ঢাকা ১২:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নগর গুলিস্তান স্টপওভার বাস-মিনিবাস টার্মিনাল শ্রমিক পরিচালনা কমিটির পরিচিতি সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত গাজায় ধসে পড়া ভবনের নিচ থেকে ১৯ মরদেহ উদ্ধার দাম বাড়ানোর পর দেশে আজ সোনার ভরি কত? কক্সবাজারের মাতারবাড়ী পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী বেরোবির শিক্ষার্থীদের ‘দরিচা’, বিহারি নারীদের দক্ষতায় খুলছে সম্ভাবনার নতুন জানালা সাংবাদিক সুরক্ষা আইন প্রণয়নে সরকারকে ৩ মাসের আল্টিমেটাম চাঁপাইনবাবগঞ্জে ভারতীয় জাল টাকা তৈরির কারখানায় র‍্যাব-৫ এর অভিযান আটক ২  পঞ্চগড়ে ২৬৪-এর নবনির্বাচিত কমিটিকে সংবর্ধনা রোববার চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে যাবেন প্রধানমন্ত্রী অনেককেই এখন চেনেন না ইলিয়াস কাঞ্চন, মনেও রাখতে পারেন না
নিরাপদ সড়ক দিবস আজ

নিয়ন্ত্রণহীন ব্যাটারি রিকশায় বাড়ছে দুর্ঘটনা

রাজধানী ঢাকাসহ দেশের সড়ক-মহাসড়কগুলোয় গত এক বছরে ব্যাপক হারে বেড়েছে ব্যাটারিচালিত রিকশার সংখ্যা। বেশির ভাগ সড়কেই নামানো হয়েছে সাধারণ রিকশায় ব্যাটারি সংযোজন করে। এ ব্যাটারি বাহনটির গতি বাড়ালেও দুর্বল ব্রেকিং ব্যবস্থার কারণে প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা। চালকদের বড় অংশই অদক্ষতা, যত্রতত্র পার্কিং, এলোমেলো চলাচলের কারণে সড়কের বিশৃঙ্খলা বাড়িয়ে দিয়েছে বহু গুণে।

নিয়ন্ত্রণহীনভাবে বেড়ে চলা ব্যাটারিচালিত রিকশা এখন দেশের সড়ক নিরাপত্তায় উদ্বেগের অন্যতম প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এমন প্রেক্ষাপট সামনে রেখে আজ দেশজুড়ে পালিত হচ্ছে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস। এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য ‘মানসম্মত হেলমেট ও নিরাপদ গতি, কমবে জীবন ও সম্পদের ক্ষতি।’
নিরাপদ সড়ক দিবসের প্রতিপাদ্যে এ বছর মোটরসাইকেল নিয়ে সচেতনতার বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে।

তবে সাম্প্রতিক সময়ে ঢাকাসহ দেশের বিভাগীয় ও জেলা শহরগুলোয় ব্যাটারিচালিত রিকশার দৌরাত্ম্য যেভাবে বেড়েছে, তা বিবেচনায় নিয়ে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দেশের পরিবহন খাতে এখন অন্যতম একটি সমস্যার নাম অনিরাপদ এ যান।
দেশের প্রচলিত আইনে ব্যাটারিচালিত রিকশা নিবন্ধনের কোনো সুযোগ নেই। তাই দেশে কী পরিমাণ ব্যাটারিচালিত রিকশা রয়েছে তার পরিসংখ্যানও সরকারের কোনো সংস্থার কাছে নেই। এর আগে ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় সংসদে তৎকালীন বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ জানিয়েছিলেন, বাংলাদেশে ইজিবাইক ও ব্যাটারিচালিত রিকশার সংখ্যা ৪০ লাখ।

