নাটোরে সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেছেন, কোর অব ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একটি স্বনামধন্য কোর। এই কোরের সদস্যরা দেশ ও দেশের বাইরে সেতু, রাস্তা ও বিভিন্ন অবকাঠামো নির্মাণে অসামান্য দক্ষতা ও পেশা দারিত্বের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে।
রোববার (২৬ অক্টোবর) সকালে নাটোরের বাগাতিপাড়ায় কাদিরাবাদ সেনানিবাসে অবস্থিত ইঞ্জিনিয়ার সেন্টার অ্যান্ড স্কুল অব মিলিটারি ইঞ্জিনিয়ারিং (ইসিএসএমই)-এ কোর অব ইঞ্জিনিয়ার্সের নবম কর্নেল কমান্ড্যান্ট অভিষেক অনুষ্ঠান এবং বার্ষিক অধিনায়ক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
সেনাপ্রধান বলেন, “সততা, সত্যনিষ্ঠা ও কর্তব্যবোধে অবিচল থেকে উন্নয়নমূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে দেশগঠনে কোর অব ইঞ্জিনিয়ার্সের প্রশংসনীয় ভূমিকা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে আমি আশাবাদী।”
অনুষ্ঠানে সেনাপ্রধানকে কোর অব ইঞ্জিনিয়ার্সের নবম কর্নেল কমান্ড্যান্ট হিসেবে অভিষিক্ত করা হয়। তিনি অভিষেক উপলক্ষে কোরের সদস্যদের অভিনন্দন জানান এবং দায়িত্ব পালনে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব বজায় রাখার আহ্বান জানান।
এর আগে সেনাপ্রধান ইসিএসএমই পৌঁছালে তাঁকে স্বাগত জানান জেনারেল অফিসার কমান্ডিং (জিওসি), আর্মি ট্রেনিং অ্যান্ড ডকট্রিন কমান্ড, সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ার-ইন-চিফ এবং কমান্ড্যান্ট, ইসিএসএমই।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন: জিওসি, আর্মি ট্রেনিং অ্যান্ড ডকট্রিন কমান্ড; মহাপরিচালক, বিআইআইএসএস; চিফ কনসালটেন্ট জেনারেল, অ্যাডহক কনস্ট্রাকশন সুপারভিশন কনসালটেন্ট; অ্যাডজুট্যান্ট জেনারেল; জিওসি ১১ পদাতিক ডিভিশন ও এরিয়া কমান্ডার, ার, বগুড়া এরিয়া; সেনাসদরের ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাবৃন্দ; কমান্ড্যান্ট, ইসিএসএমই; বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সকল ইঞ্জিনিয়ার ব্রিগেডের কমান্ডার ও অধিনায়কবৃন্দ এবং গণমাধ্যম ব্যক্তিবর্গ।
কোর অব ইঞ্জিনিয়ার্স দীর্ঘদিন ধরে সেনাবাহিনীর অবকাঠামোগত উন্নয়ন, দুর্যোগ মোকাবিলা, শান্তিরক্ষা কার্যক্রম এবং জাতীয় উন্নয়ন প্রকল্পে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে আসছে।
এস এম আয়নুল হকরাজশাহী ব্যুরো 





















