ঢাকা ০৭:১৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত কিছু ছবি, হাজারো স্মৃতি—আমার জুলাই পবিপ্রবি’র পিজিএস কমিটির ৭৩ তম সভা অনুষ্ঠিত প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ও ব্যাখ্যা নারায়ণগঞ্জ এলজিইডিতে ‘৩% দুলাল’ খ্যাত আহসানুজ্জামানের দুর্নীতি বসুন্দিয়া ভূমি অফিস এখন ঘুষের অভায়রণ্য! টাকা না দিলে ফাইল গায়েব চার বছরেও থেমে আছে বিচার-ভোলায় নূরে আলমকে স্মরণে বিএনপি-ছাত্রদলের শ্রদ্ধা ও বিচার দাবি ভারত থেকে ২ হাজার ৯০০ টন কাঁচামরিচ আমদানির অনুমতি ববিসাস’র আয়োজনে জুলাই গণঅভ্যুত্থান আলোকচিত্র প্রদর্শনী পাবনায় ‘মদ্যপ অবস্থায়’ ২ রাশিয়ান নাগরিকের মারামারি, নিহত ১

প্রত্যেক মার্কিন নাগরিককে ২ হাজার ডলার দেওয়ার ঘোষণা ট্রাম্পের

যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যেক নাগরিককে কমপক্ষে ২ হাজার ডলার করে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। চলমান সরকারি অচলাবস্থার মধ্যেই তিনি এই ঘোষণা দেন।

মূলত ট্যারিফ থেকে যে রাজস্ব আসছে সেখান থেকেই দেওয়া হবে এই অর্থ। তবে এই প্রস্তাব কার্যকর করতে কংগ্রেসের অনুমোদন প্রয়োজন হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

রোববার নিজের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ট্রুথ সোশ্যাল-এ ট্রাম্প লিখেছেন, “প্রত্যেককে অন্তত ২ হাজার ডলারের লভ্যাংশ দেওয়া হবে (উচ্চ আয়ের মানুষদের বাদ দিয়ে)।”

টিআরটি ওয়ার্ল্ড বলছে, প্রত্যেক মার্কিন নাগরিককে অর্থ দেওয়ার এই ঘোষণা এমন সময় এসেছে, যখন যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট ট্রাম্পের শুল্ক নীতির সাংবিধানিক বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে এবং সরকারের অচলাবস্থার কারণে খাদ্য সহায়তা কর্মসূচি ব্যাহত হচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট এবিসি নিউজকে বলেন, “এই ২ হাজার ডলারের লভ্যাংশ নানা উপায়ে দেওয়া হতে পারে”। তিনি জানান, এতে কর ছাড়ও অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে— যেমন বখশিশ ও ওভারটাইম আয়ের ওপর কর না নেওয়ার ব্যবস্থা।

এদিকে ট্রাম্প তার শুল্কনীতির পক্ষে অবস্থান নিয়ে বলেন, “যারা ট্যারিফের বিরোধিতা করে, তারা বোকা! এখন আমেরিকা বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ও মর্যাদাপূর্ণ দেশ। এখানে মুদ্রাস্ফীতি প্রায় নেই বললেই চলে এবং শেয়ারবাজার রেকর্ড উচ্চতায় রয়েছে।”

তিনি দাবি করেন, শুল্ক থেকে ‘ট্রিলিয়ন ডলার’ রাজস্ব আয় হচ্ছে, যা দিয়ে শিগগিরই যুক্তরাষ্ট্রের বিপুল ৩৭ ট্রিলিয়ন ডলারের ঋণ পরিশোধ শুরু হবে।

প্রসঙ্গত, ট্রাম্পের এই ঘোষণা এসেছে এমন এক সময় যখন চলমান সরকারি অচলাবস্থার (শাটডাউন) কারণে দেশজুড়ে খাদ্য সহায়তা ও অন্যান্য সরকারি সুবিধা ব্যাহত হচ্ছে। মার্কিন ইতিহাসের সবচেয়ে দীর্ঘ এই শাটডাউন ইতোমধ্যেই টানা ৪০তম দিনে গড়িয়েছে।