গত দেড় বছরে এ সংখ্যা আরো কয়েক লাখ বৃদ্ধি পেয়েছে বলে মনে করছেন খাতসংশ্লিষ্টরা।
সড়ক ব্যবস্থার জন্য ব্যাটারি রিকশা চরম দুর্গতি বয়ে আনছে বলে মন্তব্য করেন গণপরিবহন বিশেষজ্ঞ ও বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অধ্যাপক ড. সামছুল হক। তিনি বলেন, ‘বিশৃঙ্খলা, যানজট, নিরাপত্তাহীনতার পাশাপাশি এসব ব্যাটারিচালিত রিকশা বলতে গেলে রাজধানী ঢাকাকে মফস্বল শহরে পরিণত করেছে। দেশের অন্য বড় শহরগুলোয়ও একই প্রবণতা দেখা যাচ্ছে।’

প্রশাসনের সামনে দিয়েই দেশে ব্যাটারি রিকশার সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে অভিযোগ করে এ গণপরিবহন বিশেষজ্ঞ বলেন, ‘যে সংস্থাগুলোকে সরকার রেগুলেটর হিসেবে তৈরি করেছে, এগুলো পেশাদারি না হওয়ায় ব্যাটারি রিকশায় ছাড় দিয়েছে।

তারা ব্যাটারি রিকশা নিয়ন্ত্রণ না করে দর্শকের ভূমিকা পালন করেছে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এ বাহন এখন বিরাট ব্যাধিতে পরিণত হয়ে গেছে। এ অসুখ সারাতে গেলে রাজনৈতিক সদিচ্ছা লাগবে। উৎপাদক পর্যায় থেকেই বাহনটি নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। পাশাপাশি এসব বাহনের বিকল্প হিসেবে প্রবর্তন করতে হবে উন্নত ও আধুনিক গণপরিবহন।’
ব্যাটারি রিকশার কারণে শহরের ট্রাফিক ব্যবস্থা নাজুক আকার ধারণ করছে বলে জানিয়েছেন ট্রাফিক পুলিশের সদস্যরা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ট্রাফিক কর্মকর্তা এ প্রসঙ্গে বলেন, প্রধান সড়কগুলোয় এ যানগুলো হঠাৎ গতি পরিবর্তন করে, ভুল লেনে চলে এবং প্রায়ই উল্টো পথে আসে, যার ফলে দ্রুতগতির অন্যান্য যানবাহনের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি সৃষ্টি হয়। অনেক চালকেরই রিকশা চালানো বা ট্রাফিক আইন সম্পর্কে কোনো পূর্ব অভিজ্ঞতা নেই, ফলে বিশৃঙ্খলা বেড়েই চলেছে। বিশৃঙ্খলার পাশাপাশি দুর্ঘটনাও ঘটছে এসব বাহনে।

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) তথ্য বলছে, গত সেপ্টেম্বরে ব্যাটারিচালিত রিকশা দুর্ঘটনায় সারা দেশে আটজনের মৃত্যু হয়েছে। অটোরিকশা দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে ৩৯ জনের। ইজিবাইক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন আরো আটজন। ইজিবাইক, রিকশা ও অটোরিকশা দুর্ঘটনায় আহতের সংখ্যা শতাধিক। বেসরকারি সংস্থাগুলোর হিসাবে এ ধরনের বাহনের দুর্ঘটনায় হতাহতের সংখ্যা আরো বেশি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এসব যানের নির্মাণগত ত্রুটি, দুর্বল ব্রেকিং সিস্টেম এবং বেপরোয়া চালনার কারণেই দুর্ঘটনা বাড়ছে।

এমন প্রেক্ষাপটে ব্যাটারিচালিত রিকশার বদলে ঢাকাসহ বড় বড় শহরে চলাচল উপযোগী বিকল্প বাহন নামানোর চেষ্টা সরকার করছে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘ব্যাটারিচালিত রিকশার বদলে বিকল্প হিসেবে আমরা একই ধরনের উন্নত ও নিরাপদ বাহন প্রবর্তনের চেষ্টা করছি। বুয়েটের (বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়) সহযোগিতা নিয়ে কতগুলো সেফ মোটরাইজড রিকশার ডিজাইন করা হয়েছে। আমরা বিষয়টি নিয়ে উৎপাদক পর্যায়েও যোগাযোগ করেছি। ঢাকায় হয়তো উন্নত ও নিরাপদ এসব রিকশা নিবন্ধন দেয়া হবে। অন্যদিকে ঢাকার অভ্যন্তরীণ সড়কগুলোয় ব্যাটারিচালিত রিকশা চলতে দেয়া যায় কিনা, সে ব্যাপারে আমাদের চিন্তাভাবনা আছে।’

