ঢাকা ০৯:১২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত কিছু ছবি, হাজারো স্মৃতি—আমার জুলাই পবিপ্রবি’র পিজিএস কমিটির ৭৩ তম সভা অনুষ্ঠিত প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ও ব্যাখ্যা নারায়ণগঞ্জ এলজিইডিতে ‘৩% দুলাল’ খ্যাত আহসানুজ্জামানের দুর্নীতি বসুন্দিয়া ভূমি অফিস এখন ঘুষের অভায়রণ্য! টাকা না দিলে ফাইল গায়েব চার বছরেও থেমে আছে বিচার-ভোলায় নূরে আলমকে স্মরণে বিএনপি-ছাত্রদলের শ্রদ্ধা ও বিচার দাবি ভারত থেকে ২ হাজার ৯০০ টন কাঁচামরিচ আমদানির অনুমতি ববিসাস’র আয়োজনে জুলাই গণঅভ্যুত্থান আলোকচিত্র প্রদর্শনী পাবনায় ‘মদ্যপ অবস্থায়’ ২ রাশিয়ান নাগরিকের মারামারি, নিহত ১

গ্রাম থেকে উঠে এসে বিসিএস ক্যাডার: দোয়ারাবাজারের আলোকিত মেধাবী ডা. তায়েফ আহমেদ

দোয়ারাবাজারের প্রত্যন্ত গ্রাম জীবনপুরের সন্তান ডা. তায়েফ আহমেদ প্রমাণ করেছেন—অদম্য চেষ্টা, মেধা ও অধ্যবসায় থাকলে গ্রাম থেকেও সাফল্যের শিখরে পৌঁছানো সম্ভব। সম্প্রতি তিনি ৪৮তম বিসিএস (বিশেষ) পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে স্বাস্থ্য ক্যাডারে সহকারী সার্জন পদে যোগদান করেছেন। তাঁর এই সাফল্যে স্থানীয় সমাজে ব্যাপক আনন্দ ও গর্বের সঞ্চার হয়েছে।

ডা. তায়েফ আহমেদ সুনামগঞ্জ জেলার দোয়ারাবাজার উপজেলার দোহালিয়া ইউনিয়নের জীবনপুর গ্রামের বাসিন্দা। পিতা ফয়জুন্নুর আহমেদ ও মাতা মৃত মিনা বেগমের তৃতীয় সন্তান তিনি। তিন ভাই ও দুই বোনের মধ্যে তায়েফ তৃতীয়। বড় ভাই মওদুদ আহমেদ বর্তমানে প্রবাসে কর্মরত, মোজো ভাই তানভীর আহমেদ উপজেলার বাংলাবাজার কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

তায়েফ প্রাথমিক শিক্ষা শেষ করেন দোয়ারাবাজার উপজেলার কুমারনিকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। পরে দোয়ারাবাজারের দারুল হেরা জামেয়া ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসায় অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত লেখাপড়া করেন। এরপর সিলেটের শাহজালাল জামেয়া ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসা থেকে কৃতিত্বের সঙ্গে দাখিল পাস করেন। উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে সিলেট স্কলার্সহোম স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় জিপিএ–৫ অর্জন করে মেধার অনন্য স্বাক্ষর রাখেন।

তায়েফ আহমেদ ২০১৬ সালে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে তিনি রংপুর সরকারি মেডিকেল কলেজে ভর্তি হন এবং সফলভাবে এমবিবিএস সম্পন্ন করেন। চিকিৎসা পেশার পাশাপাশি তিনি ২০২৪ সালে মেডিসিন বিষয়ে এফসিপিএসের প্রথম পর্ব সম্পন্ন করেন, যা তাঁর পেশাগত অগ্রযাত্রাকে আরও এগিয়ে নিয়েছে।
ডা. তায়েফের এই অর্জন শুধু তাঁর পরিবারের নয়, বরং সমগ্র দোয়ারাবাজারবাসীর গর্ব। শিক্ষা, পরিশ্রম ও অধ্যবসায়ের মাধ্যমে গ্রাম থেকে উঠে এসে তিনি প্রমাণ করেছেন—সুযোগ থাকলে গ্রামের তরুণরাও জাতীয় পর্যায়ে নিজেদের জায়গা তৈরি করতে পারে।
স্থানীয় শিক্ষাবিদ ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা বলেছেন, ‘ডা. তায়েফের সাফল্য নতুন প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে। তিনি দোয়ারাবাজারের শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দেওয়ার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত

