক আসামিদের পক্ষে অন্য কোনো ব্যক্তির কোনো কথা বলার সুযোগ নেই। আর শেখ হাসিনা ও কামালের পক্ষে স্টেট ডিফেন্স নিযুক্ত করা হয়েছিল আমির হোসেনকে। আমি যতটুকু জানি তিনি শেখ হাসিনার আমলের কোনো একটা কোর্টের স্পেশাল পিপির দায়িত্বে ছিলেন। অর্থাৎ তিনি তারই লোক ছিলেন। কাজেই এখানে ভিন্ন কোনো সমস্যা সৃষ্টি হওয়ার কারণ নেই।

এই প্রসিকিউটর বলেন, স্টেট ডিফেন্সের কোনো অযোগ্যতা নেই। এরপরও যদি আইনজীবীর ব্যাপারে কোনো প্রশ্ন উত্থাপিত হয়, তাহলে যিনি প্রশ্ন উত্থাপন করবেন তাকে এ মামলার লোকাল স্ট্যান্ডে থাকতে হবে। অর্থাৎ এ মামলায় কথা বলার অধিকার থাকতে হবে। পলাতক আসামিদেরও ট্রাইব্যুনালে আসতে হবে। আইনজীবী নিয়োগ করতে হবে। অথবা আইনজীবী নিয়োগ ছাড়া নিজেরাই বক্তব্য দেওয়ার অধিকার রাখেন তারা। তাই তারা হাজির হোক। হাজির হয়ে কথা বলুক।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত

শেখ হাসিনা-কামাল প্রসঙ্গে প্রসিকিউটর

বিচারে অনিয়ম বলতে হলে ট্রাইব্যুনালে হাজির হতে হবে

আপডেট সময় ০৩:৫৭:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ নভেম্বর ২০২৫

স্টেট ডিফেন্স আইনজীবী ছাড়া পলাতক আসামির পক্ষে কোনো ব্যক্তির কথা বলার সুযোগ নেই বলে মন্তব্য করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম। বিচারে অনিয়ম ধরতে হলেও আসামিদের ট্রাইবুনালে হাজির হতে হবে।

বুধবার (১২ নভেম্বর) দুপুরে ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে প্রেস ব্রিফিংয়ে আওয়ামী লীগের পক্ষে লবিং প্রতিষ্ঠান নিয়োগ ও জাতিসংঘে অভিযোগ প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।

ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রম ঠিকভাবে পরিচালনা হচ্ছে না; জাতিসংঘে আওয়ামী লীগের অভিযোগ প্রসঙ্গে মিজানুল ইসলাম বলেন, কেন ঠিকভাবে পরিচালনা হচ্ছে না তা আমার কাছে বোধগম্য নয়। কারণ এই আইনটা তৈরি করেছিলেন মরহুম শেখ মুজিবুর রহমানের পার্লামেন্ট। ওই সময় বিখ্যাত তিনজন আইনজীবী এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ছিলেন। তাদের একজন ড. কামাল হোসেন, আরেকজন মনোরঞ্জন। পরবর্তীকালে শফিক আহমেদ যখন আইনমন্ত্রী এবং আরেকজন আইনজীবী ছিলেন সরকারদলীয় আনিসুল হক। তারা এই আইনটা এমেন্ডমেন্ট (সংশোধন) করেছিলেন ও ২০১০ সালে এই ট্রাইব্যুনাল স্থাপন করেছিলেন। যদিও আইনটা ৭৩ সালের। তাদের তৈরি করা আইন এবং অনুপস্থিতিতে কিভাবে বিচার চলবে সেই প্রক্রিয়াটা তারাই তৈরি করেছে। সেই প্রক্রিয়া অনুসরণ করে বিচার কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। এক্ষেত্রে অনিয়ম কি হচ্ছে সেটা যদি ধরাতে হয় তাহলে আসামিকে উপস্থিত হতে হবে। উপস্থিত হয়ে আবেদন করে বলতে হবে যে এখানে এখানে এই অনিয়ম হচ্ছে। এ সময় আওয়ামী লীগের স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সোহেল তাজের একটি উদ্ধৃতি টানেন তিনি।

পলাতক আসামিপক্ষে কারও কথা বলার সুযোগ নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, শুধুমাত্র স্টেট ডিফেন্স আইনজীবী ছাড়া পলাতক আসামিদের পক্ষে অন্য কোনো ব্যক্তির কোনো কথা বলার সুযোগ নেই। আর শেখ হাসিনা ও কামালের পক্ষে স্টেট ডিফেন্স নিযুক্ত করা হয়েছিল আমির হোসেনকে। আমি যতটুকু জানি তিনি শেখ হাসিনার আমলের কোনো একটা কোর্টের স্পেশাল পিপির দায়িত্বে ছিলেন। অর্থাৎ তিনি তারই লোক ছিলেন। কাজেই এখানে ভিন্ন কোনো সমস্যা সৃষ্টি হওয়ার কারণ নেই।

এই প্রসিকিউটর বলেন, স্টেট ডিফেন্সের কোনো অযোগ্যতা নেই। এরপরও যদি আইনজীবীর ব্যাপারে কোনো প্রশ্ন উত্থাপিত হয়, তাহলে যিনি প্রশ্ন উত্থাপন করবেন তাকে এ মামলার লোকাল স্ট্যান্ডে থাকতে হবে। অর্থাৎ এ মামলায় কথা বলার অধিকার থাকতে হবে। পলাতক আসামিদেরও ট্রাইব্যুনালে আসতে হবে। আইনজীবী নিয়োগ করতে হবে। অথবা আইনজীবী নিয়োগ ছাড়া নিজেরাই বক্তব্য দেওয়ার অধিকার রাখেন তারা। তাই তারা হাজির হোক। হাজির হয়ে কথা বলুক।