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নগর গুলিস্তান স্টপওভার বাস-মিনিবাস টার্মিনাল শ্রমিক পরিচালনা কমিটির পরিচিতি সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

নিরাপদ সড়ক দিবস আজ

নিয়ন্ত্রণহীন ব্যাটারি রিকশায় বাড়ছে দুর্ঘটনা

আপডেট সময় ০১:২২:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ অক্টোবর ২০২৫

রাজধানী ঢাকাসহ দেশের সড়ক-মহাসড়কগুলোয় গত এক বছরে ব্যাপক হারে বেড়েছে ব্যাটারিচালিত রিকশার সংখ্যা। বেশির ভাগ সড়কেই নামানো হয়েছে সাধারণ রিকশায় ব্যাটারি সংযোজন করে। এ ব্যাটারি বাহনটির গতি বাড়ালেও দুর্বল ব্রেকিং ব্যবস্থার কারণে প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা। চালকদের বড় অংশই অদক্ষতা, যত্রতত্র পার্কিং, এলোমেলো চলাচলের কারণে সড়কের বিশৃঙ্খলা বাড়িয়ে দিয়েছে বহু গুণে।

নিয়ন্ত্রণহীনভাবে বেড়ে চলা ব্যাটারিচালিত রিকশা এখন দেশের সড়ক নিরাপত্তায় উদ্বেগের অন্যতম প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এমন প্রেক্ষাপট সামনে রেখে আজ দেশজুড়ে পালিত হচ্ছে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস। এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য ‘মানসম্মত হেলমেট ও নিরাপদ গতি, কমবে জীবন ও সম্পদের ক্ষতি।’
নিরাপদ সড়ক দিবসের প্রতিপাদ্যে এ বছর মোটরসাইকেল নিয়ে সচেতনতার বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে।

তবে সাম্প্রতিক সময়ে ঢাকাসহ দেশের বিভাগীয় ও জেলা শহরগুলোয় ব্যাটারিচালিত রিকশার দৌরাত্ম্য যেভাবে বেড়েছে, তা বিবেচনায় নিয়ে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দেশের পরিবহন খাতে এখন অন্যতম একটি সমস্যার নাম অনিরাপদ এ যান।
দেশের প্রচলিত আইনে ব্যাটারিচালিত রিকশা নিবন্ধনের কোনো সুযোগ নেই। তাই দেশে কী পরিমাণ ব্যাটারিচালিত রিকশা রয়েছে তার পরিসংখ্যানও সরকারের কোনো সংস্থার কাছে নেই। এর আগে ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় সংসদে তৎকালীন বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ জানিয়েছিলেন, বাংলাদেশে ইজিবাইক ও ব্যাটারিচালিত রিকশার সংখ্যা ৪০ লাখ।

গত দেড় বছরে এ সংখ্যা আরো কয়েক লাখ বৃদ্ধি পেয়েছে বলে মনে করছেন খাতসংশ্লিষ্টরা।
সড়ক ব্যবস্থার জন্য ব্যাটারি রিকশা চরম দুর্গতি বয়ে আনছে বলে মন্তব্য করেন গণপরিবহন বিশেষজ্ঞ ও বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অধ্যাপক ড. সামছুল হক। তিনি বলেন, ‘বিশৃঙ্খলা, যানজট, নিরাপত্তাহীনতার পাশাপাশি এসব ব্যাটারিচালিত রিকশা বলতে গেলে রাজধানী ঢাকাকে মফস্বল শহরে পরিণত করেছে। দেশের অন্য বড় শহরগুলোয়ও একই প্রবণতা দেখা যাচ্ছে।’