গ্রাম থেকে উঠে এসে বিসিএস ক্যাডার: দোয়ারাবাজারের আলোকিত মেধাবী ডা. তায়েফ আহমেদ

আপডেট সময় ০২:৪৭:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ নভেম্বর ২০২৫

দোয়ারাবাজারের প্রত্যন্ত গ্রাম জীবনপুরের সন্তান ডা. তায়েফ আহমেদ প্রমাণ করেছেন—অদম্য চেষ্টা, মেধা ও অধ্যবসায় থাকলে গ্রাম থেকেও সাফল্যের শিখরে পৌঁছানো সম্ভব। সম্প্রতি তিনি ৪৮তম বিসিএস (বিশেষ) পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে স্বাস্থ্য ক্যাডারে সহকারী সার্জন পদে যোগদান করেছেন। তাঁর এই সাফল্যে স্থানীয় সমাজে ব্যাপক আনন্দ ও গর্বের সঞ্চার হয়েছে।

ডা. তায়েফ আহমেদ সুনামগঞ্জ জেলার দোয়ারাবাজার উপজেলার দোহালিয়া ইউনিয়নের জীবনপুর গ্রামের বাসিন্দা। পিতা ফয়জুন্নুর আহমেদ ও মাতা মৃত মিনা বেগমের তৃতীয় সন্তান তিনি। তিন ভাই ও দুই বোনের মধ্যে তায়েফ তৃতীয়। বড় ভাই মওদুদ আহমেদ বর্তমানে প্রবাসে কর্মরত, মোজো ভাই তানভীর আহমেদ উপজেলার বাংলাবাজার কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

তায়েফ প্রাথমিক শিক্ষা শেষ করেন দোয়ারাবাজার উপজেলার কুমারনিকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। পরে দোয়ারাবাজারের দারুল হেরা জামেয়া ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসায় অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত লেখাপড়া করেন। এরপর সিলেটের শাহজালাল জামেয়া ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসা থেকে কৃতিত্বের সঙ্গে দাখিল পাস করেন। উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে সিলেট স্কলার্সহোম স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় জিপিএ–৫ অর্জন করে মেধার অনন্য স্বাক্ষর রাখেন।

তায়েফ আহমেদ ২০১৬ সালে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে তিনি রংপুর সরকারি মেডিকেল কলেজে ভর্তি হন এবং সফলভাবে এমবিবিএস সম্পন্ন করেন। চিকিৎসা পেশার পাশাপাশি তিনি ২০২৪ সালে মেডিসিন বিষয়ে এফসিপিএসের প্রথম পর্ব সম্পন্ন করেন, যা তাঁর পেশাগত অগ্রযাত্রাকে আরও এগিয়ে নিয়েছে।
ডা. তায়েফের এই অর্জন শুধু তাঁর পরিবারের নয়, বরং সমগ্র দোয়ারাবাজারবাসীর গর্ব। শিক্ষা, পরিশ্রম ও অধ্যবসায়ের মাধ্যমে গ্রাম থেকে উঠে এসে তিনি প্রমাণ করেছেন—সুযোগ থাকলে গ্রামের তরুণরাও জাতীয় পর্যায়ে নিজেদের জায়গা তৈরি করতে পারে।
স্থানীয় শিক্ষাবিদ ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা বলেছেন, ‘ডা. তায়েফের সাফল্য নতুন প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে। তিনি দোয়ারাবাজারের শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দেওয়ার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।