তবে নাগরিকদের সরাসরি অর্থ দেওয়ার এই উদ্যোগ কার্যকর করতে কংগ্রেসের অনুমোদন প্রয়োজন হবে বলে মনে করা হচ্ছে। বাজেট নিয়ে রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাটদের অচলাবস্থার কারণে আপাতত সেই প্রক্রিয়া স্থবির হয়ে আছে।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত

প্রত্যেক মার্কিন নাগরিককে ২ হাজার ডলার দেওয়ার ঘোষণা ট্রাম্পের

আপডেট সময় ১১:৪০:৫৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১০ নভেম্বর ২০২৫

যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যেক নাগরিককে কমপক্ষে ২ হাজার ডলার করে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। চলমান সরকারি অচলাবস্থার মধ্যেই তিনি এই ঘোষণা দেন।

মূলত ট্যারিফ থেকে যে রাজস্ব আসছে সেখান থেকেই দেওয়া হবে এই অর্থ। তবে এই প্রস্তাব কার্যকর করতে কংগ্রেসের অনুমোদন প্রয়োজন হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

রোববার নিজের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ট্রুথ সোশ্যাল-এ ট্রাম্প লিখেছেন, “প্রত্যেককে অন্তত ২ হাজার ডলারের লভ্যাংশ দেওয়া হবে (উচ্চ আয়ের মানুষদের বাদ দিয়ে)।”

টিআরটি ওয়ার্ল্ড বলছে, প্রত্যেক মার্কিন নাগরিককে অর্থ দেওয়ার এই ঘোষণা এমন সময় এসেছে, যখন যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট ট্রাম্পের শুল্ক নীতির সাংবিধানিক বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে এবং সরকারের অচলাবস্থার কারণে খাদ্য সহায়তা কর্মসূচি ব্যাহত হচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট এবিসি নিউজকে বলেন, “এই ২ হাজার ডলারের লভ্যাংশ নানা উপায়ে দেওয়া হতে পারে”। তিনি জানান, এতে কর ছাড়ও অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে— যেমন বখশিশ ও ওভারটাইম আয়ের ওপর কর না নেওয়ার ব্যবস্থা।

এদিকে ট্রাম্প তার শুল্কনীতির পক্ষে অবস্থান নিয়ে বলেন, “যারা ট্যারিফের বিরোধিতা করে, তারা বোকা! এখন আমেরিকা বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ও মর্যাদাপূর্ণ দেশ। এখানে মুদ্রাস্ফীতি প্রায় নেই বললেই চলে এবং শেয়ারবাজার রেকর্ড উচ্চতায় রয়েছে।”

তিনি দাবি করেন, শুল্ক থেকে ‘ট্রিলিয়ন ডলার’ রাজস্ব আয় হচ্ছে, যা দিয়ে শিগগিরই যুক্তরাষ্ট্রের বিপুল ৩৭ ট্রিলিয়ন ডলারের ঋণ পরিশোধ শুরু হবে।

প্রসঙ্গত, ট্রাম্পের এই ঘোষণা এসেছে এমন এক সময় যখন চলমান সরকারি অচলাবস্থার (শাটডাউন) কারণে দেশজুড়ে খাদ্য সহায়তা ও অন্যান্য সরকারি সুবিধা ব্যাহত হচ্ছে। মার্কিন ইতিহাসের সবচেয়ে দীর্ঘ এই শাটডাউন ইতোমধ্যেই টানা ৪০তম দিনে গড়িয়েছে।

তবে নাগরিকদের সরাসরি অর্থ দেওয়ার এই উদ্যোগ কার্যকর করতে কংগ্রেসের অনুমোদন প্রয়োজন হবে বলে মনে করা হচ্ছে। বাজেট নিয়ে রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাটদের অচলাবস্থার কারণে আপাতত সেই প্রক্রিয়া স্থবির হয়ে আছে।