প্রশাসনের সামনে দিয়েই দেশে ব্যাটারি রিকশার সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে অভিযোগ করে এ গণপরিবহন বিশেষজ্ঞ বলেন, ‘যে সংস্থাগুলোকে সরকার রেগুলেটর হিসেবে তৈরি করেছে, এগুলো পেশাদারি না হওয়ায় ব্যাটারি রিকশায় ছাড় দিয়েছে।

তারা ব্যাটারি রিকশা নিয়ন্ত্রণ না করে দর্শকের ভূমিকা পালন করেছে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এ বাহন এখন বিরাট ব্যাধিতে পরিণত হয়ে গেছে। এ অসুখ সারাতে গেলে রাজনৈতিক সদিচ্ছা লাগবে। উৎপাদক পর্যায় থেকেই বাহনটি নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। পাশাপাশি এসব বাহনের বিকল্প হিসেবে প্রবর্তন করতে হবে উন্নত ও আধুনিক গণপরিবহন।’
ব্যাটারি রিকশার কারণে শহরের ট্রাফিক ব্যবস্থা নাজুক আকার ধারণ করছে বলে জানিয়েছেন ট্রাফিক পুলিশের সদস্যরা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ট্রাফিক কর্মকর্তা এ প্রসঙ্গে বলেন, প্রধান সড়কগুলোয় এ যানগুলো হঠাৎ গতি পরিবর্তন করে, ভুল লেনে চলে এবং প্রায়ই উল্টো পথে আসে, যার ফলে দ্রুতগতির অন্যান্য যানবাহনের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি সৃষ্টি হয়। অনেক চালকেরই রিকশা চালানো বা ট্রাফিক আইন সম্পর্কে কোনো পূর্ব অভিজ্ঞতা নেই, ফলে বিশৃঙ্খলা বেড়েই চলেছে। বিশৃঙ্খলার পাশাপাশি দুর্ঘটনাও ঘটছে এসব বাহনে।

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) তথ্য বলছে, গত সেপ্টেম্বরে ব্যাটারিচালিত রিকশা দুর্ঘটনায় সারা দেশে আটজনের মৃত্যু হয়েছে। অটোরিকশা দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে ৩৯ জনের। ইজিবাইক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন আরো আটজন। ইজিবাইক, রিকশা ও অটোরিকশা দুর্ঘটনায় আহতের সংখ্যা শতাধিক। বেসরকারি সংস্থাগুলোর হিসাবে এ ধরনের বাহনের দুর্ঘটনায় হতাহতের সংখ্যা আরো বেশি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এসব যানের নির্মাণগত ত্রুটি, দুর্বল ব্রেকিং সিস্টেম এবং বেপরোয়া চালনার কারণেই দুর্ঘটনা বাড়ছে।

এমন প্রেক্ষাপটে ব্যাটারিচালিত রিকশার বদলে ঢাকাসহ বড় বড় শহরে চলাচল উপযোগী বিকল্প বাহন নামানোর চেষ্টা সরকার করছে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘ব্যাটারিচালিত রিকশার বদলে বিকল্প হিসেবে আমরা একই ধরনের উন্নত ও নিরাপদ বাহন প্রবর্তনের চেষ্টা করছি। বুয়েটের (বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়) সহযোগিতা নিয়ে কতগুলো সেফ মোটরাইজড রিকশার ডিজাইন করা হয়েছে। আমরা বিষয়টি নিয়ে উৎপাদক পর্যায়েও যোগাযোগ করেছি। ঢাকায় হয়তো উন্নত ও নিরাপদ এসব রিকশা নিবন্ধন দেয়া হবে। অন্যদিকে ঢাকার অভ্যন্তরীণ সড়কগুলোয় ব্যাটারিচালিত রিকশা চলতে দেয়া যায় কিনা, সে ব্যাপারে আমাদের চিন্তাভাবনা আছে।’